
পূর্ব আফ্রিকার দেশ কেনিয়ায় অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ভাষা শিক্ষা ও অভিযোজন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে একটি প্রকল্প চালু করেছে রাশিয়া। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রুশ উদ্যোক্তা ও আফ্রিকার বাণিজ্যবিষয়ক টেলিগ্রাম চ্যানেল মুজুঙ্গুগ্রামের প্রধান মিখাইল লিয়াপিন।
গত শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) রাশিয়ার সংবাদমাধ্যম আরটি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে লিয়াপিন বলেন, কেনীয়রা রাশিয়ার লজিস্টিক, নির্মাণশিল্প, পণ্য প্রস্তুত কারখানাসহ বিভিন্ন খাতে কাজ করার সুযোগ পাবেন। পরীক্ষামূলকভাবে প্রথম প্রকল্পে কেনিয়া থেকে ১০ হাজার অভিবাসীকে নিয়োগ দেওয়া হবে। কেনিয়ায় দিন দিন স্নাতক ডিগ্রিধারী বেকারের সংখ্যা বাড়ছে।
লিয়াপিন বলেন, ‘আমরা অনিয়ন্ত্রিত অভিবাসনের কথা বলছি না। নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নির্দিষ্ট কাজ করার কথা বলছি। রাশিয়ায় স্থায়ীভাবে থাকার জন্য নয়, বরং তাঁরা নির্দিষ্ট একটা সময়ের জন্য আসবেন, কাজ শেষ হলে চলে যাবেন।’
রাশিয়ার এই উদ্যোক্তা বলেন, যদিও অভিবাসী নিয়োগ প্রকল্প নিয়ে আফ্রিকার আরও কয়েকটি দেশের সরকারের সঙ্গে আলোচনা চলছে, তবে কেনিয়াকে এ মুহূর্তে সবচেয়ে সক্রিয় ও আগ্রহী বলে মনে হচ্ছে।
লিয়াপিন বলেন, ‘আমরা এই পরীক্ষামূলক প্রকল্প নিয়ে কেনিয়া সরকারের বেশ কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করেছি এবং এরই মধ্যে আমরা একটি আন্তর্দেশীয় নথি তৈরির বিষয়ে অগ্রসর হয়েছি, যা এখন অনুমোদন এবং স্বাক্ষরের চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।’
তাঁর দাবি, মস্কোর শ্রমিকসংকট কাটাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আরটিকে লিয়াপিন বলেন, ‘রাশিয়ার শ্রমিকসংকটের কথা সবারই জানা। বিভিন্ন অনুমান অনুসারে, রাশিয়ায় ২৫ থেকে ৪০ লাখ শ্রমিকের ঘাটতি রয়েছে। কেনিয়ায় ৬ কোটি মানুষের বাস। কেনিয়া একাই রাশিয়ার শ্রমিকসংকট দূর করতে পারবে না, তবে এর আংশিক মেটাতে পারবে। পরীক্ষামূলক প্রকল্পটির পর আমরা (আফ্রিকার) দেশগুলোর সরকারের সহায়তায় কর্মী নিয়োগের সংখ্যা আরও বাড়াব।’
গত সপ্তাহেই নাইরোবি ঘোষণা করেছে, দ্বিপক্ষীয় শ্রম চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পর রাশিয়া, জার্মানি, সার্বিয়া ও ইসরায়েলে কেনীয়দের জন্য ৩ লাখ ১০ হাজার কর্মসংস্থান তৈরি হবে।
কেনিয়া সরকারের মুখপাত্র হুসেইন মোহাম্মদ বলেন, ‘চুক্তি সম্পন্ন হলে জার্মানিতে ২ লাখ ৫০ হাজার কর্মসংস্থান, ইসরায়েলের কৃষিতে ৩০ হাজার, সার্বিয়ায় নির্মাণশিল্প ও সেনাবাহিনীতে ২০ হাজার এবং রাশিয়ার বিভিন্ন খাতে ১০ হাজার কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।’

পূর্ব আফ্রিকার দেশ কেনিয়ায় অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ভাষা শিক্ষা ও অভিযোজন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে একটি প্রকল্প চালু করেছে রাশিয়া। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রুশ উদ্যোক্তা ও আফ্রিকার বাণিজ্যবিষয়ক টেলিগ্রাম চ্যানেল মুজুঙ্গুগ্রামের প্রধান মিখাইল লিয়াপিন।
গত শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) রাশিয়ার সংবাদমাধ্যম আরটি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে লিয়াপিন বলেন, কেনীয়রা রাশিয়ার লজিস্টিক, নির্মাণশিল্প, পণ্য প্রস্তুত কারখানাসহ বিভিন্ন খাতে কাজ করার সুযোগ পাবেন। পরীক্ষামূলকভাবে প্রথম প্রকল্পে কেনিয়া থেকে ১০ হাজার অভিবাসীকে নিয়োগ দেওয়া হবে। কেনিয়ায় দিন দিন স্নাতক ডিগ্রিধারী বেকারের সংখ্যা বাড়ছে।
লিয়াপিন বলেন, ‘আমরা অনিয়ন্ত্রিত অভিবাসনের কথা বলছি না। নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নির্দিষ্ট কাজ করার কথা বলছি। রাশিয়ায় স্থায়ীভাবে থাকার জন্য নয়, বরং তাঁরা নির্দিষ্ট একটা সময়ের জন্য আসবেন, কাজ শেষ হলে চলে যাবেন।’
রাশিয়ার এই উদ্যোক্তা বলেন, যদিও অভিবাসী নিয়োগ প্রকল্প নিয়ে আফ্রিকার আরও কয়েকটি দেশের সরকারের সঙ্গে আলোচনা চলছে, তবে কেনিয়াকে এ মুহূর্তে সবচেয়ে সক্রিয় ও আগ্রহী বলে মনে হচ্ছে।
লিয়াপিন বলেন, ‘আমরা এই পরীক্ষামূলক প্রকল্প নিয়ে কেনিয়া সরকারের বেশ কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করেছি এবং এরই মধ্যে আমরা একটি আন্তর্দেশীয় নথি তৈরির বিষয়ে অগ্রসর হয়েছি, যা এখন অনুমোদন এবং স্বাক্ষরের চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।’
তাঁর দাবি, মস্কোর শ্রমিকসংকট কাটাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আরটিকে লিয়াপিন বলেন, ‘রাশিয়ার শ্রমিকসংকটের কথা সবারই জানা। বিভিন্ন অনুমান অনুসারে, রাশিয়ায় ২৫ থেকে ৪০ লাখ শ্রমিকের ঘাটতি রয়েছে। কেনিয়ায় ৬ কোটি মানুষের বাস। কেনিয়া একাই রাশিয়ার শ্রমিকসংকট দূর করতে পারবে না, তবে এর আংশিক মেটাতে পারবে। পরীক্ষামূলক প্রকল্পটির পর আমরা (আফ্রিকার) দেশগুলোর সরকারের সহায়তায় কর্মী নিয়োগের সংখ্যা আরও বাড়াব।’
গত সপ্তাহেই নাইরোবি ঘোষণা করেছে, দ্বিপক্ষীয় শ্রম চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পর রাশিয়া, জার্মানি, সার্বিয়া ও ইসরায়েলে কেনীয়দের জন্য ৩ লাখ ১০ হাজার কর্মসংস্থান তৈরি হবে।
কেনিয়া সরকারের মুখপাত্র হুসেইন মোহাম্মদ বলেন, ‘চুক্তি সম্পন্ন হলে জার্মানিতে ২ লাখ ৫০ হাজার কর্মসংস্থান, ইসরায়েলের কৃষিতে ৩০ হাজার, সার্বিয়ায় নির্মাণশিল্প ও সেনাবাহিনীতে ২০ হাজার এবং রাশিয়ার বিভিন্ন খাতে ১০ হাজার কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।’

ইরানে গত রাতের দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলাকালে রাষ্ট্রীয় দমনপীড়ন ও সহিংসতার মাত্রা খুবই তীব্র ছিল বলে জানিয়েছে বিবিসি পারসিয়ান। বিভিন্ন শহর থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ সংস্থাটি বলছে, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অনেক বিক্ষোভকারী নিহত ও আহত হয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় পর্যায়ে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে ইরান সরকার। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে ইরানের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, দেশের ‘বর্তমান পরিস্থিতির’ কারণে নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে এই ইন্টারনেট...
৩ ঘণ্টা আগে
কঠোর নিরাপত্তা অভিযান ও দমন–পীড়নের পরও শুক্রবার রাতে (১৩ তম দিন) আবারও ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে, শহরের বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসে সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৮ বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো। একই সঙ্গে নিহত হয়েছেন ১৪ নিরাপত্তা সদস্য; এমন তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ)।
৪ ঘণ্টা আগে