
রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর উপকণ্ঠে অবস্থিত ক্রাসনোগরস্ক শহরের ক্রোকাস সিটি হলে সন্ত্রাসী হামলার দায় স্বীকার করেছে জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস)। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, ইসলামিক স্টেট-খোরাসান বা আইএস-কে এই হামলার দায় স্বীকার করেছে। এই হামলার পরপরই যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছে, তারা রাশিয়াকে এই ব্যাপারে আগেভাগেই সতর্ক করেছিল।
মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসলামিক স্টেট-খোরাসান টেলিগ্রাম চ্যানেলে এক সংক্ষিপ্ত ভিডিও বার্তায় এই দাবি করেছে। ইসলামিক স্টেট সংশ্লিষ্ট সংবাদ সংস্থা ‘আমাক’-এর টেলিগ্রাম চ্যানেলে শেয়ার করা হয় ওই ভিডিওটি। তবে ভিডিওটির বিষয়বস্তু কী সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেয়নি।
ভিডিওটিতে হামলার দায় স্বীকার করে আইএস। তবে কীভাবে তারা হামলা চালিয়েছে বা কারা এতে যুক্ত ছিল সে বিষয়ে কোনো তথ্য দেয়নি গোষ্ঠীটি। মাস খানেক আগে, ইরানেও প্রায় একই ধরনের হামলার ঘটনা ঘটেছিল। সেই হামলারও দায় স্বীকার করেছিল আইএস।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছে, তারা আগেই এ ধরনের হামলার বিষয়ে রাশিয়াকে সতর্ক করেছিল রাশিয়া। মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের মুখপাত্র অ্যাড্রিয়েন ওয়াটসন জানিয়েছেন, মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট মস্কোকে আগেভাগেই এ ধরনের হামলার বিষয়ে জানিয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়াকে জানিয়েছিল, মস্কোয় বড় ধরনের জনসমাগম বা কনসার্টের মতো সমাবেশে হামলার ঘটনা ঘটতে পারে।
বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট জনসাধারণের জন্য একটি সতর্কবার্তাও জারি করেছিল। অ্যাড্রিয়েন ওয়াটসন বলেছেন, ‘দীর্ঘদিনের “সতর্ক করা কর্তব্য”-নীতির অংশ হিসেবে মার্কিন সরকার রুশ কর্তৃপক্ষকে এ সংক্রান্ত তথ্য শেয়ার করেছিল।’
চলতি মাসের শুরু দিকে, রাশিয়ায় মার্কিন দূতাবাস জানিয়েছিল—মস্কোতে কনসার্টসহ বড় জনসমাবেশে টার্গেট করে সম্ভাব্য চরমপন্থী হামলার বিষয়ে পরিকল্পনা সংক্রান্ত বেশ কিছু গোয়েন্দা প্রতিবেদন পর্যবেক্ষণ করেছে। সে সময় মার্কিন দূতাবাস রাশিয়ায় মার্কিন নাগরিকদের সতর্ক হয়ে চলাফেরা ও জনসমাগম এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছিল।
তবে গত মঙ্গলবার এক বক্তব্যে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন মার্কিন সতর্কবার্তাকে ‘উসকানিমূলক’ আখ্যা দিয়েছিলে বলেছিলেন, ‘এ ধরনের কাজ সরাসরি ব্ল্যাকমেল ও আমাদের সমাজকে ভয় দেখানো এবং অস্থিতিশীল করার অভিপ্রায়ের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।’

রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর উপকণ্ঠে অবস্থিত ক্রাসনোগরস্ক শহরের ক্রোকাস সিটি হলে সন্ত্রাসী হামলার দায় স্বীকার করেছে জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস)। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, ইসলামিক স্টেট-খোরাসান বা আইএস-কে এই হামলার দায় স্বীকার করেছে। এই হামলার পরপরই যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছে, তারা রাশিয়াকে এই ব্যাপারে আগেভাগেই সতর্ক করেছিল।
মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসলামিক স্টেট-খোরাসান টেলিগ্রাম চ্যানেলে এক সংক্ষিপ্ত ভিডিও বার্তায় এই দাবি করেছে। ইসলামিক স্টেট সংশ্লিষ্ট সংবাদ সংস্থা ‘আমাক’-এর টেলিগ্রাম চ্যানেলে শেয়ার করা হয় ওই ভিডিওটি। তবে ভিডিওটির বিষয়বস্তু কী সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেয়নি।
ভিডিওটিতে হামলার দায় স্বীকার করে আইএস। তবে কীভাবে তারা হামলা চালিয়েছে বা কারা এতে যুক্ত ছিল সে বিষয়ে কোনো তথ্য দেয়নি গোষ্ঠীটি। মাস খানেক আগে, ইরানেও প্রায় একই ধরনের হামলার ঘটনা ঘটেছিল। সেই হামলারও দায় স্বীকার করেছিল আইএস।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছে, তারা আগেই এ ধরনের হামলার বিষয়ে রাশিয়াকে সতর্ক করেছিল রাশিয়া। মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের মুখপাত্র অ্যাড্রিয়েন ওয়াটসন জানিয়েছেন, মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট মস্কোকে আগেভাগেই এ ধরনের হামলার বিষয়ে জানিয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়াকে জানিয়েছিল, মস্কোয় বড় ধরনের জনসমাগম বা কনসার্টের মতো সমাবেশে হামলার ঘটনা ঘটতে পারে।
বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট জনসাধারণের জন্য একটি সতর্কবার্তাও জারি করেছিল। অ্যাড্রিয়েন ওয়াটসন বলেছেন, ‘দীর্ঘদিনের “সতর্ক করা কর্তব্য”-নীতির অংশ হিসেবে মার্কিন সরকার রুশ কর্তৃপক্ষকে এ সংক্রান্ত তথ্য শেয়ার করেছিল।’
চলতি মাসের শুরু দিকে, রাশিয়ায় মার্কিন দূতাবাস জানিয়েছিল—মস্কোতে কনসার্টসহ বড় জনসমাবেশে টার্গেট করে সম্ভাব্য চরমপন্থী হামলার বিষয়ে পরিকল্পনা সংক্রান্ত বেশ কিছু গোয়েন্দা প্রতিবেদন পর্যবেক্ষণ করেছে। সে সময় মার্কিন দূতাবাস রাশিয়ায় মার্কিন নাগরিকদের সতর্ক হয়ে চলাফেরা ও জনসমাগম এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছিল।
তবে গত মঙ্গলবার এক বক্তব্যে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন মার্কিন সতর্কবার্তাকে ‘উসকানিমূলক’ আখ্যা দিয়েছিলে বলেছিলেন, ‘এ ধরনের কাজ সরাসরি ব্ল্যাকমেল ও আমাদের সমাজকে ভয় দেখানো এবং অস্থিতিশীল করার অভিপ্রায়ের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।’

ইরানে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। ইন্টারনেট সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকলেও মোবাইল ফোনে ধারণ করা ভিডিও ও ছবি বাইরে আসতে শুরু করেছে।
৫ মিনিট আগে
ইরানের রাজধানী তেহরানের ফরেনসিক ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরি সেন্টারের একটি ভিডিওতে বিপুলসংখ্যক মরদেহ দেখা যাওয়ার দাবি ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত কয়েক দিনে সামাজিক মাধ্যমে ওই কেন্দ্র থেকে ধারণ করা অন্তত ছয়টি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে।
৩৪ মিনিট আগে
জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারিক সংস্থা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) সোমবার (১২ জানুয়ারি) গাম্বিয়া অভিযোগ করেছে, মিয়ানমার পরিকল্পিতভাবে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের ধ্বংসের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে এবং তাদের জীবনকে এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্নে রূপ দিয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলাকালে এক ছাত্রীকে খুব কাছ থেকে মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে একটি মানবাধিকার সংগঠন। নিহত ওই শিক্ষার্থীর নাম রুবিনা আমিনিয়ান। বয়স ২৩ বছর। তিনি তেহরানের শারিয়াতি কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং টেক্সটাইল ও ফ্যাশন ডিজাইন বিষয়ে পড়াশোনা করছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে