
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের কট্টর সমালোচক অ্যালেক্সি নাভালনি কারাগারে বন্দী অবস্থায় মারা গেছেন। এই মৃত্যুর জন্য পুতিনকে জবাব দিতে হবে—এ কথা বলেছেন নাভালনির স্ত্রী ইউলিয়া নাভালনায়া। অশ্রুসজল হয়ে তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, খুব শিগগির পুতিনের অপশাসনের অবসান ঘটবে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল এক প্রতিবেদনে খবরটি দিয়েছে।
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে গতকাল শুক্রবার নাভালনির মৃত্যুসংবাদ পান তাঁর স্ত্রী। কান্না সংবরণ করে আবেগতাড়িত বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘সে (অ্যালেক্সি নাভালনি) এখানেই থাকতে পারত, এই সম্মেলনকক্ষে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সূত্র থেকে যে খবর আমরা পেলাম, তা কীভাবে বিশ্বাস করব জানি না। কারণ, বহু বছর ধরে আমরা পুতিন ও তাঁর সরকারকে বিশ্বাস করতে পারি না। তারা সব সময় মিথ্যা বলে।’
ইউলিয়া নাভালনায়া আরও বলেন, ‘এটা সত্যি যে আমি পুতিনকে চাই। তার পুরো দল এবং তার সমস্ত বন্ধু জানুক যে তারা আমাদের দেশ, আমার পরিবার এবং আমার স্বামীর প্রতি কী করেছে। আমি পুতিনের কাছে জবাব চাই। সেই দিন খুব তাড়াতাড়ি আসবে।’
পুতিনের শাসনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কেও শামিল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন নাভালনায়া। তিনি বলেন, ‘আমি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, এই কক্ষের এবং সর্বস্তরের মানুষের প্রতি আহ্বান জানাই; আসুন, আমরা পুতিনের ভয়ংকর শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করে তাঁকে পরাজিত করি। আমাদের সঙ্গে যা হয়েছে, তার জন্য পুতিন প্রশাসনের সবাইকে ব্যক্তিগতভাবে দায়ী করতে হবে।’
রাশিয়ার স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল ইয়ামালো-নেনেতেস কারাগারে বন্দী অবস্থায় মারা গেছেন পুতিনের প্রতিপক্ষ হিসেবে পরিচিত অ্যালেক্সি নাভালনি। তাঁর বয়স হয়েছিল মাত্র ৪৭ বছর। স্ত্রী ইউলিয়া ও নাভালনির সংসারে আছে এক ছেলে ও এক মেয়ে। মেয়ের নাম দারিয়া এবং ছেলের নাম জাহার।
রাজনৈতিক জীবনে নাভালনি পুতিনের কট্টর বিরোধী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। বিশেষ করে রাশিয়ার দুর্নীতি ও শাসনব্যবস্থার কড়া সমালোচক ছিলেন তিনি। রাশিয়ায় তিনি কয়েক যুগ ধরেই বিদ্যমান সরকার ও শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে কথা বলে আসছিলেন। দেশজুড়ে এ নিয়ে তিনি বিভিন্ন সময়ে আন্দোলন চালিয়েছেন।
নাভালনি ২০১৭ সালে রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী দিমিত্রি মেদভেদেভের বিলাসবহুল জীবনযাপনের বিষয়টি উন্মোচন করেন। এমনকি বিষয়টি নিয়ে সরকারবিরোধী আন্দোলনও গড়ে তোলেন তিনি। পরে ২০১৮ সালে নাভালনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পুতিনের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতার চেষ্টা করেন, কিন্তু তাঁর প্রার্থিতা বাতিল করা হয় ২০১৪ সালের একটি অভিযোগ সামনে এনে।
২০১৪ সালে দায়ের করা একটি অর্থ আত্মসাৎ মামলায় রুশ এই নেতাকে ২০২১ সালের শুরুর দিকে গ্রেপ্তার করা হয়। দ্রুত বিচারের মাধ্যমে তাঁকে আড়াই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পরে আদালত অবমাননার অভিযোগে তাঁকে আরও ৯ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ২০২১ সালের আগস্টে চরমপন্থার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে নাভালনিকে আরও ১৯ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের কট্টর সমালোচক অ্যালেক্সি নাভালনি কারাগারে বন্দী অবস্থায় মারা গেছেন। এই মৃত্যুর জন্য পুতিনকে জবাব দিতে হবে—এ কথা বলেছেন নাভালনির স্ত্রী ইউলিয়া নাভালনায়া। অশ্রুসজল হয়ে তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, খুব শিগগির পুতিনের অপশাসনের অবসান ঘটবে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল এক প্রতিবেদনে খবরটি দিয়েছে।
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে গতকাল শুক্রবার নাভালনির মৃত্যুসংবাদ পান তাঁর স্ত্রী। কান্না সংবরণ করে আবেগতাড়িত বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘সে (অ্যালেক্সি নাভালনি) এখানেই থাকতে পারত, এই সম্মেলনকক্ষে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সূত্র থেকে যে খবর আমরা পেলাম, তা কীভাবে বিশ্বাস করব জানি না। কারণ, বহু বছর ধরে আমরা পুতিন ও তাঁর সরকারকে বিশ্বাস করতে পারি না। তারা সব সময় মিথ্যা বলে।’
ইউলিয়া নাভালনায়া আরও বলেন, ‘এটা সত্যি যে আমি পুতিনকে চাই। তার পুরো দল এবং তার সমস্ত বন্ধু জানুক যে তারা আমাদের দেশ, আমার পরিবার এবং আমার স্বামীর প্রতি কী করেছে। আমি পুতিনের কাছে জবাব চাই। সেই দিন খুব তাড়াতাড়ি আসবে।’
পুতিনের শাসনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কেও শামিল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন নাভালনায়া। তিনি বলেন, ‘আমি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, এই কক্ষের এবং সর্বস্তরের মানুষের প্রতি আহ্বান জানাই; আসুন, আমরা পুতিনের ভয়ংকর শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করে তাঁকে পরাজিত করি। আমাদের সঙ্গে যা হয়েছে, তার জন্য পুতিন প্রশাসনের সবাইকে ব্যক্তিগতভাবে দায়ী করতে হবে।’
রাশিয়ার স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল ইয়ামালো-নেনেতেস কারাগারে বন্দী অবস্থায় মারা গেছেন পুতিনের প্রতিপক্ষ হিসেবে পরিচিত অ্যালেক্সি নাভালনি। তাঁর বয়স হয়েছিল মাত্র ৪৭ বছর। স্ত্রী ইউলিয়া ও নাভালনির সংসারে আছে এক ছেলে ও এক মেয়ে। মেয়ের নাম দারিয়া এবং ছেলের নাম জাহার।
রাজনৈতিক জীবনে নাভালনি পুতিনের কট্টর বিরোধী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। বিশেষ করে রাশিয়ার দুর্নীতি ও শাসনব্যবস্থার কড়া সমালোচক ছিলেন তিনি। রাশিয়ায় তিনি কয়েক যুগ ধরেই বিদ্যমান সরকার ও শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে কথা বলে আসছিলেন। দেশজুড়ে এ নিয়ে তিনি বিভিন্ন সময়ে আন্দোলন চালিয়েছেন।
নাভালনি ২০১৭ সালে রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী দিমিত্রি মেদভেদেভের বিলাসবহুল জীবনযাপনের বিষয়টি উন্মোচন করেন। এমনকি বিষয়টি নিয়ে সরকারবিরোধী আন্দোলনও গড়ে তোলেন তিনি। পরে ২০১৮ সালে নাভালনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পুতিনের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতার চেষ্টা করেন, কিন্তু তাঁর প্রার্থিতা বাতিল করা হয় ২০১৪ সালের একটি অভিযোগ সামনে এনে।
২০১৪ সালে দায়ের করা একটি অর্থ আত্মসাৎ মামলায় রুশ এই নেতাকে ২০২১ সালের শুরুর দিকে গ্রেপ্তার করা হয়। দ্রুত বিচারের মাধ্যমে তাঁকে আড়াই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পরে আদালত অবমাননার অভিযোগে তাঁকে আরও ৯ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ২০২১ সালের আগস্টে চরমপন্থার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে নাভালনিকে আরও ১৯ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলাকালে এক ছাত্রীকে খুব কাছ থেকে মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে একটি মানবাধিকার সংগঠন। নিহত ওই শিক্ষার্থীর নাম রুবিনা আমিনিয়ান। বয়স ২৩ বছর। তিনি তেহরানের শারিয়াতি কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং টেক্সটাইল ও ফ্যাশন ডিজাইন বিষয়ে পড়াশোনা করছিলেন।
১ ঘণ্টা আগে
সার্জিও গোর ট্রাম্পের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। তিনি বলেন, ‘আমি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে সারা বিশ্ব ভ্রমণ করেছি এবং আমি হলফ করে বলতে পারি যে, প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব অত্যন্ত গভীর ও অকৃত্রিম। আমাদের দুই দেশ শুধু অভিন্ন স্বার্থেই নয়, বরং সর্বোচ্চ পর্যায়ের এক দৃঢ় সম্পর্কের...
১ ঘণ্টা আগে
যাত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্নের মুখে পড়তে যাচ্ছে রাইড শেয়ার কোম্পানি উবার। যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনার ফিনিক্সে চলতি সপ্তাহে শুরু হচ্ছে একটি যৌন নিপীড়ন মামলার শুনানি, যেখানে উবারের মাধ্যমে বুক করা গাড়ির চালকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনেছেন এক নারী।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশজুড়ে চলমান বিক্ষোভে একাধিক ‘সহিংস দাঙ্গায়’ বিপুলসংখ্যক মানুষের প্রাণহানির পর স্থানীয় সময় রোববার (১১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ইরানে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। নিহত ইরানিদের স্মরণে প্রেসিডেন্ট ও মন্ত্রিসভা শোক পালন করছে বলে জানিয়েছে প্রেসিডেন্টের দপ্তর।
৪ ঘণ্টা আগে