
বেশ বড় ধরনের সাইবার হামলার শিকার হয়েছে ইউক্রেন। এতে দেশটির বেশ কয়েকটি সরকারি ওয়েবসাইট বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। রাশিয়া এই হামলা চালাতে পারে বলে গতকাল শুক্রবার জানিয়েছে কিয়েভ।
এক টুইট বার্তায় ইউক্রেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওলেগ নিকোলেনকো বলেন, তদন্ত এখনো চলমান আছে। তবে ইউক্রেনের নিরাপত্তাবাহিনী যেসব আলামত পেয়েছে, তা থেকে বোঝা যায় যে হামলার পেছনে রাশিয়ান গোয়েন্দা সংস্থাই দায়ী।
ইউক্রেন সরকারের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার ৭০ সরকারি ওয়েবসাইট লক্ষ্য করে সাইবার হামলা চালানো হয়। এর মধ্যে ১০টি ওয়েবসাইটে হ্যাকাররা প্রবেশ করতে সক্ষম হয়েছে। তবে কোনো তথ্য পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়নি তারা। পাশাপাশি ব্যক্তিগত কোনো তথ্যও চুরি করতে পারেনি। হামলার কিছুক্ষণ পরই ওয়েবসাইটগুলো পুনরুদ্ধার করা হয়েছে।
রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে চলমান সংকটের মধ্যেই এই হামলা হলো।
গতকাল বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, গতকাল শুক্রবার ইউক্রেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটসহ বেশ কয়েকটি ওয়েবসাইট সাইবার হামলার কারণে বন্ধ হয়ে যায়।
হামলার পর ইউক্রেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে ইউক্রেনীয়, রাশিয়ান ও পোলিশ ভাষায় একটি বার্তা প্রদর্শন করা হয়েছিল, যেখানে ইউক্রেনের দুটি অতি জাতীয়তাবাদী সংগঠনের নাম উল্লেখ করে বলা হয়েছে, ‘ইউক্রেনীয়দের ভয় পাওয়া উচিত। কারণ তোমাদের জন্য আরও খারাপ সময় অপেক্ষা করছে। তোমাদের সব ব্যক্তিগত তথ্য মুছে ফেলা হয়েছে, যা পুনরুদ্ধার করা অসম্ভব। এ ছাড়া গোপন তথ্যগুলো ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।’

বেশ বড় ধরনের সাইবার হামলার শিকার হয়েছে ইউক্রেন। এতে দেশটির বেশ কয়েকটি সরকারি ওয়েবসাইট বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। রাশিয়া এই হামলা চালাতে পারে বলে গতকাল শুক্রবার জানিয়েছে কিয়েভ।
এক টুইট বার্তায় ইউক্রেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওলেগ নিকোলেনকো বলেন, তদন্ত এখনো চলমান আছে। তবে ইউক্রেনের নিরাপত্তাবাহিনী যেসব আলামত পেয়েছে, তা থেকে বোঝা যায় যে হামলার পেছনে রাশিয়ান গোয়েন্দা সংস্থাই দায়ী।
ইউক্রেন সরকারের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার ৭০ সরকারি ওয়েবসাইট লক্ষ্য করে সাইবার হামলা চালানো হয়। এর মধ্যে ১০টি ওয়েবসাইটে হ্যাকাররা প্রবেশ করতে সক্ষম হয়েছে। তবে কোনো তথ্য পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়নি তারা। পাশাপাশি ব্যক্তিগত কোনো তথ্যও চুরি করতে পারেনি। হামলার কিছুক্ষণ পরই ওয়েবসাইটগুলো পুনরুদ্ধার করা হয়েছে।
রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে চলমান সংকটের মধ্যেই এই হামলা হলো।
গতকাল বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, গতকাল শুক্রবার ইউক্রেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটসহ বেশ কয়েকটি ওয়েবসাইট সাইবার হামলার কারণে বন্ধ হয়ে যায়।
হামলার পর ইউক্রেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে ইউক্রেনীয়, রাশিয়ান ও পোলিশ ভাষায় একটি বার্তা প্রদর্শন করা হয়েছিল, যেখানে ইউক্রেনের দুটি অতি জাতীয়তাবাদী সংগঠনের নাম উল্লেখ করে বলা হয়েছে, ‘ইউক্রেনীয়দের ভয় পাওয়া উচিত। কারণ তোমাদের জন্য আরও খারাপ সময় অপেক্ষা করছে। তোমাদের সব ব্যক্তিগত তথ্য মুছে ফেলা হয়েছে, যা পুনরুদ্ধার করা অসম্ভব। এ ছাড়া গোপন তথ্যগুলো ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।’

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের কয়েক মাস আগেই দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেলোর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। অভিযানের পরও এই যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক ব্যক্তি।
১ ঘণ্টা আগে
আল-জাজিরার তেহরান প্রতিনিধি রেসুল সেরদার জানান, খামেনির বক্তব্যে আগের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত হলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন তথ্য উঠে এসেছে। সেটা হলো, প্রাণহানির সংখ্যা। তিনি বলেন, ‘এই প্রথম খামেনি নিহতের সংখ্যা নিয়ে ইঙ্গিত দিলেন। তিনি বলেছেন, সহিংস বিক্ষোভকারীরা হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
২ ঘণ্টা আগে
এই ভাষণে প্রথমবারের মতো খামেনি বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুর সংখ্যা ‘হাজার হাজার’ বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পৃক্তরা এখানে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে এবং কয়েক হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
২ ঘণ্টা আগে
ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ সুলাওয়েসি প্রদেশের মারোস জেলায় ১১ জন আরোহী নিয়ে ইন্দোনেশিয়া এয়ার ট্রান্সপোর্টের (আইএটি) একটি ফ্লাইট নিখোঁজ হয়েছে। আজ শনিবার স্থানীয় সময় বেলা ১টা ১৭ মিনিটে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে বিমানটির শেষ যোগাযোগ হয়েছিল।
৩ ঘণ্টা আগে