
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি যুদ্ধ বন্ধ করে শান্তি আনার লক্ষ্যে ১০ দফা প্রস্তাবের পরপরই গতকাল মঙ্গলবার ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করেছে রাশিয়া। ইউক্রেনের দাবি, রাজধানী কিয়েভসহ অন্তত আটটি বড় শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি বলেছেন, রাশিয়া হামলা করে বুঝিয়ে দিচ্ছে যে যুদ্ধ শেষের কোনো আগ্রহ নেই তাদের।
আজ বুধবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।
জেলেনস্কি বলেছেন, মঙ্গলবার ইউক্রেনের জ্বালানিকেন্দ্র, ভবন ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান লক্ষ্য করে কমপক্ষে ৯০টি মিসাইল নিক্ষেপ করা হয়েছে। শান্তি আনার লক্ষ্যে ১০ দফা প্রস্তাব দেওয়ার প্রত্যুত্তরে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে দিল রাশিয়া।
উল্লেখ্য, সিএনএনের প্রতিবেদন অনুসারে ইউক্রেনের দাবি, রাজধানী কিয়েভ ছাড়াও ক্রিভি রিহ, রিভনি, সুমি, পলতাভা, খারকিভ ও লভিভে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। ইন্দোনেশিয়ার বালিতে চলমান বিশ্বের শীর্ষ ২০ অর্থনীতির দেশগুলোর জোট জি-২০-এর সম্মেলন থেকে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের বেরিয়ে যাওয়ার পরপরই এই হামলা হয়েছে বলে জানিয়েছে কিয়েভ।
এদিকে ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিমিত্রি কুলেবা বলেছেন, এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা মূলত রাশিয়ার পক্ষ থেকে ইউক্রেনের শান্তি প্রস্তাবের জবাব। তারা ইউক্রেনের শান্তি প্রস্তাব নিয়ে কী ভাবে, তা এই হামলার মাধ্যমে পরিষ্কার। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে কুলেবা বলেছেন, ‘শান্তি আলোচনার প্রস্তাবের জবাব এভাবেই দিল রাশিয়া। আমাদের অস্ত্র ও নৈতিকতার জোরেই এই সন্ত্রাস বন্ধ করা সম্ভব।’
এর আগে ক্রেমলিন বলেছে, মস্কো ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির শান্তি পরিকল্পনার প্রস্তাব বিবেচনা করেছে। তবে মস্কো বিশ্বাস করে, কিয়েভের শান্তি আলোচনার সদিচ্ছা নেই। এক সংবাদ সম্মেলনে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেশকভ বলেন, ‘আমরা প্রস্তাবটি দেখেছি। আমরা এখানে মূল যে বিষয়টি উল্লেখ করতে চাই তা হলো, ইউক্রেনীয় পক্ষের কার্যত ও বিধিসম্মত উভয় অবস্থানই ইঙ্গিত দেয় যে, ইউক্রেন আলোচনা করতে পারে না এবং আলোচনা চায়ও না।’

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি যুদ্ধ বন্ধ করে শান্তি আনার লক্ষ্যে ১০ দফা প্রস্তাবের পরপরই গতকাল মঙ্গলবার ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করেছে রাশিয়া। ইউক্রেনের দাবি, রাজধানী কিয়েভসহ অন্তত আটটি বড় শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি বলেছেন, রাশিয়া হামলা করে বুঝিয়ে দিচ্ছে যে যুদ্ধ শেষের কোনো আগ্রহ নেই তাদের।
আজ বুধবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।
জেলেনস্কি বলেছেন, মঙ্গলবার ইউক্রেনের জ্বালানিকেন্দ্র, ভবন ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান লক্ষ্য করে কমপক্ষে ৯০টি মিসাইল নিক্ষেপ করা হয়েছে। শান্তি আনার লক্ষ্যে ১০ দফা প্রস্তাব দেওয়ার প্রত্যুত্তরে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে দিল রাশিয়া।
উল্লেখ্য, সিএনএনের প্রতিবেদন অনুসারে ইউক্রেনের দাবি, রাজধানী কিয়েভ ছাড়াও ক্রিভি রিহ, রিভনি, সুমি, পলতাভা, খারকিভ ও লভিভে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। ইন্দোনেশিয়ার বালিতে চলমান বিশ্বের শীর্ষ ২০ অর্থনীতির দেশগুলোর জোট জি-২০-এর সম্মেলন থেকে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের বেরিয়ে যাওয়ার পরপরই এই হামলা হয়েছে বলে জানিয়েছে কিয়েভ।
এদিকে ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিমিত্রি কুলেবা বলেছেন, এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা মূলত রাশিয়ার পক্ষ থেকে ইউক্রেনের শান্তি প্রস্তাবের জবাব। তারা ইউক্রেনের শান্তি প্রস্তাব নিয়ে কী ভাবে, তা এই হামলার মাধ্যমে পরিষ্কার। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে কুলেবা বলেছেন, ‘শান্তি আলোচনার প্রস্তাবের জবাব এভাবেই দিল রাশিয়া। আমাদের অস্ত্র ও নৈতিকতার জোরেই এই সন্ত্রাস বন্ধ করা সম্ভব।’
এর আগে ক্রেমলিন বলেছে, মস্কো ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির শান্তি পরিকল্পনার প্রস্তাব বিবেচনা করেছে। তবে মস্কো বিশ্বাস করে, কিয়েভের শান্তি আলোচনার সদিচ্ছা নেই। এক সংবাদ সম্মেলনে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেশকভ বলেন, ‘আমরা প্রস্তাবটি দেখেছি। আমরা এখানে মূল যে বিষয়টি উল্লেখ করতে চাই তা হলো, ইউক্রেনীয় পক্ষের কার্যত ও বিধিসম্মত উভয় অবস্থানই ইঙ্গিত দেয় যে, ইউক্রেন আলোচনা করতে পারে না এবং আলোচনা চায়ও না।’

ভারতের কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে সপ্তাহখানেক আগে এক নারী সফটওয়্যার প্রকৌশলীর মরদেহ উদ্ধার করা হয় তাঁর ভাড়া বাসায়। উদ্ধারের এক সপ্তাহ পর তদন্তকারীরা চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, যৌন হেনস্তার চেষ্টা প্রতিরোধ করায় ১৮ বছর বয়সী এক তরুণ ওই নারীকে হত্যা করেছে।
১ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড প্রস্তাবিত গাজা যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপের জন্য নির্ধারিত হলুদ রেখা আরও গভীরে ঠেলে দিতে চায় ইসরায়েল। উদ্দেশ্য অবরুদ্ধ ছিটমহলটির আরও ভূখণ্ড নিজের কবজায় নেওয়া। এ লক্ষ্যে আগামী মার্চে দখলদার বাহিনী গাজায় ফের আগ্রাসন শুরু করতে চায়।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সংকট সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সরকার বিক্ষোভকারীদের কথা ‘শুনতে প্রস্তুত।’ তবে একই সঙ্গে তিনি জনগণকে সতর্ক করে দিয়েছেন যেন ‘দাঙ্গাকারী’ এবং ‘সন্ত্রাসী উপাদানগুলো’ দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে। খবর আল–জাজিরার।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে চলমান বিক্ষোভের প্রতিক্রিয়ায় ওয়াশিংটন দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপসহ ‘কঠোর পদক্ষেপের’ কথা বিবেচনা করছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে