
জার্মানিতে ১৭ থেকে ৪৫ বছর বয়সী পুরুষদের দীর্ঘ সময় দেশের বাইরে থাকতে চাইলে আগে থেকেই অনুমতি নিতে হবে। দেশটিতে নতুন আইনের পরিবর্তনের ফলে এমন বিধান চালু হয়েছে। এই আইনে স্বেচ্ছায় সামরিক সেবার ব্যবস্থাও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
জার্মান সরকার ‘মিলিটারি সার্ভিস মডার্নাইজেশন অ্যাক্ট’ নামের এই আইন ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর করেছে। ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার আগ্রাসনের পর রাশিয়ার হুমকির প্রেক্ষাপটে প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোই এর মূল লক্ষ্য। বিবিসিকে পাঠানো এক বিবৃতিতে জার্মান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ১৭ বছর বা তার বেশি বয়সী পুরুষদের তিন মাসের বেশি সময় বিদেশে থাকতে হলে আগাম অনুমতি নিতে হবে।
বর্তমান আইনে সাধারণত এই ভ্রমণের অনুমোদন দেওয়া বাধ্যতামূলক। তবে কেউ নিয়ম ভঙ্গ করলে তা কীভাবে কার্যকর করা হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। গতকাল শুক্রবার ‘ফ্রাঙ্কফুর্টার রুন্ডশাউ’ পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনের আগে এই বাধ্যবাধকতাটি প্রায় নজরের বাইরে ছিল।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওই মুখপাত্র বলেন, এই বিধানের উদ্দেশ্য হলো ‘একটি নির্ভরযোগ্য ও কার্যকর সামরিক নিবন্ধন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।’ তিনি যোগ করেন, ‘জরুরি পরিস্থিতিতে আমাদের জানতে হবে, কারা দীর্ঘ সময়ের জন্য বিদেশে অবস্থান করছে।’ তবে বিবৃতিতে স্বীকার করা হয়েছে যে এই নিয়ম তরুণদের ওপর ‘দূরপ্রসারী’ প্রভাব ফেলতে পারে। পাশাপাশি জানানো হয়েছে, ‘অপ্রয়োজনীয় আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এড়াতে’ ছাড়-সংক্রান্ত বিধিমালা আংশিকভাবে প্রণয়ন করা হচ্ছে।
সর্বশেষ এই সংশোধনের আগে বিদেশে দীর্ঘ সময় থাকার বিষয়টি জানানো বাধ্যতামূলক ছিল কেবল তখনই, যখন জার্মানি জরুরি জাতীয় প্রতিরক্ষা বা মোবিলাইজেশনের অবস্থায় থাকত। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তা বলেন, অনুরূপ একটি বিধান ‘স্নায়ুযুদ্ধের সময় কার্যকর ছিল, তবে বাস্তবে এর কোনো প্রাসঙ্গিকতা ছিল না।’
এদিকে ‘মিলিটারি সার্ভিস মডার্নাইজেশন অ্যাক্ট’-এ ২০৩৫ সালের মধ্যে সক্রিয় সেনাসদস্যের সংখ্যা প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ২ লাখ ৬০ হাজারে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর আগে গত ডিসেম্বরে জার্মান পার্লামেন্ট স্বেচ্ছাসেবী সামরিক সেবা চালুর পক্ষে ভোট দেয়। ফলে জানুয়ারি থেকে সব ১৮ বছর বয়সী নাগরিককে একটি প্রশ্নপত্র পাঠানো হচ্ছে, যাতে তাঁরা সশস্ত্র বাহিনীতে যোগ দিতে আগ্রহী কি না, তা জানতে চাওয়া হচ্ছে।
জানা গেছে, ২০২৭ সালের জুলাই থেকে তাদের শারীরিক সক্ষমতার মূল্যায়নও বাধ্যতামূলক করা হবে, যাতে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হলে তারা সেবার জন্য উপযুক্ত কি না, তা নির্ধারণ করা যায়। নারীরা স্বেচ্ছায় সামরিক বাহিনীতে যোগ দিতে পারেন, তবে জার্মানির সংবিধান অনুযায়ী তাদের বাধ্যতামূলকভাবে নিয়োগ করা যাবে না। বর্তমানে পরিকল্পনা স্বেচ্ছাসেবী সেবার ওপর নির্ভরশীল হলেও নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হলে বা পর্যাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক না পাওয়া গেলে বাধ্যতামূলক সামরিক সেবার একটি রূপ বিবেচনা করা হতে পারে।
আইনটি পার্লামেন্টে পাস হওয়ার সময় অনেক তরুণ এই পরিবর্তনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে অংশ নেন। প্রতিবাদের এক আয়োজক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ‘আমরা আমাদের জীবনের ছয় মাস ব্যারাকে বন্দী থেকে ড্রিল আর আনুগত্যের প্রশিক্ষণ নিতে চাই না কিংবা হত্যা শেখার শিক্ষা নিতে চাই না।’

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ অভিযোগ করেছেন, ভারত একটি ‘ফলস-ফ্ল্যাগ অপারেশন’ বা ‘সাজানো অভিযান’ চালানোর পরিকল্পনা করছে। তিনি বলেছেন, এর উদ্দেশ্য হলো—যাতে দোষ চাপানো যায় পাকিস্তানের ওপর। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, এমন কোনো ‘নাটক’ মঞ্চস্থ করা হলে নয়াদিল্লিকে কঠোর জবাব দেওয়া হবে।
১ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনার মধ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আকাশপথে বড় ধরনের সংঘাতের খবর পাওয়া গেছে। ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তারা দক্ষিণ ইস্পাহানে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি সি-১৩০ সামরিক বিমান এবং দুটি ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টার ধ্বংস করেছে। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড
১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে ‘নরক নামিয়ে আনার’ অর্থাৎ হামলা আরও জোরদার করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, তাঁর দেওয়ার ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম না মানলে তিনি দেশটির ওপর ‘নরক নেমে আসবে’ এমন হামলা চালাবেন।
২ ঘণ্টা আগে
চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং উন্মুক্ত উৎসের তথ্য তথা ওপেন সোর্স ইন্টেল ব্যবহার করে ইরান যুদ্ধ চলাকালে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক চলাচল নজরদারি করছে। এমনটাই জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট। এই বিষয়টি নিয়ে ওয়াশিংটনে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, বিশেষ করে যুদ্ধক্ষেত্রে
২ ঘণ্টা আগে