
ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রবর্তিত ‘বাঁকা কলা’ আইনকে হাস্যকর আখ্যা দিয়েছেন যুক্তরাজ্যের পরিবেশমন্ত্রী। বলেছেন, যুক্তরাজ্য শিগগিরই এই হাস্যকর আইন বাতিল করবে। গত সোমবার ম্যানচেস্টারে ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির এক সম্মেলনে পরিবেশমন্ত্রী থেরেসি কফি এ কথা জানান। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ইভিনিং স্ট্যান্ডার্ডের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের ১৩৩৩/ ২০১১ বিধি অনুসারে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের কোনো দেশে এমন কলা বিক্রি করা চলবে না, যা অস্বাভাবিকভাবে বাঁকানো। তবে সাইপ্রাস, পর্তুগাল, গ্রিস থেকে আসা কলার ব্যাপারে এই আইন শিথিলযোগ্য। ইউরোপ তো বটেই, যুক্তরাজ্যে আইনটি ব্যাপকভাবে হাস্যরসের সৃষ্টি করেছে। ২০১৬ সালে ব্রেক্সিটের আগে ব্রেক্সিটপন্থী ব্রিটিশ রাজনীতিবিদেরা আইনটিকে ব্রাসেলসের (ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদর দপ্তর) আমলাদের পাগলামি বলে অভিহিত করেছিলেন।
সম্মেলনে ব্রিটিশ পরিবেশমন্ত্রী বলেন, ‘বাঁকানো হোক বা সোজা, মানুষ কোন আকারের কলা খাবে তা তো সরকার ঠিক করে দিতে পারে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ব্রেক্সিটের সুবিধা থেকে আমাদের কৃষকদের সহযোগিতা করতে চাই, ইউরোপীয় আইন থেকে স্বাধীনতা দিতে চাই।’
দেশজুড়ে ব্যাপক হাস্যরসের মুখোমুখি হলেও যুক্তরাজ্য ব্রেক্সিট কার্যকর হওয়ার দীর্ঘ পর এখনো ‘বাঁকা কলা’ আইন কার্যকর রয়েছে। তবে দেশটি চলতি বছরের শেষ নাগাদ ব্রিটেনে রয়ে যাওয়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের সব আইন বাতিলের উদ্যোগ নিয়েছিল। তবে সম্প্রতি দেশটির কনজারভেটিভ সরকার সেই অবস্থান থেকে সরে এসেছে। তারা এখন বলছে, সবগুলো আইন বিবেচনা করে দেখার পর সেগুলো রাখার বা বাতিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ব্রিটেনে ইউরোপীয় ইউনিয়নসংশ্লিষ্ট ৪ হাজারেরও বেশি আইন রয়ে গেছে, যার মধ্যে ব্রেক্সিটের সময় মাত্র ৮০০ আইন বাতিল করা হয়ছিল। বাকি আইনগুলোর অধিকাংশই পরিবেশসংক্রান্ত।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রবর্তিত ‘বাঁকা কলা’ আইনকে হাস্যকর আখ্যা দিয়েছেন যুক্তরাজ্যের পরিবেশমন্ত্রী। বলেছেন, যুক্তরাজ্য শিগগিরই এই হাস্যকর আইন বাতিল করবে। গত সোমবার ম্যানচেস্টারে ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির এক সম্মেলনে পরিবেশমন্ত্রী থেরেসি কফি এ কথা জানান। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ইভিনিং স্ট্যান্ডার্ডের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের ১৩৩৩/ ২০১১ বিধি অনুসারে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের কোনো দেশে এমন কলা বিক্রি করা চলবে না, যা অস্বাভাবিকভাবে বাঁকানো। তবে সাইপ্রাস, পর্তুগাল, গ্রিস থেকে আসা কলার ব্যাপারে এই আইন শিথিলযোগ্য। ইউরোপ তো বটেই, যুক্তরাজ্যে আইনটি ব্যাপকভাবে হাস্যরসের সৃষ্টি করেছে। ২০১৬ সালে ব্রেক্সিটের আগে ব্রেক্সিটপন্থী ব্রিটিশ রাজনীতিবিদেরা আইনটিকে ব্রাসেলসের (ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদর দপ্তর) আমলাদের পাগলামি বলে অভিহিত করেছিলেন।
সম্মেলনে ব্রিটিশ পরিবেশমন্ত্রী বলেন, ‘বাঁকানো হোক বা সোজা, মানুষ কোন আকারের কলা খাবে তা তো সরকার ঠিক করে দিতে পারে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ব্রেক্সিটের সুবিধা থেকে আমাদের কৃষকদের সহযোগিতা করতে চাই, ইউরোপীয় আইন থেকে স্বাধীনতা দিতে চাই।’
দেশজুড়ে ব্যাপক হাস্যরসের মুখোমুখি হলেও যুক্তরাজ্য ব্রেক্সিট কার্যকর হওয়ার দীর্ঘ পর এখনো ‘বাঁকা কলা’ আইন কার্যকর রয়েছে। তবে দেশটি চলতি বছরের শেষ নাগাদ ব্রিটেনে রয়ে যাওয়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের সব আইন বাতিলের উদ্যোগ নিয়েছিল। তবে সম্প্রতি দেশটির কনজারভেটিভ সরকার সেই অবস্থান থেকে সরে এসেছে। তারা এখন বলছে, সবগুলো আইন বিবেচনা করে দেখার পর সেগুলো রাখার বা বাতিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ব্রিটেনে ইউরোপীয় ইউনিয়নসংশ্লিষ্ট ৪ হাজারেরও বেশি আইন রয়ে গেছে, যার মধ্যে ব্রেক্সিটের সময় মাত্র ৮০০ আইন বাতিল করা হয়ছিল। বাকি আইনগুলোর অধিকাংশই পরিবেশসংক্রান্ত।

গত বছরের ডিসেম্বরে মিসরের সশস্ত্র বাহিনীর কাছে দেশের ঋণ সংকট সামাল দিতে সহায়তা চায় সরকার। কিন্তু বাহিনী সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে। অথচ সেনাবাহিনীর গোপন রিজার্ভে মিসরের মোট বৈদেশিক ঋণের চেয়েও বেশি পরিমাণ অর্থ রয়েছে—এমন দাবি করেছেন দেশটির জ্যেষ্ঠ ব্যাংকিং ও সরকারি কর্মকর্তারা। তারা এই তথ্য জানিয়েছেন
২৫ মিনিট আগে
ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ এনেছেন। তিনি দাবি করেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গকে ‘বাংলাদেশে পরিণত করার চেষ্টা করছেন’ এবং তিনি সংবিধানের বিরুদ্ধে কাজ করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
এমিরেটলিকস নামের এক অনুসন্ধানী প্ল্যাটফর্মের হাতে আসা ফাঁস হওয়া নথিতে দেখা গেছে, গাজায় চলমান যুদ্ধের পুরো সময়জুড়ে ইসরায়েলকে সরাসরি সামরিক, গোয়েন্দা ও লজিস্টিক সহায়তা দিতে লোহিত সাগর এলাকায় নিজেদের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) সরকার। মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক
৩ ঘণ্টা আগে
তাঁর গায়ে ছিল লম্বা কালো ওভারকোট। ভিডিওতে দেখা যায়, নিচ থেকে কিছু চিৎকার শোনার পর ট্রাম্প কারখানার মেঝেতে থাকা ওই বিক্ষোভকারীর দিকে আঙুল তুলে তাকান। এরপর তিনি বিরক্ত মুখভঙ্গিতে কয়েকটি কড়া শব্দ বলেন এবং মাঝের আঙুল তুলে দেখান। এ সময় তাঁকে ওই ব্যক্তির উদ্দেশে ‘এফ-বম্ব’ তথা ‘ফাক ইউ’ উচ্চারণ করতে
৪ ঘণ্টা আগে