ইউক্রেনের ছোড়া ১১টি ড্রোন ভূপাতিত করার পর নিরাপত্তার স্বার্থে মস্কোর চারটি প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরই বন্ধ করে দিয়েছে রুশ আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী। আজ রোববার স্থানীয় বিকেল থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই বিমানবন্দরগুলো থেকে সব ধরনের ফ্লাইট চলাচল স্থগিত থাকবে।
ভারতের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআই রুশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ রোসাভিয়াৎসিয়ার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির বরাতে জানিয়েছে, নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে মস্কোর ডমোডেডোভো, ভনুকোভো, ঝুকোভস্কি এবং শেরেমেতিয়েভো—এই চারটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেই আকাশপথ চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম (ম্যাক্স) চ্যানেলে জানিয়েছেন, আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী মস্কোর দিকে ধাবমান আরও একটি ইউএভি বা ড্রোন প্রতিহত করেছে। বিকেল ৪টার দিকে (স্থানীয় সময়) দেওয়া সর্বশেষ পোস্টে তিনি লিখেন, ‘এই নিয়ে মোট ভূপাতিত করা ড্রোনের সংখ্যা ১১টিতে পৌঁছেছে।’
রাশিয়া-ইউক্রেন প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ চার বছর পূর্ণ হওয়ার পথে। রাশিয়ার দাবি, ইউক্রেন নিয়মিত মস্কোসহ দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে ড্রোন হামলা চালাচ্ছে। পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে রাশিয়াও ইউক্রেনের ওপর ক্রমাগত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

প্রতিপক্ষকে শায়েস্তা করতে অর্থনৈতিক শক্তিকে অস্ত্রে পরিণত করার একধরনের একচেটিয়া আধিপত্য বহুদিন উপভোগ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। যেসব রাষ্ট্রকে বাগে আনতে ব্যর্থ হতো, তাদের ডলার বা সিলিকন ভ্যালির সবচেয়ে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করে তারা শাস্তি দিত। তবে এক বছরের মধ্যে দুবার বিশ্ব অর্থনীতিতে
২ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ বন্ধ করে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বহু কাঙ্ক্ষিত আলোচনা শেষ হয়েছে। পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে টানা ১৪ ঘণ্টার সেই আলোচনা শেষে দুই দেশের প্রতিনিধিদলই গতকাল রোববার দেশে ফিরে গেছে। তাৎক্ষণিক কোনো ঘোষণা বা ফলাফল পাওয়া গেল না ইসলামাবাদ থেকে।
৪ ঘণ্টা আগে
আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, সামরিক প্রয়োজন ছাড়া বেসামরিক বাড়িঘর ধ্বংস করা ‘যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে গণ্য হতে পারে। ধ্বংস হয়ে যাওয়া গ্রামগুলোর বাসিন্দাদের কাছে এটি কেবল ঘর হারানো নয়, বরং প্রজন্মের পর প্রজন্মের স্মৃতি হারানো।
৫ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালিতে সব ধরনের জাহাজ চলাচলে অবরোধের ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে বাস্তবে তার প্রভাব হবে অত্যন্ত নগণ্য। প্রখ্যাত শিপিং বিশেষজ্ঞ লার্স জেনসেনের মতে, এই অবরোধ শুধু হাতে গোনা কয়েকটি জাহাজের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে, যা সামগ্রিক বিশ্ববাণিজ্যে বড় কোনো পরিবর্তন আনবে না।
৫ ঘণ্টা আগে