
বিগত দুই দিনে ফ্রান্সের মন্ত্রিসভায় ব্যাপক রদবদল হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে নতুন মুখ নিয়োগ দিয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন তরুণ রাজনীতিবিদ গ্যাব্রিয়েল আত্তাল এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন স্তেফান সেজর্ন। দুই মন্ত্রীই সমকামী।
ফরাসি সংবাদমাধ্যম ফ্রান্স টোয়েন্টিফোরের এক প্রতিবেদনে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমেও বিষয়টি আলোচিত হয়েছে। আত্তাল এবং সেজর্ন কেবল সমকামীই নন, তাঁরা এক সময়ে পরস্পরের সঙ্গী হিসেবে ছিলেন।
ফরাসি মন্ত্রিসভায় ব্যাপক রদবদলের অংশ হিসেবে স্তেফান সেজর্নকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জন্য বেছে নেওয়া হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার ফরাসি প্রেসিডেন্টের কার্যালয় আনুষ্ঠানিকভাবে সেজর্নকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিয়োগ দেওয়ার ঘোষণা দেয়। তিনি বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্যাথেরিন কলোনার স্থলাভিষিক্ত হবেন।
এর আগে, ফ্রান্সের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ফরাসি রাজনীতিতে ‘মাখোঁর বালক’ বলে পরিচিত গ্যাব্রিয়েল আত্তাল। মাত্র ৩৪ বছর বয়সে ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রীর পদ অলংকৃত করবেন তিনি। গ্যাব্রিয়েল আত্তাল সদ্য বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী এলিজাবেথ বোর্নের স্থলাভিষিক্ত হবেন।
ফ্রান্স টোয়েন্টিফোরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আত্তাল ও সেজর্ন দীর্ঘদিন পরস্পরের সঙ্গী ছিলেন। ২০১৮ সালে তাঁরা আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁদের সম্পর্কের কথা জনসমক্ষে স্বীকার করেন। স্তেফান সোজের্নে সেই সময় মাখোঁর মন্ত্রিসভায় প্রথমবার প্রবেশ করেন। ধারণা করা হয়, আত্তাল ও সেজর্নর সম্পর্কচ্ছেদ হয়ে গেছে।
এই দুই মন্ত্রী জনসমক্ষে তাঁদের সম্পর্কের কথা স্বীকার করলেও সম্পর্কচ্ছেদের কথা কখনোই স্বীকার করেননি। কিন্তু গত অক্টোবরে ফরাসি কর্তৃপক্ষের কাছে দেওয়া ব্যক্তিগত বিবরণীতে আত্তাল জানিয়েছিলেন, তাঁর কোনো সঙ্গী নেই।

বিগত দুই দিনে ফ্রান্সের মন্ত্রিসভায় ব্যাপক রদবদল হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে নতুন মুখ নিয়োগ দিয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন তরুণ রাজনীতিবিদ গ্যাব্রিয়েল আত্তাল এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন স্তেফান সেজর্ন। দুই মন্ত্রীই সমকামী।
ফরাসি সংবাদমাধ্যম ফ্রান্স টোয়েন্টিফোরের এক প্রতিবেদনে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমেও বিষয়টি আলোচিত হয়েছে। আত্তাল এবং সেজর্ন কেবল সমকামীই নন, তাঁরা এক সময়ে পরস্পরের সঙ্গী হিসেবে ছিলেন।
ফরাসি মন্ত্রিসভায় ব্যাপক রদবদলের অংশ হিসেবে স্তেফান সেজর্নকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জন্য বেছে নেওয়া হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার ফরাসি প্রেসিডেন্টের কার্যালয় আনুষ্ঠানিকভাবে সেজর্নকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিয়োগ দেওয়ার ঘোষণা দেয়। তিনি বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্যাথেরিন কলোনার স্থলাভিষিক্ত হবেন।
এর আগে, ফ্রান্সের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ফরাসি রাজনীতিতে ‘মাখোঁর বালক’ বলে পরিচিত গ্যাব্রিয়েল আত্তাল। মাত্র ৩৪ বছর বয়সে ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রীর পদ অলংকৃত করবেন তিনি। গ্যাব্রিয়েল আত্তাল সদ্য বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী এলিজাবেথ বোর্নের স্থলাভিষিক্ত হবেন।
ফ্রান্স টোয়েন্টিফোরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আত্তাল ও সেজর্ন দীর্ঘদিন পরস্পরের সঙ্গী ছিলেন। ২০১৮ সালে তাঁরা আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁদের সম্পর্কের কথা জনসমক্ষে স্বীকার করেন। স্তেফান সোজের্নে সেই সময় মাখোঁর মন্ত্রিসভায় প্রথমবার প্রবেশ করেন। ধারণা করা হয়, আত্তাল ও সেজর্নর সম্পর্কচ্ছেদ হয়ে গেছে।
এই দুই মন্ত্রী জনসমক্ষে তাঁদের সম্পর্কের কথা স্বীকার করলেও সম্পর্কচ্ছেদের কথা কখনোই স্বীকার করেননি। কিন্তু গত অক্টোবরে ফরাসি কর্তৃপক্ষের কাছে দেওয়া ব্যক্তিগত বিবরণীতে আত্তাল জানিয়েছিলেন, তাঁর কোনো সঙ্গী নেই।

প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে চলা ধর্মীয় শাসনের বিরুদ্ধে কখনোই এক হতে পারেনি ইরানের বিভক্ত বিরোধী রাজনীতি। তবে এবার দেশটিতে সাম্প্রতিক বছরগুলোর সবচেয়ে বড় সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন সর্বশেষ শাহের ছেলে রেজা পাহলভি।
১ ঘণ্টা আগে
নিউইয়র্কের নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানিকে ‘নিজের চরকায় তেল দেওয়ার’ পরামর্শ দিয়ে কঠোর তিরস্কার করেছে ভারত। দিল্লিতে কারাবন্দী সাবেক ছাত্রনেতা উমর খালিদকে সংহতি জানিয়ে একটি ব্যক্তিগত চিরকুট পাঠানোয় মামদানির ওপর চটেছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
২ ঘণ্টা আগে
সোমালিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী আহমেদ মোয়ালিম ফিকি অভিযোগ করেছেন, ইসরায়েল ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করে বিচ্ছিন্নতাবাদী অঞ্চল সোমালিল্যান্ডে পাঠানোর পরিকল্পনা করছে। এই কথিত পরিকল্পনাকে তিনি আন্তর্জাতিক আইনের ‘গুরুতর লঙ্ঘন’ হিসেবে অভিহিত করে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
চার বছর ধরে চলা যুদ্ধ ইউক্রেনীয়দের জীবনের প্রায় সব সিদ্ধান্তই পাল্টে দিয়েছে। সম্পর্ক, বিয়ে কিংবা সন্তান নেওয়ার মতো ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তও এখন যুদ্ধের বাস্তবতায় আটকে যাচ্ছে। এর প্রভাব পড়ছে দেশের ভবিষ্যতের ওপর—ইউক্রেনে কমছে বিয়ে ও জন্মহার।
৩ ঘণ্টা আগে