
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক এক সপ্তাহে বিমানভ্রমণ বাবদ ৫ লাখ ইউরো ব্যয় করেছেন। গত বছরের নভেম্বরে ব্যক্তিগত উড়োজাহাজে ভ্রমণের সময় তিনি এই ব্যয় করেছেন বলে সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান।
গত বছরের ৬ নভেম্বর মিসরে অনুষ্ঠিত ‘কোপ ২৭’ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে গিয়েছিলেন ঋষি সুনাক। পরদিন তিনি আবার যুক্তরাজ্যে ফিরে আসেন। এতে তাঁর ব্যয় হয়েছিল ১ লাখ ৮ হাজার ইউরো। সম্মেলন শেষে করে ওই সপ্তাহেই জি ২০ সম্মেলনে যোগ দিতে ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপে যান সুনাক। ওই যাত্রায় তাঁর ব্যয় ৩ লাখ ৪০ হাজার ইউরো। এরপর ডিসেম্বরে লাটভিয়া ও এস্তোনিয়া ভ্রমণে গিয়েছিলেন ঋষি সুনাক। তখন মোট ব্যয় হয়েছিল ৬২ হাজার ৪৯৮ ইউরো, যার মধ্যে তাঁর ব্যক্তিগত খরচ ছিল ২ হাজার ৫০০ ইউরো।
ঋষি সুনাকের এসব ব্যয়কে ‘অপচয়’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে লেবার পার্টির এমপিদের পার্লামেন্টারি গ্রুপ লিবারেল ডেমোক্র্যাটস। এক টুইটার পোস্টে গ্রুপটি বলেছে, মানুষ যখন দৈনন্দিন জীবনযাপনের ব্যয় মেটাতে সংগ্রাম করছে, সেখানে প্রধানমন্ত্রী দুঃখজনকভাবে করদাতাদের অর্থ অপচয় করছেন।
তবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ডাউনিং স্ট্রিট এসব অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলেছে, ‘বিশ্বনেতাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করতেই ঋষি সুনাক বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেছেন। নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা, বাণিজ্যসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে তাঁর। সুতরাং এসব ভ্রমণকে মোটেও অপচয় বলা যায় না।’
ঋষি সুনাকের সরকার সর্বশেষ বাজেটে দেশের জন্মহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। এ ব্যাপারটি নিয়েও সমালোচনা করেছেন বিরোধী দলের এমপিরা। তাঁরা বলছেন, চাইল্ড কেয়ার ফার্মে ঋষি সুনাকের স্ত্রী অক্ষতা মূর্তির শেয়ার রয়েছে। সুতরাং এই বাজেটের মাধ্যমে তাঁর স্ত্রী উপকৃত হবেন।

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক এক সপ্তাহে বিমানভ্রমণ বাবদ ৫ লাখ ইউরো ব্যয় করেছেন। গত বছরের নভেম্বরে ব্যক্তিগত উড়োজাহাজে ভ্রমণের সময় তিনি এই ব্যয় করেছেন বলে সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান।
গত বছরের ৬ নভেম্বর মিসরে অনুষ্ঠিত ‘কোপ ২৭’ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে গিয়েছিলেন ঋষি সুনাক। পরদিন তিনি আবার যুক্তরাজ্যে ফিরে আসেন। এতে তাঁর ব্যয় হয়েছিল ১ লাখ ৮ হাজার ইউরো। সম্মেলন শেষে করে ওই সপ্তাহেই জি ২০ সম্মেলনে যোগ দিতে ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপে যান সুনাক। ওই যাত্রায় তাঁর ব্যয় ৩ লাখ ৪০ হাজার ইউরো। এরপর ডিসেম্বরে লাটভিয়া ও এস্তোনিয়া ভ্রমণে গিয়েছিলেন ঋষি সুনাক। তখন মোট ব্যয় হয়েছিল ৬২ হাজার ৪৯৮ ইউরো, যার মধ্যে তাঁর ব্যক্তিগত খরচ ছিল ২ হাজার ৫০০ ইউরো।
ঋষি সুনাকের এসব ব্যয়কে ‘অপচয়’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে লেবার পার্টির এমপিদের পার্লামেন্টারি গ্রুপ লিবারেল ডেমোক্র্যাটস। এক টুইটার পোস্টে গ্রুপটি বলেছে, মানুষ যখন দৈনন্দিন জীবনযাপনের ব্যয় মেটাতে সংগ্রাম করছে, সেখানে প্রধানমন্ত্রী দুঃখজনকভাবে করদাতাদের অর্থ অপচয় করছেন।
তবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ডাউনিং স্ট্রিট এসব অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলেছে, ‘বিশ্বনেতাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করতেই ঋষি সুনাক বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেছেন। নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা, বাণিজ্যসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে তাঁর। সুতরাং এসব ভ্রমণকে মোটেও অপচয় বলা যায় না।’
ঋষি সুনাকের সরকার সর্বশেষ বাজেটে দেশের জন্মহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। এ ব্যাপারটি নিয়েও সমালোচনা করেছেন বিরোধী দলের এমপিরা। তাঁরা বলছেন, চাইল্ড কেয়ার ফার্মে ঋষি সুনাকের স্ত্রী অক্ষতা মূর্তির শেয়ার রয়েছে। সুতরাং এই বাজেটের মাধ্যমে তাঁর স্ত্রী উপকৃত হবেন।

ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ এনেছে। তিনি দাবি করেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গকে ‘বাংলাদেশে পরিণত করার চেষ্টা করছেন’ এবং তিনি সংবিধানের বিরুদ্ধে কাজ করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
এমিরেটলিকস নামের এক অনুসন্ধানী প্ল্যাটফর্মের হাতে আসা ফাঁস হওয়া নথিতে দেখা গেছে, গাজায় চলমান যুদ্ধের পুরো সময়জুড়ে ইসরায়েলকে সরাসরি সামরিক, গোয়েন্দা ও লজিস্টিক সহায়তা দিতে লোহিত সাগর এলাকায় নিজেদের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) সরকার। মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক
২ ঘণ্টা আগে
তাঁর গায়ে ছিল লম্বা কালো ওভারকোট। ভিডিওতে দেখা যায়, নিচ থেকে কিছু চিৎকার শোনার পর ট্রাম্প কারখানার মেঝেতে থাকা ওই বিক্ষোভকারীর দিকে আঙুল তুলে তাকান। এরপর তিনি বিরক্ত মুখভঙ্গিতে কয়েকটি কড়া শব্দ বলেন এবং মাঝের আঙুল তুলে দেখান। এ সময় তাঁকে ওই ব্যক্তির উদ্দেশে ‘এফ-বম্ব’ তথা ‘ফাক ইউ’ উচ্চারণ করতে
৩ ঘণ্টা আগে
ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর ভিসা নীতি এবং বিদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর নানাবিধ বিধিনিষেধ সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহ্যবাহী হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে চীনা শিক্ষার্থীদের সংখ্যা গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় বেড়েছে। গত শুক্রবার হার্ভার্ড কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রকাশিত তথ্যে এই চিত্র উঠে এসেছে। বাণিজ্য
৩ ঘণ্টা আগে