
তুরস্কের ২০২৮ সালের নির্বাচনে বিরোধী দল রিপাবলিকান পিপলস পার্টির (সিএইচপি) প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে প্রায় দেড় কোটি মানুষ একরেম ইমামোগলুকে সমর্থন দিয়েছেন। রাজধানী ইস্তাম্বুলের সাবেক মেয়র ও তুরস্কের বর্তমান প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোয়ানের সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী ইমামোগলুকে সম্প্রতি গ্রেপ্তারের পর কারাগারের পাঠানো হয়েছে।
ইমামোগলুর সমর্থকেরা দাবি করছেন, বিপুল জনপ্রিয়তার কারণেই হিংসার বশবর্তী হয়ে তাঁকে কারাগারে পাঠিয়েছেন এরদোয়ান। ইমামোগলু যেন প্রেসিডেন্ট প্রার্থী না হতে পারেন সে জন্য তাঁর বিরুদ্ধে গুরুতর কয়েকটি অভিযোগে মামলা করা হয়েছে।
সোমবার রাশিয়া টাইমস (আরটি) জানিয়েছে, রিপাবলিকান পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান ওজগুর ওজেল প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে ইমামোগলুর নাম ঘোষণা করেছেন। ওজেল জানান, দলের প্রাথমিক বাছাইয়ে প্রায় দেড় কোটি মানুষ জেলে থাকা ইমামোগলুর পক্ষে ভোট দিয়েছেন।
ইস্তাম্বুলে এক সমাবেশে ওজেল বলেন, ‘মিস্টার একরেম ইমামোগলু আমাদের সদস্য ও সংহতি ব্যালট বক্স থেকে ১ কোটি ৪৮ লাখের বেশি ভোট পেয়েছেন।’
এই ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয় এমন সময়ে যখন ইমামোগলুকে গ্রেপ্তার করে ইস্তাম্বুলের মেয়রের দায়িত্ব থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। গত বুধবার তাঁকে দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তিনি এখন চাঁদাবাজি, ঘুষ গ্রহণ এবং নিষিদ্ধ কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টির (পিকেকে) সঙ্গে সম্পর্ক থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত। তুরস্ক সরকার পিকেকে-কে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করে। তবে ইমামোগলু এই সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
রিপাবলিকান পিপলস পার্টি (সিএইচপি) ইমামোগলুর গ্রেপ্তারকে অভ্যুত্থানের প্রচেষ্টা হিসেবে বর্ণনা করেছে এবং দাবি করেছে, তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীকে নির্বাচন থেকে সরানোর জন্য এটি এরদোয়ানের একটি প্রচেষ্টা।
সম্প্রতি দলটি প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে ইমামোগলুর প্রতি দলীয় সমর্থন যাচাই করতে অভ্যন্তরীণ ভোটের আয়োজন করে। দলীয় নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি এই বাছাইয়ে সাধারণ জনগণকেও সংহতি ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। ওজেল জানান, বিপুলসংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণের কারণে ভোট গ্রহণের সময় বাড়ানোর পাশাপাশি অতিরিক্ত ব্যালটও ছাপাতে হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন, ভোট দেওয়ার জন্য যথেষ্ট ব্যালট ছিল না, যথেষ্ট খাম ছিল না, এমনকি যথেষ্ট সময়ও ছিল না।’
ওজেল ইমামোগলুর মনোনয়নকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করে এরদোয়ানকে আগাম নির্বাচন দেওয়ারও আহ্বান জানিয়েছেন সিএইচপির চেয়ারম্যান ওজেল।
ইমামোগলুর গ্রেপ্তার তুরস্ক জুড়ে ব্যাপক অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। দেশটির ইস্তাম্বুল ও আঙ্কারাসহ বেশ কয়েকটি প্রধান শহরে ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে দাঙ্গা পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রোববার সকাল পর্যন্ত ৩০০ জনেরও বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওগুলোতে দেখা গেছে, বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে জলকামান, পিপার স্প্রে এবং রাবার বুলেট ব্যবহার করছে পুলিশ।

তুরস্কের ২০২৮ সালের নির্বাচনে বিরোধী দল রিপাবলিকান পিপলস পার্টির (সিএইচপি) প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে প্রায় দেড় কোটি মানুষ একরেম ইমামোগলুকে সমর্থন দিয়েছেন। রাজধানী ইস্তাম্বুলের সাবেক মেয়র ও তুরস্কের বর্তমান প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোয়ানের সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী ইমামোগলুকে সম্প্রতি গ্রেপ্তারের পর কারাগারের পাঠানো হয়েছে।
ইমামোগলুর সমর্থকেরা দাবি করছেন, বিপুল জনপ্রিয়তার কারণেই হিংসার বশবর্তী হয়ে তাঁকে কারাগারে পাঠিয়েছেন এরদোয়ান। ইমামোগলু যেন প্রেসিডেন্ট প্রার্থী না হতে পারেন সে জন্য তাঁর বিরুদ্ধে গুরুতর কয়েকটি অভিযোগে মামলা করা হয়েছে।
সোমবার রাশিয়া টাইমস (আরটি) জানিয়েছে, রিপাবলিকান পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান ওজগুর ওজেল প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে ইমামোগলুর নাম ঘোষণা করেছেন। ওজেল জানান, দলের প্রাথমিক বাছাইয়ে প্রায় দেড় কোটি মানুষ জেলে থাকা ইমামোগলুর পক্ষে ভোট দিয়েছেন।
ইস্তাম্বুলে এক সমাবেশে ওজেল বলেন, ‘মিস্টার একরেম ইমামোগলু আমাদের সদস্য ও সংহতি ব্যালট বক্স থেকে ১ কোটি ৪৮ লাখের বেশি ভোট পেয়েছেন।’
এই ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয় এমন সময়ে যখন ইমামোগলুকে গ্রেপ্তার করে ইস্তাম্বুলের মেয়রের দায়িত্ব থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। গত বুধবার তাঁকে দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তিনি এখন চাঁদাবাজি, ঘুষ গ্রহণ এবং নিষিদ্ধ কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টির (পিকেকে) সঙ্গে সম্পর্ক থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত। তুরস্ক সরকার পিকেকে-কে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করে। তবে ইমামোগলু এই সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
রিপাবলিকান পিপলস পার্টি (সিএইচপি) ইমামোগলুর গ্রেপ্তারকে অভ্যুত্থানের প্রচেষ্টা হিসেবে বর্ণনা করেছে এবং দাবি করেছে, তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীকে নির্বাচন থেকে সরানোর জন্য এটি এরদোয়ানের একটি প্রচেষ্টা।
সম্প্রতি দলটি প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে ইমামোগলুর প্রতি দলীয় সমর্থন যাচাই করতে অভ্যন্তরীণ ভোটের আয়োজন করে। দলীয় নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি এই বাছাইয়ে সাধারণ জনগণকেও সংহতি ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। ওজেল জানান, বিপুলসংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণের কারণে ভোট গ্রহণের সময় বাড়ানোর পাশাপাশি অতিরিক্ত ব্যালটও ছাপাতে হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন, ভোট দেওয়ার জন্য যথেষ্ট ব্যালট ছিল না, যথেষ্ট খাম ছিল না, এমনকি যথেষ্ট সময়ও ছিল না।’
ওজেল ইমামোগলুর মনোনয়নকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করে এরদোয়ানকে আগাম নির্বাচন দেওয়ারও আহ্বান জানিয়েছেন সিএইচপির চেয়ারম্যান ওজেল।
ইমামোগলুর গ্রেপ্তার তুরস্ক জুড়ে ব্যাপক অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। দেশটির ইস্তাম্বুল ও আঙ্কারাসহ বেশ কয়েকটি প্রধান শহরে ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে দাঙ্গা পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রোববার সকাল পর্যন্ত ৩০০ জনেরও বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওগুলোতে দেখা গেছে, বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে জলকামান, পিপার স্প্রে এবং রাবার বুলেট ব্যবহার করছে পুলিশ।

পাকিস্তান এবং চীনের যৌথ প্রচেষ্টায় তৈরি জেএফ-১৭ থান্ডার ব্লক যুদ্ধবিমান সংগ্রহে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছে ইরাক। দুই দেশের বিমানবাহিনী প্রধানদের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর গতকাল শনিবার পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গণমাধ্যম শাখা এ তথ্য জানায়। তুরস্কের রাষ্ট্র পরিচালিত সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির...
২ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ইরানে সম্ভাব্য নতুন সামরিক হামলার বিভিন্ন বিকল্প সম্পর্কে ব্রিফ করা হয়েছে; এমনটি জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত মার্কিন প্রশাসনের কর্মকর্তারা। ইরানে চলমান বিক্ষোভ দমনে তেহরানের তথাকথিত কঠোর অবস্থানের প্রেক্ষাপটে দেশটির বিরুদ্ধে সামরিক হামলার হুমকি বাস্তবায়ন...
২ ঘণ্টা আগে
সৌদি আরব ও পারমাণবিক শক্তিধর পাকিস্তানের মধ্যকার পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দিতে সক্রিয় তদবির চালাচ্ছে তুরস্ক। এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে মধ্যপ্রাচ্যে এক নতুন সামরিক জোট গড়ে উঠতে পারে এমন এক সময়ে, যখন উপসাগরীয় অঞ্চল ও ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে দুই সপ্তাহ ধরে চলা গণবিক্ষোভের মধ্যে অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ মোভাহেদি আজাদ সতর্ক করে দিয়েছেন, বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারী যে কাউকে ‘আল্লাহর শত্রু’ হিসেবে গণ্য করা হবে এবং সেই অনুসারে শাস্তি দেওয়া হবে। ইরানি আইন অনুযায়ী যে অপরাধের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।
৩ ঘণ্টা আগে