ব্রিটেনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ মারা গেছেন গত বৃহস্পতিবার। রীতি অনুযায়ী গতকাল শনিবার রানির বড় ছেলে চার্লসকে রাজা ঘোষণা করেছে অভিষেক কাউন্সিল। তিনি এখন রাজা তৃতীয় চার্লস।
অভিষেক অনুষ্ঠানের একটি দৃশ্যে রাজা তৃতীয় চার্লসকে অত্যন্ত বিরক্ত ভঙ্গিতে রাজ কর্মচারীদের কিছু নির্দেশনা দিতে দেখা যায়। সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেছে।
রাজা হিসেবে অভিষিক্ত হওয়ার ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করার আগমুহূর্তে এই ঘটনা ঘটে। রাজা হাতে কিছু নথি নিয়ে তাঁর ডেস্কে বসতে যান। কিন্তু কলমদানি ও কালির দোয়াত তাঁর সামনেই ছোট্ট ডেস্কটির ওপর এমনভাবে রাখা যে নথিপত্র রাখার স্থান নেই। এতে অত্যন্ত বিরক্ত হন রাজা। তিনি চোখমুখে বিরক্তি নিয়ে তাঁর সহচরদের টেবিল পরিষ্কার করতে বলেন। সেটি রাজার শরীরী ভাষাতেও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
রাজার অভিষেকের এই বিব্রতকর মুহূর্তটি সোশ্যাল মিডিয়ায় মিশ্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে। কেউ কেউ মুহূর্তটিকে হাস্যকর বলেছেন। অন্যরা বেশ আশ্চর্য হয়েছেন। একজন লিখেছেন, ‘কাজের প্রথম দিনই তিনি বিরক্ত! হাস্যকর!’ আরেকজন লিখেছেন, ‘এমন পরিস্থিতিতে আমিও বিরক্ত হতাম।’
৭৩ বছর বয়সে নতুন রাজা হিসেবে শপথ নিলেন চার্লস। অভিষেকের পর রাজা চার্লস জাতির উদ্দেশে প্রথম ভাষণে বলেন, ‘রানি নিজেকে যেমন অটল নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্বে নিয়োজিত করেছিলেন, আমিও এখন দৃঢ়তার সঙ্গে তার অনুসরণ করব।’

তিন নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে ইসলাম বিষয়ক বিশিষ্ট গবেষক ও সুইস বংশোদ্ভূত একাডেমিক তারিক রমাদানের বিরুদ্ধে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে বিচার শুরু হচ্ছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাঁর সর্বোচ্চ ২০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।
৪১ মিনিট আগে
বাহরাইনের একটি বন্দরে নিক্ষিপ্ত অজ্ঞাত দুটি বস্তুর আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মার্কিন পতাকাবাহী ট্যাংকার ‘স্টেনা ইম্পেরেটিভ’। স্থানীয় সময় সোমবার ভোরে এই হামলার ঘটনা ঘটে বলে দুটি সামুদ্রিক নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আলোচনার দাবি নাকচ করেছে ইরান। হামলা আরও জোরদার করেছে তারা। গত রোববার রাতে ও গতকাল সোমবার উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে তারা। হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানে মার্কিন হামলার পক্ষে দেশটির মাত্র চারজন নাগরিকের মধ্যে একজন সমর্থন জানিয়েছেন। অর্থাৎ এই হামলার পক্ষে মাত্র ২৫ শতাংশ আমেরিকান আর ৭৫ শতাংশই বিপক্ষে। রয়টার্স/ইপসোসের এই জরিপ থেকে জানা গেছে, প্রায় অর্ধেক আমেরিকান মনে করেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক শক্তি প্রয়োগে বড্ড বেশি আগ্রহী।
২ ঘণ্টা আগে