
ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন বলেছেন, ‘এই দশকের মধ্যেই ইউরোপকে নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। কারণ আমরা আর আমেরিকার ওপর নির্ভর করতে পারি না।’
তিনি ইউরোপীয় ইউনিয়নকে (ইইউ) ৮০০ বিলিয়ন ইউরো ব্যয়ে একটি সামরিক শক্তি বৃদ্ধির কর্মসূচি পুনরায় চালু করার আহ্বান জানিয়েছেন। ডেনমার্কে সামরিক ক্যাডেটদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমাদের ২০৩০ সালের মধ্যে এমন একটি কার্যকর ইউরোপীয় যোগাযোগ নেটওয়ার্ক প্রয়োজন, যা সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম দ্রুত পরিবহনে সহায়ক হবে। এর জন্য স্থলপথ, বিমানবন্দর ও সমুদ্রবন্দরগুলোর উন্নয়ন জরুরি।’
তিনি আরও বলেন, ‘শুধু সামরিক পরিবহন ব্যবস্থা নয়, বরং আমাদের বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, গোলাবারুদ, আর্টিলারি সিস্টেম ও ক্ষেপণাস্ত্রের ওপর ব্যাপক বিনিয়োগ করতে হবে।’
উরসুলা ভন ডার লিয়েন সতর্ক করেছেন, ‘রাশিয়া ভবিষ্যতে ইউরোপীয় গণতন্ত্রগুলোর বিরুদ্ধে একটি বড় সংঘাতের প্রস্তুতি নিচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘যখন আমাদের দীর্ঘদিনের মিত্র যুক্তরাষ্ট্র ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের দিকে মনোযোগ সরিয়ে নিচ্ছে, তখন আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আর আগের মতো নির্ভরযোগ্য থাকছে না। আমরা এখন আবার ক্ষমতার লড়াই এবং প্রভাব বিস্তারের যুগে ফিরে যাচ্ছি।’
তিনি ইউক্রেনের জন্য ‘জয়েন্ট টাস্ক ফোর্স’ গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি জানান, ইউক্রেনকে ২০ লাখ আর্টিলারি শেল, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও স্ট্রাইক মিসাইল সরবরাহের বিষয়ে ব্রাসেলসে আলোচনা হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘ইউরোপ প্রস্তুত। পরিবর্তন অনিবার্য, আর ইতিহাসের প্রবাহে আমাদের ঠেলে দেওয়া হলে চলবে না। আমাদের এখনই পদক্ষেপ নিতে হবে।’

ভারতের তেল শোধনাগারগুলো সীমিত পরিমাণ ইরানি তেল কিনছে। আর এই ক্রয়ের ক্ষেত্রে তারা ইরানকে চীনা ইউয়ানে অর্থ পরিশোধ করছে। মূলত মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে শিথিল থাকার সুযোগেই ভারত এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এসব লেনদেন পরিচালিত হচ্ছে আইসিআইসিআই
৩০ মিনিট আগে
বর্তমান হাইকমিশনার প্রণয় বর্মার স্থলাভিষিক্ত হতে চলেছেন দেশটির সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং বিজেপি নেতা দীনেশ ত্রিবেদী। দীর্ঘদিন পর ভারতের কোনো প্রতিবেশী রাষ্ট্রে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে রাষ্ট্রদূত হিসেবে পাঠানোর এই সিদ্ধান্তকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
১ ঘণ্টা আগে
মনে করুন, আপনার পরিচিত স্কুলপড়ুয়া মেয়ে, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী, মা–খালা–ফুফু এবং দাদী-নানী কারাগারে বন্দী। কারারক্ষীরা তাদের স্রেফ পাজামা পরা অবস্থায় উপুড় করে শুইয়ে রেখেছে এবং তাদের হাত পেছনে বাঁধা। সামান্য নড়াচড়া করলেই কারারক্ষীরা তাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে মারধর করছে। এমন দৃশ্য একবার দেখলে কী আপনি ভুলতে
১ ঘণ্টা আগে
উত্তরপ্রদেশের কানপুরে এক বীভৎস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। পারিবারিক কলহ ও সন্দেহের জেরে ৪৮ বছর বয়সী এক ব্যক্তি তাঁর ১১ বছর বয়সী দুই যমজ কন্যাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করেছেন। আজ রোববার স্থানীয় সময় ভোরে কানপুরের একটি ফ্ল্যাটে এই ঘটনা ঘটে।
২ ঘণ্টা আগে