
ঢাকা: বাদুড়ের দেহে নতুন একাধিক ধরনের করোনাভাইরাস পেলেন চীনা বিজ্ঞানীরা। এগুলোর মধ্যে একটি জিনগতভাবে সার্স–কোভ–২ (কোভিড-১৯ রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাস)–এর সমপর্যায়ের। গতকাল বৃহস্পতিবার চীনের বিজ্ঞানীদের পক্ষ থেকে এমনটি জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞানীরা জানান, তাঁরা চীনের প্রদেশ ইউনানে গবেষণা করে এই করোনাভাইরাসগুলো পেয়েছেন। পোষক হিসেবে বাদুড় কত ধরনের করোনাভাইরাস বহন করে এবং এর মধ্যে কতটি মানুষের দেহে সংক্রমিত হতে পারে তা নিয়ে চীনের বিজ্ঞানীরা ওই প্রদেশে গবেষণা চালাচ্ছিলেন।
মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএন-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেনডং বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ওয়েইফেং শি এবং তাঁর সহকর্মীরা জঙ্গলের ছোট আকৃতির বাদুড় (চামচিকা) থেকে নমুনা সংগ্রহ করেন। ২০১৯ সালের মে থেকে ২০২০ সালের নভেম্বর পর্যন্ত নমুনাগুলো সংগ্রহ করা হয়। বিজ্ঞানীরা বাদুড়ের মূত্র এবং মুখ থেকে সোয়াব সংগ্রহ করেন।
‘সেল’ সাময়িকীতে এই গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়েছে। এ নিয়ে চীনা গবেষকেরা বলেন, বিভিন্ন বাদুড় থেকে সর্বমোট ২৪টি করোনাভাইরাসের জিনোম পাওয়া গেছে। এগুলো মধ্যে চারটি সার্স–কোভ–২–এর মতো। এগুলোর মধ্যে একটি জিনগতভাবে সার্স–কোভ–২–এর সমপর্যায়ের। এটি রাইনোলোফাস পুসিলাস নামের এক প্রজাতির বাদুড়ের দেহে পাওয়া গেছে।
বিজ্ঞানীরা আরও জানান, তাঁরা যে বাদুড়গুলো থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছেন সেগুলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াজুড়ে পাওয়া যায়।
সার্স–কোভ–২ ভাইরাস কোথা থেকে এসেছে তা নিয়ে বিজ্ঞানীরা গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন। বিজ্ঞানীদের ধারণা, বাদুড় থেকে কোনো প্রাণীর মাধ্যমে এটি মানুষের দেহে সংক্রমিত হয়েছে।
চীনের বিজ্ঞানীরা আরও বলেন, বাদুড় অনেক ভাইরাসের বাহক। এর মধ্যে অনেকগুলোই মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হয়েছে। এর মধ্যে হেন্ড্রা, মারবার্গ, ইবোলা এবং নভেল করোনাভাইরাস অন্যতম। করোনা শূকর, গরু, কুকুর, মুরগির মতো প্রাণীর দেহেও সংক্রমিত হতে পারে।

ঢাকা: বাদুড়ের দেহে নতুন একাধিক ধরনের করোনাভাইরাস পেলেন চীনা বিজ্ঞানীরা। এগুলোর মধ্যে একটি জিনগতভাবে সার্স–কোভ–২ (কোভিড-১৯ রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাস)–এর সমপর্যায়ের। গতকাল বৃহস্পতিবার চীনের বিজ্ঞানীদের পক্ষ থেকে এমনটি জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞানীরা জানান, তাঁরা চীনের প্রদেশ ইউনানে গবেষণা করে এই করোনাভাইরাসগুলো পেয়েছেন। পোষক হিসেবে বাদুড় কত ধরনের করোনাভাইরাস বহন করে এবং এর মধ্যে কতটি মানুষের দেহে সংক্রমিত হতে পারে তা নিয়ে চীনের বিজ্ঞানীরা ওই প্রদেশে গবেষণা চালাচ্ছিলেন।
মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএন-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেনডং বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ওয়েইফেং শি এবং তাঁর সহকর্মীরা জঙ্গলের ছোট আকৃতির বাদুড় (চামচিকা) থেকে নমুনা সংগ্রহ করেন। ২০১৯ সালের মে থেকে ২০২০ সালের নভেম্বর পর্যন্ত নমুনাগুলো সংগ্রহ করা হয়। বিজ্ঞানীরা বাদুড়ের মূত্র এবং মুখ থেকে সোয়াব সংগ্রহ করেন।
‘সেল’ সাময়িকীতে এই গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়েছে। এ নিয়ে চীনা গবেষকেরা বলেন, বিভিন্ন বাদুড় থেকে সর্বমোট ২৪টি করোনাভাইরাসের জিনোম পাওয়া গেছে। এগুলো মধ্যে চারটি সার্স–কোভ–২–এর মতো। এগুলোর মধ্যে একটি জিনগতভাবে সার্স–কোভ–২–এর সমপর্যায়ের। এটি রাইনোলোফাস পুসিলাস নামের এক প্রজাতির বাদুড়ের দেহে পাওয়া গেছে।
বিজ্ঞানীরা আরও জানান, তাঁরা যে বাদুড়গুলো থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছেন সেগুলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াজুড়ে পাওয়া যায়।
সার্স–কোভ–২ ভাইরাস কোথা থেকে এসেছে তা নিয়ে বিজ্ঞানীরা গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন। বিজ্ঞানীদের ধারণা, বাদুড় থেকে কোনো প্রাণীর মাধ্যমে এটি মানুষের দেহে সংক্রমিত হয়েছে।
চীনের বিজ্ঞানীরা আরও বলেন, বাদুড় অনেক ভাইরাসের বাহক। এর মধ্যে অনেকগুলোই মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হয়েছে। এর মধ্যে হেন্ড্রা, মারবার্গ, ইবোলা এবং নভেল করোনাভাইরাস অন্যতম। করোনা শূকর, গরু, কুকুর, মুরগির মতো প্রাণীর দেহেও সংক্রমিত হতে পারে।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের কয়েক মাস আগেই দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেলোর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। অভিযানের পরও এই যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক ব্যক্তি।
১ ঘণ্টা আগে
আল-জাজিরার তেহরান প্রতিনিধি রেসুল সেরদার জানান, খামেনির বক্তব্যে আগের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত হলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন তথ্য উঠে এসেছে। সেটা হলো, প্রাণহানির সংখ্যা। তিনি বলেন, ‘এই প্রথম খামেনি নিহতের সংখ্যা নিয়ে ইঙ্গিত দিলেন। তিনি বলেছেন, সহিংস বিক্ষোভকারীরা হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
২ ঘণ্টা আগে
এই ভাষণে প্রথমবারের মতো খামেনি বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুর সংখ্যা ‘হাজার হাজার’ বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পৃক্তরা এখানে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে এবং কয়েক হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
২ ঘণ্টা আগে
ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ সুলাওয়েসি প্রদেশের মারোস জেলায় ১১ জন আরোহী নিয়ে ইন্দোনেশিয়া এয়ার ট্রান্সপোর্টের (আইএটি) একটি ফ্লাইট নিখোঁজ হয়েছে। আজ শনিবার স্থানীয় সময় বেলা ১টা ১৭ মিনিটে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে বিমানটির শেষ যোগাযোগ হয়েছিল।
৩ ঘণ্টা আগে