
সিরিয়ার শিবিরে আটক তথাকথিত ইসলামিক স্টেট (আইএস)–সংশ্লিষ্ট ৩৪ নারী ও শিশুকে দেশে ফিরিয়ে নেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ। তিনি জানান, সরকার এই বিষয়ে কোনো সহযোগিতা করবে না এবং তাঁদের পুনর্বাসনের উদ্যোগও নেবে না।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ইনডিপেনডেন্ট জানিয়েছে, ১১টি পরিবারের সমন্বয়ে গঠিত ওই দলটি দামেস্ক থেকে অস্ট্রেলিয়ায় ফেরার কথা ছিল। তবে সিরীয় কর্তৃপক্ষ ‘প্রক্রিয়াগত জটিলতার’ কথা উল্লেখ করে গত সোমবার তাঁদের উত্তর–পূর্ব সিরিয়ার রোজ শিবিরে ফেরত পাঠায়।
২০১৯ সালে আইএসের পতনের পর সিরিয়ার শিবিরগুলো থেকে অস্ট্রেলীয় নাগরিকদের মাত্র দুটি দলকে সরকারিভাবে এখন পর্যন্ত ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে; অন্যরা নিজ উদ্যোগে দেশে ফিরেছেন। তবে সর্বশেষ দলটির সদস্যদের কাছে অস্ট্রেলিয়ার পাসপোর্ট ছিল কি না—এই বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান আলবানিজ।
এই বিষয়ে মেলবোর্নে অস্ট্রেলিয়ান ব্রডকাস্টিং করপোরেশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আলবানিজ বলেন, ‘আমরা কোনো সহায়তা দিচ্ছি না এবং কাউকে পুনরায় দেশে আনছি না।’ তিনি আরও বলেন, ‘যারা বিদেশে গিয়ে খিলাফত প্রতিষ্ঠার চেষ্টায় অংশ নিয়েছে, তাদের প্রতি সরকারের কোনো সহানুভূতি নেই। আপনি যেমন বিছানা বানান, তেমনই ঘুমান।’
আলবানিজ উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক শিশু কল্যাণ সংস্থা ‘সেভ দ্য চিলড্রেন’ অস্ট্রেলিয়ার আদালতে প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে যে, সিরিয়ার শিবিরে আটক নাগরিকদের দেশে ফিরিয়ে নেওয়া সরকারের আইনি দায়িত্ব। ২০২৪ সালে অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেল কোর্ট সরকারের পক্ষে রায় দিয়েছিল।
আলবানিজ সতর্ক করেন, সরকারি সহায়তা ছাড়া কেউ দেশে ফিরতে পারলে আইন ভঙ্গের অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। ২০১৪ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত আইএসের সাবেক ঘাঁটি আল-রাক্কা প্রদেশে বৈধ কারণ ছাড়া ভ্রমণ করা অস্ট্রেলীয় আইনে অপরাধ ছিল। এর সর্বোচ্চ শাস্তি নির্ধারণ করা হয় ১০ বছর কারাদণ্ড।
সিরিয়ার শিবির থেকে সর্বশেষ অস্ট্রেলীয়দের একটি দল ২০২২ সালের অক্টোবরে সিডনিতে পৌঁছেছিল। তাঁদের মধ্যে ছিলেন চার মা ও ১৩ শিশু। ২০১৯ সালে তৎকালীন রক্ষণশীল সরকার দুই নিহত অস্ট্রেলীয় আইএস যোদ্ধার ৮ সন্তানকে দেশে ফিরিয়ে নিয়েছিল।
সম্প্রতি সিডনির বন্ডাই বিচে এক ইহুদি উৎসবে ১৫ জন নিহতের ঘটনায় আইএস–প্রভাবিত হামলার অভিযোগ ওঠার পর অস্ট্রেলিয়ায় বিষয়টি আবারও স্পর্শকাতর হয়ে উঠেছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ব্যাপক বোমা হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিগুলো দ্রুত পুনরুদ্ধার করছে ইরান। স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, টানেলের মুখ পরিষ্কার এবং ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো মেরামতের মাধ্যমে দেশটি আবারও তার দীর্ঘ পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ফিরিয়ে আনছে।
৭ ঘণ্টা আগে
মিয়ানমারের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে খনির কাজের জন্য মজুত করে রাখা বিস্ফোরকের একটি গুদামে বিস্ফোরণে শিশুসহ অন্তত ৪৫ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আজ রোববার দুপুরে চীন সীমান্তবর্তী এলাকায় ঘটা এই দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে আরও অর্ধশতাধিক মানুষ।
১০ ঘণ্টা আগে
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘাত শুরু হওয়ার পর কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। ফলে আরব উপসাগরে আটকা পড়ে ১০৯টি বড় বাণিজ্যিক জাহাজ। তবে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তায় এই অবরুদ্ধ দশা থেকে ২৯টি বড় তেলের ট্যাংকার নিরাপদে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
গত মাসে দক্ষিণ-পশ্চিম ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়েছিল। ধারণা করা হচ্ছে, বিমানটি সম্ভবত চীনের তৈরি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতেই বিধ্বস্ত হয়েছে। বিষয়টির সঙ্গে সম্পৃক্ত তিনটি সূত্র মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজকে এই তথ্য জানিয়েছে...
১০ ঘণ্টা আগে