
নিকট প্রতিবেশী ভারত সফরে না গিয়ে ভারত ডিঙিয়ে চীন সফরে গিয়েছেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু। গতকাল বুধবার তিনি চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে পৌঁছান। চীনা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের চীন সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশের সম্পর্ক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছাবে, যা দুই দেশের জনগণের জন্যই কল্যাণ বয়ে আনবে, একই সঙ্গে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জনগণের কল্যাণ বয়ে আনবে।
চীনা রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল টাইমস ও ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির পৃথক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং মোহাম্মদ মুইজ্জুকে বেইজিংয়ের ঐতিহাসিক গ্রেট হলে স্বাগত জানান। পরে এ দুই নেতা দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসেন। এর আগে মোহাম্মদ মুইজ্জু গত ৮ জানুয়ারি রাষ্ট্রীয় সফরে চীনে যান। তিনি পাঁচ দিনের সফর শেষে আগামী ১২ জানুয়ারি চীন ত্যাগ করবেন। বৈঠকে দুই নেতা দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়া এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে ব্যাপক কৌশলগত সহযোগিতা অংশীদারত্ব এগিয়ে নেওয়ার বিষয়েও কথা বলেন।
গ্লোবাল টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈঠকে চীনের প্রেসিডেন্ট মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টকে বলেছেন—চীন মালদ্বীপের সঙ্গে সরকার পরিচালনার অভিজ্ঞতা বিনিময় করতে, উন্নয়ন কৌশলের সমন্বয় শক্তিশালী করতে, উচ্চমানের বেল্ট অ্যান্ড রোড সহযোগিতার এগিয়ে নিতে এবং চীন-মালদ্বীপের বন্ধুত্বের এক নতুন মানদণ্ড স্থাপন করতে প্রস্তুত।
এ সময় চীনের প্রেসিডেন্ট অর্থনীতি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, কৃষি পার্ক এবং গ্রিন অ্যান্ড ব্লু অর্থনীতি ও ডিজিটাল অর্থনীতির মতো ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করার জন্য দুই পক্ষের প্রতি আহ্বান জানান। এ ছাড়া সামুদ্রিক পরিবেশ, পরিবেশগত সুরক্ষার ক্ষেত্রে সম্প্রসারিত সহযোগিতার পাশাপাশি জনগণের মধ্যে বিনিময়কে শক্তিশালী করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘চীন মালদ্বীপের শিক্ষার্থীদের চীনে আরও বেশি বেশি পড়াশোনার সুযোগ পেতে সহায়তা করবে এবং দুই দেশের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট আরও বাড়াবে।’
বৈঠকে মুইজ্জু বলেন, চীনে তাঁর প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে ব্যাপক সম্মানিত হয়েছেন এবং চলতি বছর প্রথম রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে চীন সফর করার পর বেইজিং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের উন্নয়নে যে গুরুত্ব দিচ্ছে, তার পূর্ণাঙ্গ প্রমাণ পেয়েছেন। এ সময় তিনি মালদ্বীপে চীনের প্রেসিডেন্ট সির ঐতিহাসিক সফরের ১০ বছর পূর্তির বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, চীন তাঁর দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে মূল্যবান সহায়তা প্রদান করেছে। তিনি বলেন, মালদ্বীপের জনগণ বিআরআই থেকে অনেক উপকৃত হয়েছে, মালদ্বীপ-চীন মৈত্রী সেতুকে দুই দেশের মধ্যে বন্ধনের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করে।
বৈঠক শেষে দুই রাষ্ট্রপ্রধান চীন-মালদ্বীপ ব্যাপক কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য একটি কর্মপরিকল্পনায় স্বাক্ষর প্রত্যক্ষ করেন। পাশাপাশি বেল্ট অ্যান্ড রোড, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, অর্থনীতি ও প্রযুক্তি, অবকাঠামো নির্মাণ এবং জনগণের জীবিকা, সবুজ উন্নয়ন এবং ব্লু ও ডিজিটাল অর্থনীতি বিষয়ে সহযোগিতার নথিপত্রে স্বাক্ষর করেন।
মালদ্বীপের নিকট অতীতে কোনো প্রেসিডেন্টই দায়িত্ব নিয়ে প্রথমে ভারতকে বাদ দিয়ে চীন সফরে যাননি। তবে এবার ব্যতিক্রম ঘটতে যাচ্ছে। মালদ্বীপের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে নয়াদিল্লি না গিয়ে গিয়েছেন বেইজিংয়ে।
গত বছরের নভেম্বর প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেওয়ার পর মুইজ্জু দুবার বিদেশ সফরে গিয়েছেন। প্রথমে তিনি গিয়েছিলেন তুরস্কে, এরপর গিয়েছিলেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে। তৃতীয় সফর হিসেবে তিনি যেতে পারেন বেইজিংয়ে। যদিও এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।
এর আগে ২০০৮ সালে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর মোহাম্মদ নাশিদ প্রথম সফরের গন্তব্য হিসেবে ভারতকেই বেছে নিয়েছিলেন। এরপর ২০১২ সালে মোহাম্মদ ওয়াহিদ ও ২০১৪ সালে আবদুল্লাহ ইয়ামিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথম বিদেশ সফরের গন্তব্য হিসেবে ভারতকেই বেছে নিয়েছিলেন। এমনকি পরবর্তী দুজন ভারতের প্রতি কম সহানুভূতিশীল হওয়ার পরও।
জনমনে ধারণা রয়েছে যে, মোহাম্মদ মুইজ্জু ভারতের তুলনায় চীনের প্রতিই বেশি সহানুভূতিশীল। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ সালিহের বিরুদ্ধে মুইজ্জু অভিযোগ তুলেছিলেন যে, তিনি ভারতের সঙ্গে সামরিক সম্পর্ক বৃদ্ধি করার মাধ্যমে মালদ্বীপের ভ্রাতৃত্বকে বিনষ্ট করার চেষ্টা করেছে।

নিকট প্রতিবেশী ভারত সফরে না গিয়ে ভারত ডিঙিয়ে চীন সফরে গিয়েছেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু। গতকাল বুধবার তিনি চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে পৌঁছান। চীনা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের চীন সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশের সম্পর্ক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছাবে, যা দুই দেশের জনগণের জন্যই কল্যাণ বয়ে আনবে, একই সঙ্গে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জনগণের কল্যাণ বয়ে আনবে।
চীনা রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল টাইমস ও ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির পৃথক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং মোহাম্মদ মুইজ্জুকে বেইজিংয়ের ঐতিহাসিক গ্রেট হলে স্বাগত জানান। পরে এ দুই নেতা দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসেন। এর আগে মোহাম্মদ মুইজ্জু গত ৮ জানুয়ারি রাষ্ট্রীয় সফরে চীনে যান। তিনি পাঁচ দিনের সফর শেষে আগামী ১২ জানুয়ারি চীন ত্যাগ করবেন। বৈঠকে দুই নেতা দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়া এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে ব্যাপক কৌশলগত সহযোগিতা অংশীদারত্ব এগিয়ে নেওয়ার বিষয়েও কথা বলেন।
গ্লোবাল টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈঠকে চীনের প্রেসিডেন্ট মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টকে বলেছেন—চীন মালদ্বীপের সঙ্গে সরকার পরিচালনার অভিজ্ঞতা বিনিময় করতে, উন্নয়ন কৌশলের সমন্বয় শক্তিশালী করতে, উচ্চমানের বেল্ট অ্যান্ড রোড সহযোগিতার এগিয়ে নিতে এবং চীন-মালদ্বীপের বন্ধুত্বের এক নতুন মানদণ্ড স্থাপন করতে প্রস্তুত।
এ সময় চীনের প্রেসিডেন্ট অর্থনীতি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, কৃষি পার্ক এবং গ্রিন অ্যান্ড ব্লু অর্থনীতি ও ডিজিটাল অর্থনীতির মতো ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করার জন্য দুই পক্ষের প্রতি আহ্বান জানান। এ ছাড়া সামুদ্রিক পরিবেশ, পরিবেশগত সুরক্ষার ক্ষেত্রে সম্প্রসারিত সহযোগিতার পাশাপাশি জনগণের মধ্যে বিনিময়কে শক্তিশালী করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘চীন মালদ্বীপের শিক্ষার্থীদের চীনে আরও বেশি বেশি পড়াশোনার সুযোগ পেতে সহায়তা করবে এবং দুই দেশের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট আরও বাড়াবে।’
বৈঠকে মুইজ্জু বলেন, চীনে তাঁর প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে ব্যাপক সম্মানিত হয়েছেন এবং চলতি বছর প্রথম রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে চীন সফর করার পর বেইজিং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের উন্নয়নে যে গুরুত্ব দিচ্ছে, তার পূর্ণাঙ্গ প্রমাণ পেয়েছেন। এ সময় তিনি মালদ্বীপে চীনের প্রেসিডেন্ট সির ঐতিহাসিক সফরের ১০ বছর পূর্তির বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, চীন তাঁর দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে মূল্যবান সহায়তা প্রদান করেছে। তিনি বলেন, মালদ্বীপের জনগণ বিআরআই থেকে অনেক উপকৃত হয়েছে, মালদ্বীপ-চীন মৈত্রী সেতুকে দুই দেশের মধ্যে বন্ধনের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করে।
বৈঠক শেষে দুই রাষ্ট্রপ্রধান চীন-মালদ্বীপ ব্যাপক কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য একটি কর্মপরিকল্পনায় স্বাক্ষর প্রত্যক্ষ করেন। পাশাপাশি বেল্ট অ্যান্ড রোড, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, অর্থনীতি ও প্রযুক্তি, অবকাঠামো নির্মাণ এবং জনগণের জীবিকা, সবুজ উন্নয়ন এবং ব্লু ও ডিজিটাল অর্থনীতি বিষয়ে সহযোগিতার নথিপত্রে স্বাক্ষর করেন।
মালদ্বীপের নিকট অতীতে কোনো প্রেসিডেন্টই দায়িত্ব নিয়ে প্রথমে ভারতকে বাদ দিয়ে চীন সফরে যাননি। তবে এবার ব্যতিক্রম ঘটতে যাচ্ছে। মালদ্বীপের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে নয়াদিল্লি না গিয়ে গিয়েছেন বেইজিংয়ে।
গত বছরের নভেম্বর প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেওয়ার পর মুইজ্জু দুবার বিদেশ সফরে গিয়েছেন। প্রথমে তিনি গিয়েছিলেন তুরস্কে, এরপর গিয়েছিলেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে। তৃতীয় সফর হিসেবে তিনি যেতে পারেন বেইজিংয়ে। যদিও এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।
এর আগে ২০০৮ সালে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর মোহাম্মদ নাশিদ প্রথম সফরের গন্তব্য হিসেবে ভারতকেই বেছে নিয়েছিলেন। এরপর ২০১২ সালে মোহাম্মদ ওয়াহিদ ও ২০১৪ সালে আবদুল্লাহ ইয়ামিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথম বিদেশ সফরের গন্তব্য হিসেবে ভারতকেই বেছে নিয়েছিলেন। এমনকি পরবর্তী দুজন ভারতের প্রতি কম সহানুভূতিশীল হওয়ার পরও।
জনমনে ধারণা রয়েছে যে, মোহাম্মদ মুইজ্জু ভারতের তুলনায় চীনের প্রতিই বেশি সহানুভূতিশীল। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ সালিহের বিরুদ্ধে মুইজ্জু অভিযোগ তুলেছিলেন যে, তিনি ভারতের সঙ্গে সামরিক সম্পর্ক বৃদ্ধি করার মাধ্যমে মালদ্বীপের ভ্রাতৃত্বকে বিনষ্ট করার চেষ্টা করেছে।

প্রায় সিকি শতাব্দী ধরে রাশিয়ার ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থান করছেন ভ্লাদিমির পুতিন। বিশ্ব রাজনীতির অন্যতম প্রভাবশালী এই নেতার মুখ ও বক্তব্য অহরহ দেখা গেলেও তাঁর ব্যক্তিগত জীবন আজও রয়ে গেছে কঠোর গোপনীয়তার আড়ালে। রাষ্ট্রীয় প্রচারণা যন্ত্রের ছাঁকনি পেরিয়ে পুতিনের পারিবারিক জীবনের খুব কম তথ্যই জনসমক্ষ
৪ ঘণ্টা আগে
ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে যুক্তরাষ্ট্রকে ‘শয়তান’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, ইরানি জাতি বরাবরের মতোই শত্রুদের হতাশ করবে।
৪ ঘণ্টা আগে
ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মেয়র হিসেবে প্রথম দিনেই মামদানি তাঁর আসল চেহারা দেখিয়েছেন। তিনি ইহুদি-বিদ্বেষের আন্তর্জাতিক সংজ্ঞা (আইএইচআরএ) বাতিল করেছেন এবং ইসরায়েল বয়কটের ওপর থেকে বিধিনিষেধ তুলে নিয়েছেন। এটি নেতৃত্ব নয়, বরং এটি খোলা আগুনে ইহুদি-বিদ্বেষী ঘি ঢালার সমান।
৫ ঘণ্টা আগে
গত মাসে এসটিসি এই অঞ্চলটি দখলের পর সৌদি জোটের পক্ষ থেকে এটিই প্রথম সরাসরি প্রাণঘাতী হামলা। এর আগে সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনী হাজরামাউতের সামরিক স্থাপনাগুলো ‘শান্তিপূর্ণভাবে’ নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ঘোষণা দেয়। কিন্তু ওই ঘোষণা দেওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই বিমান হামলা শুরু হয়।
৬ ঘণ্টা আগে