
ভারতের দেওয়া তিনটি বিমান পরিচালনা করার মতো যোগ্য পাইলট মালদ্বীপের সামরিক বাহিনীতে নেই বলে মন্তব্য করেছেন মালদ্বীপের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ঘাসান মামুন। মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জুর নির্দেশনার পর ভারতীয় সেনাদের দ্বীপ রাষ্ট্রটি ছেড়ে যাওয়ার কয়েক দিন পর গত শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে ঘাসান মামুন এ মন্তব্য করেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ নাশিদ ও আবদুল্লাহ ইয়ামিনের সরকারের সময় দেওয়া হেলিকপ্টার ও সাবেক প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহাম্মদ সোলিহের সরকারের সময় দেওয়া ডর্নিয়ার বিমান দিয়ে মালদ্বীপের সেনাদের প্রশিক্ষণ দেওয়াই ছিল ভারতীয় সৈন্যদের মালদ্বীপে আসার মূল কারণ।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ঘাসান মামুন বলেন, ‘মালদ্বীপের জাতীয় প্রতিরক্ষা বাহিনীতে (এমএনডিএফ) এমন কোনো সেনা নেই যারা ভারতীয় সেনাবাহিনীর দেওয়া বিমান চালাতে সক্ষম। কেননা, কিছু সৈন্য কেবলমাত্র উড়ানোর প্রশিক্ষণ শুরু করেছিল।’
ঘাসান মামুন বলেন, ‘এই প্রশিক্ষণের বিভিন্ন ধাপ রয়েছে এবং তা সঠিকভাবে শেষ করতে নির্দিষ্ট সময়ের প্রয়োজন হয়। তবে, আমাদের সৈন্যরা সময়ের অভাবে সবগুলো ধাপ সম্পন্ন করতে পারেননি। যার ফলে একজন দক্ষ পাইলট হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় গুণাবলি তাঁরা আয়ত্ত করতে পারেননি। ফলে এই মুহূর্তে আমাদের বাহিনীতে এমন কোনো লোক নেই যারা ভারতের দেওয়া দুটি হেলিকপ্টার ও ডর্নিয়ার ওড়ানোর লাইসেন্সপ্রাপ্ত বা সম্পূর্ণরূপে ওড়াতে সক্ষম।’
এ বিষয়ে মালদ্বীপের গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনপন্থী নেতা মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু ১০ মে এর মধ্যে দ্বীপরাষ্ট্রের তিন বিমান ঘাঁটি পরিচালনাকারী সকল ভারতীয় সেনা সদস্যদের প্রত্যাহারের বিষয়ে জোর দেওয়ার পরেই দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক গুরুতর চাপের মধ্যে পড়ে। যার ফলে ভারত এরই মধ্যে ৭৬ জন সেনা সদস্যকে প্রত্যাহার করেছে। তবে মালদ্বীপ সরকারের সামরিক হাসপাতালের ডাক্তারদের ভারত থেকে অপসারণের কোনো ইচ্ছা নেই বলে সংবাদ প্রকাশ করে তারা।
এখন পর্যন্ত প্রশিক্ষণ সম্পূর্ণ করতে ব্যর্থ হওয়ার পরও মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মূসা জমির গত শনিবার বলেছেন, ভারতীয় সৈন্যদের চলে যাওয়ার চুক্তিতে স্থানীয় পাইলটদের প্রশিক্ষণের বিধানও অন্তর্ভুক্ত।

ভারতের দেওয়া তিনটি বিমান পরিচালনা করার মতো যোগ্য পাইলট মালদ্বীপের সামরিক বাহিনীতে নেই বলে মন্তব্য করেছেন মালদ্বীপের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ঘাসান মামুন। মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জুর নির্দেশনার পর ভারতীয় সেনাদের দ্বীপ রাষ্ট্রটি ছেড়ে যাওয়ার কয়েক দিন পর গত শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে ঘাসান মামুন এ মন্তব্য করেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ নাশিদ ও আবদুল্লাহ ইয়ামিনের সরকারের সময় দেওয়া হেলিকপ্টার ও সাবেক প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহাম্মদ সোলিহের সরকারের সময় দেওয়া ডর্নিয়ার বিমান দিয়ে মালদ্বীপের সেনাদের প্রশিক্ষণ দেওয়াই ছিল ভারতীয় সৈন্যদের মালদ্বীপে আসার মূল কারণ।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ঘাসান মামুন বলেন, ‘মালদ্বীপের জাতীয় প্রতিরক্ষা বাহিনীতে (এমএনডিএফ) এমন কোনো সেনা নেই যারা ভারতীয় সেনাবাহিনীর দেওয়া বিমান চালাতে সক্ষম। কেননা, কিছু সৈন্য কেবলমাত্র উড়ানোর প্রশিক্ষণ শুরু করেছিল।’
ঘাসান মামুন বলেন, ‘এই প্রশিক্ষণের বিভিন্ন ধাপ রয়েছে এবং তা সঠিকভাবে শেষ করতে নির্দিষ্ট সময়ের প্রয়োজন হয়। তবে, আমাদের সৈন্যরা সময়ের অভাবে সবগুলো ধাপ সম্পন্ন করতে পারেননি। যার ফলে একজন দক্ষ পাইলট হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় গুণাবলি তাঁরা আয়ত্ত করতে পারেননি। ফলে এই মুহূর্তে আমাদের বাহিনীতে এমন কোনো লোক নেই যারা ভারতের দেওয়া দুটি হেলিকপ্টার ও ডর্নিয়ার ওড়ানোর লাইসেন্সপ্রাপ্ত বা সম্পূর্ণরূপে ওড়াতে সক্ষম।’
এ বিষয়ে মালদ্বীপের গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনপন্থী নেতা মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু ১০ মে এর মধ্যে দ্বীপরাষ্ট্রের তিন বিমান ঘাঁটি পরিচালনাকারী সকল ভারতীয় সেনা সদস্যদের প্রত্যাহারের বিষয়ে জোর দেওয়ার পরেই দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক গুরুতর চাপের মধ্যে পড়ে। যার ফলে ভারত এরই মধ্যে ৭৬ জন সেনা সদস্যকে প্রত্যাহার করেছে। তবে মালদ্বীপ সরকারের সামরিক হাসপাতালের ডাক্তারদের ভারত থেকে অপসারণের কোনো ইচ্ছা নেই বলে সংবাদ প্রকাশ করে তারা।
এখন পর্যন্ত প্রশিক্ষণ সম্পূর্ণ করতে ব্যর্থ হওয়ার পরও মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মূসা জমির গত শনিবার বলেছেন, ভারতীয় সৈন্যদের চলে যাওয়ার চুক্তিতে স্থানীয় পাইলটদের প্রশিক্ষণের বিধানও অন্তর্ভুক্ত।

অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্রিজিতের লৈঙ্গিক পরিচয় নিয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো এবং এই দম্পতির মধ্যকার ২৪ বছরের বয়সের ব্যবধান নিয়ে ‘বিদ্বেষমূলক মন্তব্য’ করার অভিযোগ আনা হয়েছিল।
২ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি ডেনমার্কের অধীনস্থ দ্বীপ গ্রিনল্যান্ডে সামরিক হামলা চালান, তবে তা ন্যাটো জোটের শেষ পরিণতি ডেকে আনবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।
২ ঘণ্টা আগে
এই ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে মাচাদো ফক্স নিউজকে বলেন, নতুন অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ, যিনি মাদুরোর ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন, তাঁকে ‘বিশ্বাস করা যায় না’।
৩ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলায় আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা এবং প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে বিচারের জন্য নিউইয়র্কে ধরে নিয়ে যাওয়ার পর, দেশটিতে নিজেদের স্যাটেলাইট ট্র্যাকিং স্টেশন ও অন্যান্য স্পর্শকাতর প্রযুক্তিগত অবকাঠামো হারানোর ঝুঁকিতে পড়েছে চীন। হংকংভিত্তিক ইংরেজি দৈনিক সাউথ চায় মর্নিং...
৫ ঘণ্টা আগে