
বিশ্বের উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর জোট ব্রিকসের পূর্ণ সদস্য হিসেবে যোগ দিচ্ছে ইন্দোনেশিয়া। জোটের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ও বর্তমান সভাপতি দেশ ব্রাজিল এক বিবৃতিতে জানায়, উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর শক্তি বৃদ্ধি ও ‘গ্লোবাল সাউথের’ (বিশ্বের দক্ষিণ গোলার্ধের উন্নয়নশীল দেশগুলো) স্বার্থ রক্ষায় ইন্দোনেশিয়াকে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রিকসের পূর্ণ সদস্য করে নেওয়া হচ্ছে।
আজ মঙ্গলবার রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এর মধ্য দিয়ে রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকা নিয়ে গঠিত এই জোট আরও প্রসারিত হচ্ছে।
অনেক দিন ধরেই ব্রিকসে যোগদানের আগ্রহ পোষণ করে আসছিল জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম দেশ ইন্দোনেশিয়া। গত বছরের নভেম্বরে ব্রিকসের ‘পার্টনার’ বা সহযোগী দেশের মর্যাদা পায় দেশটি। জোটের বাকি সদস্য দেশগুলোও ইন্দোনেশিয়ার অন্তর্ভুক্তিতে সায় দিয়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশের যোগদানে ব্রিকসের সদস্য দেশের সংখ্যা দাঁড়াল ১০।
২০২৫ সালে ব্রিকসের সভাপতিত্ব করবে ব্রাজিল। দেশটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ইন্দোনেশিয়ার ব্রিকসে যোগদান ২০২৩ সালে জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে গৃহীত সম্প্রসারণ উদ্যোগের অংশ। ইন্দোনেশিয়ার আবেদন সে সময়ই ব্রিকসের অনুমোদন পায়।
তবে, গত বছর ইন্দোনেশিয়ায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রিকসে যোগ দেওয়ার অনুরোধ জানায় এশিয়ার এই দেশ। গত অক্টোবরে দায়িত্ব গ্রহণ করেন দেশটির নতুন প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো।
ব্রাজিল সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘ইন্দোনেশিয়া ব্রিকসের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে বৈশ্বিক শাসন প্রতিষ্ঠানের সংস্কারে সমর্থন করে এবং গ্লোবাল সাউথের মধ্যে সহযোগিতা গভীর করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।’
বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪৫ শতাংশই এই জোটের অন্তর্ভুক্ত। ইন্দোনেশিয়ার যোগদানে এর পরিমাণ আরও বাড়বে। বৈশ্বিক দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ৩৫ শতাংশই এই জোটের দেশগুলোর।
উন্নত দেশগুলোর জোট গ্রুপ অব সেভেন (জি৭) গঠনের প্রতিক্রিয়ায় উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর জোট ব্রিকসের জন্ম। ২০৫০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে প্রভাব বিস্তার করবে এমন দেশ নিয়ে গঠিত হয় জোটটি। এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য রাষ্ট্র—ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকা। ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে মিসর, ইরান, ইথিওপিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাত আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রিকসের সদস্য হয়।

বিশ্বের উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর জোট ব্রিকসের পূর্ণ সদস্য হিসেবে যোগ দিচ্ছে ইন্দোনেশিয়া। জোটের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ও বর্তমান সভাপতি দেশ ব্রাজিল এক বিবৃতিতে জানায়, উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর শক্তি বৃদ্ধি ও ‘গ্লোবাল সাউথের’ (বিশ্বের দক্ষিণ গোলার্ধের উন্নয়নশীল দেশগুলো) স্বার্থ রক্ষায় ইন্দোনেশিয়াকে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রিকসের পূর্ণ সদস্য করে নেওয়া হচ্ছে।
আজ মঙ্গলবার রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এর মধ্য দিয়ে রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকা নিয়ে গঠিত এই জোট আরও প্রসারিত হচ্ছে।
অনেক দিন ধরেই ব্রিকসে যোগদানের আগ্রহ পোষণ করে আসছিল জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম দেশ ইন্দোনেশিয়া। গত বছরের নভেম্বরে ব্রিকসের ‘পার্টনার’ বা সহযোগী দেশের মর্যাদা পায় দেশটি। জোটের বাকি সদস্য দেশগুলোও ইন্দোনেশিয়ার অন্তর্ভুক্তিতে সায় দিয়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশের যোগদানে ব্রিকসের সদস্য দেশের সংখ্যা দাঁড়াল ১০।
২০২৫ সালে ব্রিকসের সভাপতিত্ব করবে ব্রাজিল। দেশটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ইন্দোনেশিয়ার ব্রিকসে যোগদান ২০২৩ সালে জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে গৃহীত সম্প্রসারণ উদ্যোগের অংশ। ইন্দোনেশিয়ার আবেদন সে সময়ই ব্রিকসের অনুমোদন পায়।
তবে, গত বছর ইন্দোনেশিয়ায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রিকসে যোগ দেওয়ার অনুরোধ জানায় এশিয়ার এই দেশ। গত অক্টোবরে দায়িত্ব গ্রহণ করেন দেশটির নতুন প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো।
ব্রাজিল সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘ইন্দোনেশিয়া ব্রিকসের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে বৈশ্বিক শাসন প্রতিষ্ঠানের সংস্কারে সমর্থন করে এবং গ্লোবাল সাউথের মধ্যে সহযোগিতা গভীর করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।’
বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪৫ শতাংশই এই জোটের অন্তর্ভুক্ত। ইন্দোনেশিয়ার যোগদানে এর পরিমাণ আরও বাড়বে। বৈশ্বিক দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ৩৫ শতাংশই এই জোটের দেশগুলোর।
উন্নত দেশগুলোর জোট গ্রুপ অব সেভেন (জি৭) গঠনের প্রতিক্রিয়ায় উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর জোট ব্রিকসের জন্ম। ২০৫০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে প্রভাব বিস্তার করবে এমন দেশ নিয়ে গঠিত হয় জোটটি। এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য রাষ্ট্র—ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকা। ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে মিসর, ইরান, ইথিওপিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাত আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রিকসের সদস্য হয়।

দক্ষিণ কোরিয়ার আদালত দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে ক্ষমতার অপব্যবহার করে সামরিক আইন (মার্শাল ল) ঘোষণা করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।
৩০ মিনিট আগে
ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে নিহত ব্যক্তিদের মরদেহ ফেরত দিতে পরিবারের কাছ থেকে বিপুল অঙ্কের অর্থ দাবি করছে কর্তৃপক্ষ। বিবিসির এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানের পাঁচ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের অভিযোগ, এই কর্মকর্তারাই দেশটিতে চলমান বিক্ষোভ দমনের মূল পরিকল্পনাকারী। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, ইরানের শীর্ষ নেতারা বিদেশি ব্যাংকে যে অর্থ পাঠাচ্ছেন, তা–ও তারা নজরদারিতে রেখেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো হোয়াইট হাউসে বৈঠকের সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তাঁর নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদক উপহার দিয়েছেন। দক্ষিণ আমেরিকার দেশটির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে ট্রাম্প কী ভূমিকা নেবেন, সে বিষয়ে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা হিসেবেই মাচাদোর...
৫ ঘণ্টা আগে