
কেবল আত্মরক্ষার জন্য পারমাণবিক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে বলে দাবি করছে চীন। গতকাল শুক্রবার দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ দাবি জানায়। অন্য দেশগুলোর ভয়ের কোনো কারণ নেই বলেও আশ্বাস দিয়েছে বেইজিং।
চীনের পারমাণবিক অস্ত্রাগার যুক্তরাষ্ট্রের ধারণার চেয়েও দ্রুতগতিতে উন্নত হচ্ছে এবং ২০৩০ সাল নাগাদ এক হাজারেরও বেশি পারমাণবিক যুদ্ধাস্ত্র সক্রিয় থাকতে পারে বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
সৌদি আরবের সংবাদমাধ্যম আরব নিউজ এক প্রতিবেদনে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের দাবি অস্বীকার করলেও যুদ্ধাস্ত্রের সংখ্যা নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র।
মুখপাত্র মাও নিং বলেন, ‘চীন বেশ দৃঢ়ভাবে এর আত্মরক্ষার পারমাণবিক কৌশল মেনে চলে। আমরা সব সময় আমাদের পারমাণবিক বাহিনী জাতীয় নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় ন্যূনতম স্তরে রেখেছি। আমাদের কোনো দেশের সঙ্গে পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতায় জড়ানোর ইচ্ছা নেই।’
মাও আরও বলেন, ‘চীনের বিরুদ্ধে কোনো পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার বা ব্যবহারের হুমকি না দেওয়া পর্যন্ত কোনো দেশই চীনের পারমাণবিক অস্ত্রের হুমকির সম্মুখীন হবে না।’
এ ছাড়া তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ‘পারমাণবিক খাত উন্নয়নে ব্যাপক বিনিয়োগ’ এবং ‘বর্ধিত প্রতিরোধ’ নামে পরিচিত পারমাণবিক শক্তিহীন দেশগুলোকে পারমাণবিক প্রতিরক্ষা দেওয়ার নীতির নিন্দা করেন।
এ নীতিগুলো পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতা ও পারমাণবিক সংঘর্ষ উসকে দেয় এবং বৈশ্বিক কৌশলগত নিরাপত্তা পরিবেশের আরও অবনতি ঘটাবে বলে সতর্ক করেছেন মাও।
স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের প্রতিবেদন অনুসারে, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে প্রায় ৩ হাজার ৭০০টি পারমাণবিক যুদ্ধাস্ত্র রয়েছে, রাশিয়ার রয়েছে ৪ হাজার ৫০০টি এবং চীনের রয়েছে ৪১০টি।
বেইজিং কার্যকরভাবে ‘প্রথম ব্যবহার নয়’-এর পারমাণবিক নীতি গ্রহণ করেছে। বিবৃতি অনুসারে, চীনের ওপর হামলা করা হলেই শুধু চীন পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করবে।
সাম্প্রতিক কয়েক বছরে প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের অধীনে চীনের ব্যাপক সামরিক আধুনিকায়ন হয়েছে। এতে পারমাণবিক অস্ত্রগুলোও হালনাগাদ করা হচ্ছে, যাতে প্রতিরোধ ব্যর্থ হলেও শত্রু মোকাবিলায় পাল্টা হামলা করা যায়।

কেবল আত্মরক্ষার জন্য পারমাণবিক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে বলে দাবি করছে চীন। গতকাল শুক্রবার দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ দাবি জানায়। অন্য দেশগুলোর ভয়ের কোনো কারণ নেই বলেও আশ্বাস দিয়েছে বেইজিং।
চীনের পারমাণবিক অস্ত্রাগার যুক্তরাষ্ট্রের ধারণার চেয়েও দ্রুতগতিতে উন্নত হচ্ছে এবং ২০৩০ সাল নাগাদ এক হাজারেরও বেশি পারমাণবিক যুদ্ধাস্ত্র সক্রিয় থাকতে পারে বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
সৌদি আরবের সংবাদমাধ্যম আরব নিউজ এক প্রতিবেদনে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের দাবি অস্বীকার করলেও যুদ্ধাস্ত্রের সংখ্যা নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র।
মুখপাত্র মাও নিং বলেন, ‘চীন বেশ দৃঢ়ভাবে এর আত্মরক্ষার পারমাণবিক কৌশল মেনে চলে। আমরা সব সময় আমাদের পারমাণবিক বাহিনী জাতীয় নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় ন্যূনতম স্তরে রেখেছি। আমাদের কোনো দেশের সঙ্গে পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতায় জড়ানোর ইচ্ছা নেই।’
মাও আরও বলেন, ‘চীনের বিরুদ্ধে কোনো পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার বা ব্যবহারের হুমকি না দেওয়া পর্যন্ত কোনো দেশই চীনের পারমাণবিক অস্ত্রের হুমকির সম্মুখীন হবে না।’
এ ছাড়া তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ‘পারমাণবিক খাত উন্নয়নে ব্যাপক বিনিয়োগ’ এবং ‘বর্ধিত প্রতিরোধ’ নামে পরিচিত পারমাণবিক শক্তিহীন দেশগুলোকে পারমাণবিক প্রতিরক্ষা দেওয়ার নীতির নিন্দা করেন।
এ নীতিগুলো পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতা ও পারমাণবিক সংঘর্ষ উসকে দেয় এবং বৈশ্বিক কৌশলগত নিরাপত্তা পরিবেশের আরও অবনতি ঘটাবে বলে সতর্ক করেছেন মাও।
স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের প্রতিবেদন অনুসারে, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে প্রায় ৩ হাজার ৭০০টি পারমাণবিক যুদ্ধাস্ত্র রয়েছে, রাশিয়ার রয়েছে ৪ হাজার ৫০০টি এবং চীনের রয়েছে ৪১০টি।
বেইজিং কার্যকরভাবে ‘প্রথম ব্যবহার নয়’-এর পারমাণবিক নীতি গ্রহণ করেছে। বিবৃতি অনুসারে, চীনের ওপর হামলা করা হলেই শুধু চীন পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করবে।
সাম্প্রতিক কয়েক বছরে প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের অধীনে চীনের ব্যাপক সামরিক আধুনিকায়ন হয়েছে। এতে পারমাণবিক অস্ত্রগুলোও হালনাগাদ করা হচ্ছে, যাতে প্রতিরোধ ব্যর্থ হলেও শত্রু মোকাবিলায় পাল্টা হামলা করা যায়।

ইরানের রাজধানী তেহরানের ফরেনসিক ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরি সেন্টারের একটি ভিডিওতে বিপুলসংখ্যক মরদেহ দেখা যাওয়ার দাবি ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত কয়েক দিনে সামাজিক মাধ্যমে ওই কেন্দ্র থেকে ধারণ করা অন্তত ছয়টি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে।
২৪ মিনিট আগে
জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারিক সংস্থা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) সোমবার (১২ জানুয়ারি) গাম্বিয়া অভিযোগ করেছে, মিয়ানমার পরিকল্পিতভাবে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের ধ্বংসের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে এবং তাদের জীবনকে এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্নে রূপ দিয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলাকালে এক ছাত্রীকে খুব কাছ থেকে মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে একটি মানবাধিকার সংগঠন। নিহত ওই শিক্ষার্থীর নাম রুবিনা আমিনিয়ান। বয়স ২৩ বছর। তিনি তেহরানের শারিয়াতি কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং টেক্সটাইল ও ফ্যাশন ডিজাইন বিষয়ে পড়াশোনা করছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
সার্জিও গোর ট্রাম্পের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। তিনি বলেন, ‘আমি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে সারা বিশ্ব ভ্রমণ করেছি এবং আমি হলফ করে বলতে পারি যে, প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব অত্যন্ত গভীর ও অকৃত্রিম। আমাদের দুই দেশ শুধু অভিন্ন স্বার্থেই নয়, বরং সর্বোচ্চ পর্যায়ের এক দৃঢ় সম্পর্কের...
৪ ঘণ্টা আগে