
তালেবান সমর্থকেরা রেস্তোরাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়ার পাঁচ মাস পর একটি গোপন উদ্যোগ শুরু করেছিলেন লাইলা হায়দারি। গোপনে তিনি একটি কারু ও হস্তশিল্প কেন্দ্র স্থাপন করেছিলেন। তাঁর এই প্রতিষ্ঠানে পোশাক সেলাই আর বুলেটের খোসা গলিয়ে গয়না তৈরি করে আয়-উপার্জন করছেন বেশ কিছু নারী।
২০২১ সালে তালেবানরা দেশের ক্ষমতা দখল করার পর চাকরি এবং উপার্জনের পথ হারিয়ে যেসব নারী গোপনে ব্যবসা চালাচ্ছেন, লাইলার প্রতিষ্ঠানটি তার মধ্যে অন্যতম। এসব গোপন কেন্দ্রে নারীদের ব্যায়ামাগার থেকে শুরু করে বিউটি পারলার এমনকি মেয়েদের স্কুলও পরিচালিত হচ্ছে।
নিজের প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে আরব নিউজকে লাইলা বলেন, ‘আমি এই কেন্দ্রটি চালু করেছিলাম সেই সব নারীর জন্য, যাদের চাকরির খুব প্রয়োজন ছিল।’
তিনি আরও বলেন, এটি স্থায়ী কোনো সমাধান নয়। তবে এখানে কাজ করে কিছু নারী পরিবারের জন্য খাবার কিনতে পারেন।
আজ মঙ্গলবার (১৫ আগস্ট) তালেবানরা আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখলের দুই বছর পূর্তি পালন করছে। এই সময়ের মধ্যে বেশির ভাগ চাকরি থেকেই নারীদের বিতাড়িত করেছে তাদের প্রশাসন। মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণিতে মেয়েদের পড়াশোনাও নিষিদ্ধ করেছে তারা। এ ছাড়া নারীদের স্বাধীন চলাফেরায় নানা ধরনের সীমারেখাও টেনে দেওয়া হয়েছে।
এ অবস্থায় হাজার হাজার নারী বাড়ির ভেতরেই বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসায়িক উদ্যোগ নিতে শুরু করেছেন। এ ধরনের উদ্যোগের বিষয়ে আফগান প্রশাসন কোনো বিধিনিষেধ আরোপ করছে না। তবে লাইলার মতো কিছুটা বড় পরিসরের ব্যবসাগুলো প্রশাসনের নজর এড়িয়ে গোপনেই পরিচালনা করতে হচ্ছে।
লাইলা জানান, রাজধানী কাবুলে তাঁর রেস্তোরাঁ ব্যবসাটি বেশ জমজমাট ছিল। প্রতি সন্ধ্যায়ই এখানে গান-কবিতার আসর বসত। লেখক, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক থেকে শুরু করে বিদেশিরাও এসে ভিড় করত।
রেস্তোরাঁ ব্যবসার আয় দিয়ে কাছাকাছি এলাকায় একটি মাদক পুনর্বাসন কেন্দ্রও পরিচালনা করতেন লাইলা। কিন্তু তালেবানরা দেশের ক্ষমতা নেওয়ার পর কিছুদিনের মধ্যেই পুনর্বাসন কেন্দ্র থেকে সব রোগীকে বের করে দেন কিছু বন্ধুকধারী এবং স্থানীয়রা। তাঁরা রেস্তোরাঁটিও ভেঙে গুঁড়িয়ে দেন এবং মূলবান সব আসবাবপত্র লুট করে নিয়ে যান।
বর্তমানে লাইলার প্রতিষ্ঠান থেকে যে আয় হয়, তার একটি বড় অংশ খরচ করা হচ্ছে মেয়েদের একটি গোপন স্কুল পরিচালনায়। এই স্কুলে প্রায় ২০০ মেয়ে গণিত, বিজ্ঞান এবং ইংরেজি বিষয়ে জ্ঞান নিচ্ছে। তাদের অনেকেই সশরীরে এসে ক্লাস করলেও কেউ কেউ অনলাইনেও যোগ দিচ্ছে।
মার্কিন হস্তক্ষেপের আগে ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত আফগানিস্তানে তালেবান শাসনের কথা স্মরণ করে লাইলা বলেন, ‘আমি চাই না আফগান মেয়েরা জ্ঞানচর্চা থেকে দূরে থাকুক। এমন হলে কয়েক বছরের মধ্যেই আমরা আরেকটি মূর্খ প্রজন্ম পাব।’
লাইলার প্রতিষ্ঠানে নারীরা পুরুষের ব্যবহৃত কাপড়-চোপড় ছাড়াও কার্পেট, মাদুর এবং গৃহসজ্জার নানা পণ্য উৎপাদন করছেন। এই প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে প্রায় ৫০ নারী কাজ করেন, যারা গড়ে প্রতি মাসে প্রায় ৫৮ ডলার আয় করছেন। বাংলাদেশি মুদ্রায় এই আয়ের পরিমাণ প্রায় ৬ হাজার টাকা।
লাইলা বলেন, ‘আবার যদি তালেবানরা আমাকে থামিয়ে দিতে আসে তবে তাদের কাছে আমিসহ এই নারীদের ভরণ-পোষণ দাবি করব। তা না হলে, আমরা কী খাব?’

তালেবান সমর্থকেরা রেস্তোরাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়ার পাঁচ মাস পর একটি গোপন উদ্যোগ শুরু করেছিলেন লাইলা হায়দারি। গোপনে তিনি একটি কারু ও হস্তশিল্প কেন্দ্র স্থাপন করেছিলেন। তাঁর এই প্রতিষ্ঠানে পোশাক সেলাই আর বুলেটের খোসা গলিয়ে গয়না তৈরি করে আয়-উপার্জন করছেন বেশ কিছু নারী।
২০২১ সালে তালেবানরা দেশের ক্ষমতা দখল করার পর চাকরি এবং উপার্জনের পথ হারিয়ে যেসব নারী গোপনে ব্যবসা চালাচ্ছেন, লাইলার প্রতিষ্ঠানটি তার মধ্যে অন্যতম। এসব গোপন কেন্দ্রে নারীদের ব্যায়ামাগার থেকে শুরু করে বিউটি পারলার এমনকি মেয়েদের স্কুলও পরিচালিত হচ্ছে।
নিজের প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে আরব নিউজকে লাইলা বলেন, ‘আমি এই কেন্দ্রটি চালু করেছিলাম সেই সব নারীর জন্য, যাদের চাকরির খুব প্রয়োজন ছিল।’
তিনি আরও বলেন, এটি স্থায়ী কোনো সমাধান নয়। তবে এখানে কাজ করে কিছু নারী পরিবারের জন্য খাবার কিনতে পারেন।
আজ মঙ্গলবার (১৫ আগস্ট) তালেবানরা আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখলের দুই বছর পূর্তি পালন করছে। এই সময়ের মধ্যে বেশির ভাগ চাকরি থেকেই নারীদের বিতাড়িত করেছে তাদের প্রশাসন। মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণিতে মেয়েদের পড়াশোনাও নিষিদ্ধ করেছে তারা। এ ছাড়া নারীদের স্বাধীন চলাফেরায় নানা ধরনের সীমারেখাও টেনে দেওয়া হয়েছে।
এ অবস্থায় হাজার হাজার নারী বাড়ির ভেতরেই বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসায়িক উদ্যোগ নিতে শুরু করেছেন। এ ধরনের উদ্যোগের বিষয়ে আফগান প্রশাসন কোনো বিধিনিষেধ আরোপ করছে না। তবে লাইলার মতো কিছুটা বড় পরিসরের ব্যবসাগুলো প্রশাসনের নজর এড়িয়ে গোপনেই পরিচালনা করতে হচ্ছে।
লাইলা জানান, রাজধানী কাবুলে তাঁর রেস্তোরাঁ ব্যবসাটি বেশ জমজমাট ছিল। প্রতি সন্ধ্যায়ই এখানে গান-কবিতার আসর বসত। লেখক, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক থেকে শুরু করে বিদেশিরাও এসে ভিড় করত।
রেস্তোরাঁ ব্যবসার আয় দিয়ে কাছাকাছি এলাকায় একটি মাদক পুনর্বাসন কেন্দ্রও পরিচালনা করতেন লাইলা। কিন্তু তালেবানরা দেশের ক্ষমতা নেওয়ার পর কিছুদিনের মধ্যেই পুনর্বাসন কেন্দ্র থেকে সব রোগীকে বের করে দেন কিছু বন্ধুকধারী এবং স্থানীয়রা। তাঁরা রেস্তোরাঁটিও ভেঙে গুঁড়িয়ে দেন এবং মূলবান সব আসবাবপত্র লুট করে নিয়ে যান।
বর্তমানে লাইলার প্রতিষ্ঠান থেকে যে আয় হয়, তার একটি বড় অংশ খরচ করা হচ্ছে মেয়েদের একটি গোপন স্কুল পরিচালনায়। এই স্কুলে প্রায় ২০০ মেয়ে গণিত, বিজ্ঞান এবং ইংরেজি বিষয়ে জ্ঞান নিচ্ছে। তাদের অনেকেই সশরীরে এসে ক্লাস করলেও কেউ কেউ অনলাইনেও যোগ দিচ্ছে।
মার্কিন হস্তক্ষেপের আগে ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত আফগানিস্তানে তালেবান শাসনের কথা স্মরণ করে লাইলা বলেন, ‘আমি চাই না আফগান মেয়েরা জ্ঞানচর্চা থেকে দূরে থাকুক। এমন হলে কয়েক বছরের মধ্যেই আমরা আরেকটি মূর্খ প্রজন্ম পাব।’
লাইলার প্রতিষ্ঠানে নারীরা পুরুষের ব্যবহৃত কাপড়-চোপড় ছাড়াও কার্পেট, মাদুর এবং গৃহসজ্জার নানা পণ্য উৎপাদন করছেন। এই প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে প্রায় ৫০ নারী কাজ করেন, যারা গড়ে প্রতি মাসে প্রায় ৫৮ ডলার আয় করছেন। বাংলাদেশি মুদ্রায় এই আয়ের পরিমাণ প্রায় ৬ হাজার টাকা।
লাইলা বলেন, ‘আবার যদি তালেবানরা আমাকে থামিয়ে দিতে আসে তবে তাদের কাছে আমিসহ এই নারীদের ভরণ-পোষণ দাবি করব। তা না হলে, আমরা কী খাব?’

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৬ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৯ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৯ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
১০ ঘণ্টা আগে