
একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করে চলেছে উত্তর কোরিয়া। শুক্রবার (১৪ অক্টোবর) দেশটির পূর্ব উপকূল থেকে সমুদ্রে একটি স্বল্পপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী এমনটা জানিয়েছে।
কোরীয় উপদ্বীপে চলমান উত্তেজনার মধ্যে পারমাণবিক ক্ষমতাধর এই দেশের ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের মধ্যে এটি সর্বশেষ। এ ছাড়া দক্ষিণ কোরিয়ার সীমান্তের কাছে একসঙ্গে প্রায় ১০টি সামরিক উড়োজাহাজ উড়তে দেখা যায় এবং পূর্ব ও পশ্চিম উপকূল থেকে সমুদ্রের বাফার জোনে প্রায় ১৭০ রাউন্ড আর্টিলারি নিক্ষেপ করে উত্তর কোরিয়া। দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফ অব স্টাফের বরাতে এ তথ্য জানায় বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
এদিকে নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধির জন্য উত্তর কোরিয়ার নিন্দা করেছে দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল। পিয়ংইয়ংয়ের সাম্প্রতিক পদক্ষেপকে ২০১৮ সালের দ্বিপক্ষীয় সামরিক চুক্তির লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছে দেশটি। ওই চুক্তি অনুযায়ী সীমান্তে ‘শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ড’ নিষিদ্ধ করা হয়।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে গত প্রায় পাঁচ বছরের মধ্যে পিয়ংইয়ংয়ের বিরুদ্ধে প্রথম একতরফা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সিউল। এতে ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট উত্তর কোরিয়ার ১৫ ব্যক্তি ও ১৬টি প্রতিষ্ঠানকে কালো তালিকাভুক্ত করেছে দেশটি।
এর আগে বুধবার (১২ অক্টোবর) দুটি দূরপাল্লার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের দাবি করে পিয়ংইয়ং। ক্ষেপণাস্ত্রের এসব সফল পরীক্ষা উত্তর কোরিয়াকে আরও শক্তিশালী করবে বলে প্রশংসা করেন দেশটির নেতা কিম জং উন।
উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ জানায়, বুধবার পরীক্ষা চালানো ক্ষেপণাস্ত্রটি কৌশলগত পরমাণু অস্ত্র বহনযোগ্য হওয়ায় কোরিয়ান পিপলস আর্মির সক্ষমতা আরও বাড়াবে বলে মনে করা হচ্ছে। ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ২ হাজার কিলোমিটার আকাশপথ পাড়ি দিয়ে দূরে সাগরে গিয়ে পড়ে।

একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করে চলেছে উত্তর কোরিয়া। শুক্রবার (১৪ অক্টোবর) দেশটির পূর্ব উপকূল থেকে সমুদ্রে একটি স্বল্পপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী এমনটা জানিয়েছে।
কোরীয় উপদ্বীপে চলমান উত্তেজনার মধ্যে পারমাণবিক ক্ষমতাধর এই দেশের ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের মধ্যে এটি সর্বশেষ। এ ছাড়া দক্ষিণ কোরিয়ার সীমান্তের কাছে একসঙ্গে প্রায় ১০টি সামরিক উড়োজাহাজ উড়তে দেখা যায় এবং পূর্ব ও পশ্চিম উপকূল থেকে সমুদ্রের বাফার জোনে প্রায় ১৭০ রাউন্ড আর্টিলারি নিক্ষেপ করে উত্তর কোরিয়া। দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফ অব স্টাফের বরাতে এ তথ্য জানায় বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
এদিকে নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধির জন্য উত্তর কোরিয়ার নিন্দা করেছে দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল। পিয়ংইয়ংয়ের সাম্প্রতিক পদক্ষেপকে ২০১৮ সালের দ্বিপক্ষীয় সামরিক চুক্তির লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছে দেশটি। ওই চুক্তি অনুযায়ী সীমান্তে ‘শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ড’ নিষিদ্ধ করা হয়।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে গত প্রায় পাঁচ বছরের মধ্যে পিয়ংইয়ংয়ের বিরুদ্ধে প্রথম একতরফা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সিউল। এতে ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট উত্তর কোরিয়ার ১৫ ব্যক্তি ও ১৬টি প্রতিষ্ঠানকে কালো তালিকাভুক্ত করেছে দেশটি।
এর আগে বুধবার (১২ অক্টোবর) দুটি দূরপাল্লার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের দাবি করে পিয়ংইয়ং। ক্ষেপণাস্ত্রের এসব সফল পরীক্ষা উত্তর কোরিয়াকে আরও শক্তিশালী করবে বলে প্রশংসা করেন দেশটির নেতা কিম জং উন।
উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ জানায়, বুধবার পরীক্ষা চালানো ক্ষেপণাস্ত্রটি কৌশলগত পরমাণু অস্ত্র বহনযোগ্য হওয়ায় কোরিয়ান পিপলস আর্মির সক্ষমতা আরও বাড়াবে বলে মনে করা হচ্ছে। ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ২ হাজার কিলোমিটার আকাশপথ পাড়ি দিয়ে দূরে সাগরে গিয়ে পড়ে।

হাসান আলী প্রশ্ন করেন—কেন তাঁর বাবাকে দুই দেশের মধ্যে এভাবে ছোড়াছুড়ি করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমার দেশ আমার বাবাকে বাংলাদেশি বলে ঘোষণা করেছে। কিন্তু বাংলাদেশ তাঁকে দুইবার ফেরত পাঠিয়েছে। তাহলে আমাদের দেশ কোনটা? আমাদের দেশ আছে কি?’
১ ঘণ্টা আগে
লোহিত সাগর অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে সব চুক্তি বাতিল করেছে সোমালিয়া সরকার। গতকাল সোমবার মোগাদিসু সরকার এই ঘোষণা দিয়ে পারস্য উপসাগরীয় দেশটিকে তাদের সামরিক ঘাঁটি ও প্রধান বন্দর অবকাঠামো থেকে বহিষ্কার করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইরানে সামরিক হামলার হুমকি দেওয়া অব্যাহত রেখেছে। দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া বিক্ষোভের মুখে ইরানি সরকার যখন ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে, তখন প্রশাসন জানিয়েছে যে সম্ভাব্য বিভিন্ন বিকল্পের মধ্যে ‘বিমান হামলা’ অন্যতম।
২ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা যেকোনো দেশের ওপর বাড়তি ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন। দেশটিতে বিক্ষোভ সহিংসভাবে দমনের কারণে তেহরান সরকারের ওপর চাপ বাড়াতে তিনি এই পদক্ষেপ নিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে