পরাগ মাঝি

প্রতিদিনই মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বিক্ষোভে অংশ নিতে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান কো উইন কিয়াও। সঙ্গে নেন তাঁর প্রিয় গুলতিটি। আর পকেট ভরে নেন কিছু পাথরের টুকরো। গুলতি দিয়ে এগুলোই ছুঁড়ে মারেন সেনাদের দিকে। সেনাবাহিনীর গোলাবারুদের কাছে এসবই নস্যি। তারপরও গুলতি আর পাথরের টুকরোগুলো কিয়াওয়ের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে তোলে।
কিয়াও বলেন, ‘আমি জানি মামুলি একটি গুলতি দিয়ে নিজেকে রক্ষা করতে পারব না। কারণ, আমি যাদের মুখোমুখি, তাদের সবার হাতেই বন্দুক। তারা যখন গুলি করে, আমি তখন দৌড়ে পালাই।’
৩৬ বছর বয়সী উইন কিয়াও তাঁদেরই একজন, যারা নিজ দেশের সেনা শাসনকে অস্বীকার করে ছোট ছোট অস্ত্র দিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন। গত ১ ফেব্রুয়ারি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সেনাবাহিনী মিয়ানমারের ক্ষমতা দখল করে। এর প্রতিবাদে শুরুর দিকে শান্তিপূর্ণই ছিল কর্মসূচিগুলো। কিন্তু মারমুখী জান্তাবাহিনী। তাদের মোকাবিলার জন্য এখন শুধু গুলতি নয়, কেউ কেউ হাতে তুলে নিয়েছেন দেশীয় এয়ারগান, শিকারের পুরোনো বন্দুক, আর পেট্রোল-বোমা।
এই সপ্তাহেই জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল বেকলেট এক বিবৃতিতে বলেন, ‘মিয়ানমারে সেনাবাহিনীর নির্মম কঠোর অবস্থান সাধারণ মানুষকে হাতে অস্ত্র তুলে নিতে বাধ্য করছে।’তাঁর মতে, ২০১১ সালে সিরিয়ার যে অবস্থা হয়েছিল, মিয়ানমারে এখন সেই অবস্থাই চলছে। তাই এই মুখোমুখি অবস্থান যেকোনো মুহূর্তে পুরোদমে সংঘর্ষের রূপ নিতে পারে।
মিয়ানমারের বিক্ষোভকারীদের চিন্তায় সবচেয়ে বড় পরিবর্তনটি আসে গত ২৭ মার্চ। সেদিন দেশটির বিভিন্ন শহরে সেনাবাহিনীর গুলিতে অন্তত দেড় শ মানুষ নিহত হয়। এবারের অভ্যুত্থানবিরোধী আন্দোলনে বিক্ষোভকারীদের কাছে সেই দিনটিই ছিল ভয়ঙ্করতম দিন। অভ্যুত্থানের পর থেকে এখন পর্যন্ত দেশটিতে প্রায় সাড়ে সাত শ মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। আর বন্দী করা হয়েছে ৩ হাজারেরও বেশি মানুষকে।
রাজধানী ইয়াঙ্গুন মিয়ানমারের সবচেয়ে বড় শহর। আন্দোলনে এখানেই সবচেয়ে বেশি হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। রাজধানীর থারকেটা এলাকার বিক্ষোভকারীর কো থাই হা–এর সঙ্গে কথা হয় নিউইয়র্ক টাইমসের এক সাংবাদিকের। কো থাই জানান, ভয়ঙ্কর ২৭ মার্চের পর বন্ধুরা মিলে একটি দল গঠন করেছেন। এই দলে আছেন অন্তত ২০ জন।
২৬ বছর বয়সী কো থাই হা বলেন, ‘অভ্যুত্থানের পর আমাদের আন্দোলন শান্তিপূর্ণই ছিল। কিন্তু তারা যখন শত শত মানুষ মারতে শুরু করল, আমাদের আন্দোলনও আর শান্তিপূর্ণ থাকল না। আমাদের এবার প্রতিশোধ নেওয়া প্রয়োজন।
সশস্ত্র হয়ে উঠতে আন্দোলনকারীদের অনেকেই এখন ইউটিউব ঘেঁটে দেখছেন কীভাবে হাতের কাছের টুকিটাকি জিনিস দিয়ে একটি মোক্ষম অস্ত্র বানানো যায়।
তাঁরা দেখছেন—কীভাবে প্লাস্টিকের পাইপ ব্যবহার করেও একটি এয়ারগান বানিয়ে ফেলা যায়। সাইকেলের চাকায় লাগানো বেয়ারিং বলগুলোকে তাঁরা গুলি হিসেবে ব্যবহারের উপায় শিখছেন। গুলতি দিয়ে ছোড়ার জন্য হাজার হাজার মার্বেল মজুদ করছেন। গান পাউডার ও পটাসিয়াম নাইট্রেট ব্যবহার করে তাঁরা এক ধরনের ধোঁয়া ছড়ানোর বোমা তৈরি করছেন।
এয়ারগান কিংবা গুলতি দিয়ে তো আর সেনাদের আক্রমণ সম্ভব নয়। এগুলো তাই প্রতিরোধের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছেন বিক্ষোভকারীরা। এয়ারগানের গুলি প্রাণঘাতী না হলেও এটা দিয়ে ১০০ ফুট দূরে থাকা কাউকে আঘাত করা সম্ভব। সেনারা যেন নিরাপদ দূরত্বে থাকে এবং সহসাই আক্রমণ করতে না পারে, আপাতত সেই চেষ্টাই করছেন বিক্ষোভকারীরা। পালিয়ে যাওয়ার সময় হলেই চারদিকে ধোঁয়া ছড়িয়ে নিমেষেই তাঁরা হাওয়া।
সেনাবাহিনীর সঙ্গে মুখোমুখি অবস্থায় বিক্ষোভকারীদের মধ্যে যারা সামনের সারিতে থাকেন, তাঁদের কিছু দায়িত্ব রয়েছে। পেছনে থাকা সঙ্গীদের নির্দেশনা দেওয়ার জন্য তাঁরা কিছু সাংকেতিক শব্দ ব্যবহার করেন। এর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় সাংকেতিক ভাষা হলো—মিয়ানমারের ভাষায় তারা বলে বিরিয়ানি বানাও’। এর মানে হলো— গুলতি আর এয়ারগান দিয়ে গুলি ছোড়ার প্রস্তুতি নাও। যখন তাঁরা বলেন— ‘মেহমানদের বিরিয়ানি দাও’, তখন এর অর্থ হয়—সেনাদের দিকে গুলি ছোড়ো।
রাজধানী ইয়াঙ্গুন থেকে দেড় শ কিলোমিটার দূরের শহর কালাই। সেনাবাহিনীকে মোকাবিলা করার জন্য এই শহরেই এয়ারগান ও শিকারের বন্দুক নিয়ে একটি সশস্ত্র দল গঠন করেছে স্থানীয়রা। দলটির নাম দিয়েছেন তাঁরা ‘কালাই সিভিল আর্মি’। চলতি মাসেই সেনাবাহিনীর চলাচলে বাধা সৃষ্টির জন্য শহরের রাস্তার ওপর বালুর বস্তা ফেলে তারা। পরে সেনাবাহিনী ওই শহরের মুখে গিয়ে বালির বস্তাগুলো সরানোর নির্দেশ জারি করে। কিন্তু সরানোর জন্য তো আর বস্তা ফেলা হয়নি।
নির্দেশ না মানার জের ধরে কিছুক্ষণের মধ্যেই ভারী মেশিনগানের গুলি ও গ্রেনেড ছুড়তে ছুড়তে শহরে প্রবেশ করে সেনারা। এতে অন্তত ১১ জন সাধারণ মানুষ মারা যায়। আর গ্রেপ্তার করা হয় কেলাই সিভিল আর্মির ১৮ জনকে। বন্দী করে নিয়ে যাওয়ার আগে নিজেদের অস্ত্রসহ তাঁদের সারিবদ্ধ করে দাঁড় করিয়ে ছবি তোলে সেনারা। এই ছবির মধ্য দিয়ে বিক্ষোভকারীদের প্রতি এই বার্তাই দেওয়া হয় যে, সেনাদের ভারী ভারী অস্ত্রের সামনে এসব মামুলি অস্ত্র কোনো কাজেই লাগবে না।
কিন্তু সেনাদের ভয়ভীতি উপেক্ষা করেই নিজের গুলতিটি হাতে নিয়ে প্রতিদিন রাজপথে নামছেন মিয়ানমারের অসংখ্য যুবক। তাঁদের এই মনোভব ভয় ধরাচ্ছে মিয়ানমারের সেনাদের মধ্যে। কারণ, বিক্ষোভকারীরা যদি কোনোভাবে বিপুল পরিমাণে শক্তিশালী ও প্রাণঘাতী অস্ত্র তৈরি করতে শুরু করে, তবে গৃহযুদ্ধ অবশ্যম্ভাবী। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কাও এমনই।

প্রতিদিনই মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বিক্ষোভে অংশ নিতে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান কো উইন কিয়াও। সঙ্গে নেন তাঁর প্রিয় গুলতিটি। আর পকেট ভরে নেন কিছু পাথরের টুকরো। গুলতি দিয়ে এগুলোই ছুঁড়ে মারেন সেনাদের দিকে। সেনাবাহিনীর গোলাবারুদের কাছে এসবই নস্যি। তারপরও গুলতি আর পাথরের টুকরোগুলো কিয়াওয়ের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে তোলে।
কিয়াও বলেন, ‘আমি জানি মামুলি একটি গুলতি দিয়ে নিজেকে রক্ষা করতে পারব না। কারণ, আমি যাদের মুখোমুখি, তাদের সবার হাতেই বন্দুক। তারা যখন গুলি করে, আমি তখন দৌড়ে পালাই।’
৩৬ বছর বয়সী উইন কিয়াও তাঁদেরই একজন, যারা নিজ দেশের সেনা শাসনকে অস্বীকার করে ছোট ছোট অস্ত্র দিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন। গত ১ ফেব্রুয়ারি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সেনাবাহিনী মিয়ানমারের ক্ষমতা দখল করে। এর প্রতিবাদে শুরুর দিকে শান্তিপূর্ণই ছিল কর্মসূচিগুলো। কিন্তু মারমুখী জান্তাবাহিনী। তাদের মোকাবিলার জন্য এখন শুধু গুলতি নয়, কেউ কেউ হাতে তুলে নিয়েছেন দেশীয় এয়ারগান, শিকারের পুরোনো বন্দুক, আর পেট্রোল-বোমা।
এই সপ্তাহেই জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল বেকলেট এক বিবৃতিতে বলেন, ‘মিয়ানমারে সেনাবাহিনীর নির্মম কঠোর অবস্থান সাধারণ মানুষকে হাতে অস্ত্র তুলে নিতে বাধ্য করছে।’তাঁর মতে, ২০১১ সালে সিরিয়ার যে অবস্থা হয়েছিল, মিয়ানমারে এখন সেই অবস্থাই চলছে। তাই এই মুখোমুখি অবস্থান যেকোনো মুহূর্তে পুরোদমে সংঘর্ষের রূপ নিতে পারে।
মিয়ানমারের বিক্ষোভকারীদের চিন্তায় সবচেয়ে বড় পরিবর্তনটি আসে গত ২৭ মার্চ। সেদিন দেশটির বিভিন্ন শহরে সেনাবাহিনীর গুলিতে অন্তত দেড় শ মানুষ নিহত হয়। এবারের অভ্যুত্থানবিরোধী আন্দোলনে বিক্ষোভকারীদের কাছে সেই দিনটিই ছিল ভয়ঙ্করতম দিন। অভ্যুত্থানের পর থেকে এখন পর্যন্ত দেশটিতে প্রায় সাড়ে সাত শ মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। আর বন্দী করা হয়েছে ৩ হাজারেরও বেশি মানুষকে।
রাজধানী ইয়াঙ্গুন মিয়ানমারের সবচেয়ে বড় শহর। আন্দোলনে এখানেই সবচেয়ে বেশি হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। রাজধানীর থারকেটা এলাকার বিক্ষোভকারীর কো থাই হা–এর সঙ্গে কথা হয় নিউইয়র্ক টাইমসের এক সাংবাদিকের। কো থাই জানান, ভয়ঙ্কর ২৭ মার্চের পর বন্ধুরা মিলে একটি দল গঠন করেছেন। এই দলে আছেন অন্তত ২০ জন।
২৬ বছর বয়সী কো থাই হা বলেন, ‘অভ্যুত্থানের পর আমাদের আন্দোলন শান্তিপূর্ণই ছিল। কিন্তু তারা যখন শত শত মানুষ মারতে শুরু করল, আমাদের আন্দোলনও আর শান্তিপূর্ণ থাকল না। আমাদের এবার প্রতিশোধ নেওয়া প্রয়োজন।
সশস্ত্র হয়ে উঠতে আন্দোলনকারীদের অনেকেই এখন ইউটিউব ঘেঁটে দেখছেন কীভাবে হাতের কাছের টুকিটাকি জিনিস দিয়ে একটি মোক্ষম অস্ত্র বানানো যায়।
তাঁরা দেখছেন—কীভাবে প্লাস্টিকের পাইপ ব্যবহার করেও একটি এয়ারগান বানিয়ে ফেলা যায়। সাইকেলের চাকায় লাগানো বেয়ারিং বলগুলোকে তাঁরা গুলি হিসেবে ব্যবহারের উপায় শিখছেন। গুলতি দিয়ে ছোড়ার জন্য হাজার হাজার মার্বেল মজুদ করছেন। গান পাউডার ও পটাসিয়াম নাইট্রেট ব্যবহার করে তাঁরা এক ধরনের ধোঁয়া ছড়ানোর বোমা তৈরি করছেন।
এয়ারগান কিংবা গুলতি দিয়ে তো আর সেনাদের আক্রমণ সম্ভব নয়। এগুলো তাই প্রতিরোধের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছেন বিক্ষোভকারীরা। এয়ারগানের গুলি প্রাণঘাতী না হলেও এটা দিয়ে ১০০ ফুট দূরে থাকা কাউকে আঘাত করা সম্ভব। সেনারা যেন নিরাপদ দূরত্বে থাকে এবং সহসাই আক্রমণ করতে না পারে, আপাতত সেই চেষ্টাই করছেন বিক্ষোভকারীরা। পালিয়ে যাওয়ার সময় হলেই চারদিকে ধোঁয়া ছড়িয়ে নিমেষেই তাঁরা হাওয়া।
সেনাবাহিনীর সঙ্গে মুখোমুখি অবস্থায় বিক্ষোভকারীদের মধ্যে যারা সামনের সারিতে থাকেন, তাঁদের কিছু দায়িত্ব রয়েছে। পেছনে থাকা সঙ্গীদের নির্দেশনা দেওয়ার জন্য তাঁরা কিছু সাংকেতিক শব্দ ব্যবহার করেন। এর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় সাংকেতিক ভাষা হলো—মিয়ানমারের ভাষায় তারা বলে বিরিয়ানি বানাও’। এর মানে হলো— গুলতি আর এয়ারগান দিয়ে গুলি ছোড়ার প্রস্তুতি নাও। যখন তাঁরা বলেন— ‘মেহমানদের বিরিয়ানি দাও’, তখন এর অর্থ হয়—সেনাদের দিকে গুলি ছোড়ো।
রাজধানী ইয়াঙ্গুন থেকে দেড় শ কিলোমিটার দূরের শহর কালাই। সেনাবাহিনীকে মোকাবিলা করার জন্য এই শহরেই এয়ারগান ও শিকারের বন্দুক নিয়ে একটি সশস্ত্র দল গঠন করেছে স্থানীয়রা। দলটির নাম দিয়েছেন তাঁরা ‘কালাই সিভিল আর্মি’। চলতি মাসেই সেনাবাহিনীর চলাচলে বাধা সৃষ্টির জন্য শহরের রাস্তার ওপর বালুর বস্তা ফেলে তারা। পরে সেনাবাহিনী ওই শহরের মুখে গিয়ে বালির বস্তাগুলো সরানোর নির্দেশ জারি করে। কিন্তু সরানোর জন্য তো আর বস্তা ফেলা হয়নি।
নির্দেশ না মানার জের ধরে কিছুক্ষণের মধ্যেই ভারী মেশিনগানের গুলি ও গ্রেনেড ছুড়তে ছুড়তে শহরে প্রবেশ করে সেনারা। এতে অন্তত ১১ জন সাধারণ মানুষ মারা যায়। আর গ্রেপ্তার করা হয় কেলাই সিভিল আর্মির ১৮ জনকে। বন্দী করে নিয়ে যাওয়ার আগে নিজেদের অস্ত্রসহ তাঁদের সারিবদ্ধ করে দাঁড় করিয়ে ছবি তোলে সেনারা। এই ছবির মধ্য দিয়ে বিক্ষোভকারীদের প্রতি এই বার্তাই দেওয়া হয় যে, সেনাদের ভারী ভারী অস্ত্রের সামনে এসব মামুলি অস্ত্র কোনো কাজেই লাগবে না।
কিন্তু সেনাদের ভয়ভীতি উপেক্ষা করেই নিজের গুলতিটি হাতে নিয়ে প্রতিদিন রাজপথে নামছেন মিয়ানমারের অসংখ্য যুবক। তাঁদের এই মনোভব ভয় ধরাচ্ছে মিয়ানমারের সেনাদের মধ্যে। কারণ, বিক্ষোভকারীরা যদি কোনোভাবে বিপুল পরিমাণে শক্তিশালী ও প্রাণঘাতী অস্ত্র তৈরি করতে শুরু করে, তবে গৃহযুদ্ধ অবশ্যম্ভাবী। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কাও এমনই।

গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপে ট্রাম্পের ২০ দফা পরিকল্পনায় বলা হয়েছিল—অবিলম্বে সব ধরনের সামরিক হামলা বন্ধ করতে হবে; ইসরায়েলি বন্দীদের মুক্তির বিনিময়ে ফিলিস্তিনি বন্দীদের মুক্তি দিতে হবে; গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের সুনির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করতে হবে; পূর্ণমাত্রায় মানবিক সহায়তা...
১ ঘণ্টা আগে
এনডিটিভি জানিয়েছে, সীতামাড়ির ঝাঝিহাট গ্রামে সপ্তম শ্রেণির ছাত্র রিতেশ কুমার (ডাকনাম গোলু) সকালে যখন কোচিং ক্লাসে যাচ্ছিল, সে সময় এক দ্রুতগতির পিকআপ ভ্যান তাকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায় ওই ছাত্র। খবর পেয়ে রিতেশের পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাস্থলে ছুটে যায়।
৩ ঘণ্টা আগে
কানাডা ও চীন বৈদ্যুতিক যান (ইভি) এবং ক্যানোলা (সরিষার মতো তেলবীজ) পণ্যের ওপর শুল্ক কমাতে একটি প্রাথমিক বাণিজ্য চুক্তিতে পৌঁছেছে। আজ শুক্রবার চীন সফররত কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এ কথা জানিয়েছেন। দুই দেশই বাণিজ্য বাধা দূর করা এবং নতুন কৌশলগত সম্পর্ক গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেছে।
৫ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলার নেতা নিকোলাস মাদুরোর কড়া সমালোচক মাচাদো গত বছর ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের’ আন্দোলনের জন্য এই পুরস্কার জিতেছিলেন। এখন তিনি সেই পদক হোয়াইট হাউসে রেখে গেলেন এই আশায়, এই সৌজন্যের বিনিময়ে হয়তো আরও মূল্যবান কিছু মিলবে।
৫ ঘণ্টা আগে