
দক্ষিণ কোরিয়ার উদ্ধারকারীরা বন্যায় প্লাবিত টানেলে আটকে পড়া গাড়ির কাছে পৌঁছাতে কাজ করছেন। ইতিমধ্যে চেওংজু শহরের ওই টানেল থেকে অন্তত ১৩টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
মুষলধারে বৃষ্টির কারণে দেশটির বেশির ভাগ অংশে বন্যা, ভূমিধস এবং বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এই ঘটনায় কমপক্ষে ৩৯ জন নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। নিখোঁজ রয়েছেন ১০ জন। তবে স্থানীয় গণমাধ্যম বলছে, সর্বশেষ বন্যায় ৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।
৬৮৬ মিটার দীর্ঘ টানেলে কতজন লোক এখনো আটকা পড়েছেন তা স্পষ্ট নয়। তবে ধারণা করা হচ্ছে, সেখানে ১৫টি যানবাহন ডুবে গেছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেছেন, খুব দ্রুত একটি আকস্মিক বন্যায় চেওংজু শহরের ওসোং শহরতলিতে থাকা টানেলটি ভেসে গিয়েছিল। যার কারণে চালকও সেখান থেকে বের হতে পারেননি।
গত শনিবার দক্ষিণ কোরিয়াজুড়ে প্রায় ৩০০ মিমি (১১.৮ ইঞ্চি) বৃষ্টিপাত হয়েছে বলে জানা গেছে। কোরিয়ান মেটিওরোলজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন অনুসারে, দেশটিতে সাধারণত বছরে ১০০০ মিমি (৩৯.৪ ইঞ্চি) থেকে ১৮০০ মিমি (৭০.৯ ইঞ্চি) বৃষ্টিপাত হয়।
ভারী বর্ষণের কারণে ভয়াবহ অবস্থা দক্ষিণ কোরিয়ার। অতিবৃষ্টিতে সৃষ্ট ভূমিধস ও বন্যায় বেশির ভাগ প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে পার্বত্য উত্তর গিয়ংসাং অঞ্চলে। সেখানে ভূমিধসে অনেক ঘরবাড়ি ভেসে গেছে। প্রধানমন্ত্রী হান ডাক-সু সেনাবাহিনীকে উদ্ধার অভিযানে সাহায্য করতে বলেছেন।
স্থানীয় সময় শনিবার ভোরে, উত্তর চুংচেং-এর গোয়েসান বাঁধ দিয়ে পানি উপচে পড়া শুরু হওয়ার পর ৬ হাজার ৪০০ বাসিন্দাকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। বাঁধের কাছাকাছি কয়েকটি নিচু গ্রাম এবং তাদের সঙ্গে সংযোগকারী অনেক রাস্তা ডুবে গেছে। এতে কিছু বাসিন্দা তাদের বাড়িতে আটকা পড়েছে।
সূত্র: বিবিসি

দক্ষিণ কোরিয়ার উদ্ধারকারীরা বন্যায় প্লাবিত টানেলে আটকে পড়া গাড়ির কাছে পৌঁছাতে কাজ করছেন। ইতিমধ্যে চেওংজু শহরের ওই টানেল থেকে অন্তত ১৩টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
মুষলধারে বৃষ্টির কারণে দেশটির বেশির ভাগ অংশে বন্যা, ভূমিধস এবং বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এই ঘটনায় কমপক্ষে ৩৯ জন নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। নিখোঁজ রয়েছেন ১০ জন। তবে স্থানীয় গণমাধ্যম বলছে, সর্বশেষ বন্যায় ৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।
৬৮৬ মিটার দীর্ঘ টানেলে কতজন লোক এখনো আটকা পড়েছেন তা স্পষ্ট নয়। তবে ধারণা করা হচ্ছে, সেখানে ১৫টি যানবাহন ডুবে গেছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেছেন, খুব দ্রুত একটি আকস্মিক বন্যায় চেওংজু শহরের ওসোং শহরতলিতে থাকা টানেলটি ভেসে গিয়েছিল। যার কারণে চালকও সেখান থেকে বের হতে পারেননি।
গত শনিবার দক্ষিণ কোরিয়াজুড়ে প্রায় ৩০০ মিমি (১১.৮ ইঞ্চি) বৃষ্টিপাত হয়েছে বলে জানা গেছে। কোরিয়ান মেটিওরোলজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন অনুসারে, দেশটিতে সাধারণত বছরে ১০০০ মিমি (৩৯.৪ ইঞ্চি) থেকে ১৮০০ মিমি (৭০.৯ ইঞ্চি) বৃষ্টিপাত হয়।
ভারী বর্ষণের কারণে ভয়াবহ অবস্থা দক্ষিণ কোরিয়ার। অতিবৃষ্টিতে সৃষ্ট ভূমিধস ও বন্যায় বেশির ভাগ প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে পার্বত্য উত্তর গিয়ংসাং অঞ্চলে। সেখানে ভূমিধসে অনেক ঘরবাড়ি ভেসে গেছে। প্রধানমন্ত্রী হান ডাক-সু সেনাবাহিনীকে উদ্ধার অভিযানে সাহায্য করতে বলেছেন।
স্থানীয় সময় শনিবার ভোরে, উত্তর চুংচেং-এর গোয়েসান বাঁধ দিয়ে পানি উপচে পড়া শুরু হওয়ার পর ৬ হাজার ৪০০ বাসিন্দাকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। বাঁধের কাছাকাছি কয়েকটি নিচু গ্রাম এবং তাদের সঙ্গে সংযোগকারী অনেক রাস্তা ডুবে গেছে। এতে কিছু বাসিন্দা তাদের বাড়িতে আটকা পড়েছে।
সূত্র: বিবিসি

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
২ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৫ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৫ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৬ ঘণ্টা আগে