
সম্প্রতি অভিশংসিত হওয়া দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইয়োলের স্ত্রী কিম কিওন হি আবারও সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। ফাঁস হয়েছে, ২০২৩ সালে তিনি সিউলের ঐতিহাসিক গিয়ংবোকগুং প্রাসাদে রাজাদের ব্যবহৃত সিংহাসনে বসে পড়েছিলেন, যা এখন দেশজুড়ে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
কোরিয়া হেরিটেজ সার্ভিসের (কেএইচএস) বরাতে বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) যুক্তরাজ্যভিত্তিক ইনডিপেনডেন্ট জানিয়েছে, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের অতিথিদের জন্য একটি বেসরকারি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই অনুষ্ঠানেই কিম গিউন হি প্রাসাদের মূল ভবন গিনজংজনে থাকা রাজসিংহাসনে বসেন।
১৩৯২ থেকে ১৯১০ সাল পর্যন্ত জোসন রাজবংশের আমলে এই প্রাসাদ ছিল রাজপরিবারের প্রধান আবাস ও প্রশাসনিক কেন্দ্র। লাল-সোনালি রঙের সিংহাসনটি রাজকীয় ক্ষমতার প্রতীক এবং সাধারণ দর্শনার্থীদের সেখানে প্রবেশের অনুমতি নেই।
কেএইচএস জানিয়েছে, এই সফরটি প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ের অনুরোধে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। আর কিম যে সিংহাসনে বসেছিলেন সেটি ছিল পরবর্তীকালে নির্মিত একটি অনুলিপি, আসল নয়।
তবে ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর বিরোধী ডেমোক্রেটিক পার্টি তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে এক সাক্ষ্যে সাবেক প্রেসিডেন্টের সহকারী চুং ইয়ং সিওক বলেন, ‘তিনি (কিম গিউন হি) দেহরক্ষীদের সহায়তায় মঞ্চের পাশে থাকা সিঁড়ি বেয়ে উঠে সিংহাসনে বসেন।’
জাতীয় জাদুঘরের প্রধান ইউ হং জুন বলেন, ‘এটি ভুল কাজ ছিল—কোরিয়ার সবাই এটিকে ভুল হিসেবেই দেখছে।’
বিষয়টি নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার বর্তমান বিরোধী দলের এক সদস্য ব্যঙ্গ করে বলেছেন, ‘তিনি হয়তো রানি হওয়ার স্বপ্ন দেখছিলেন।’
এটি কিম গিউন হির বিরুদ্ধে প্রথম অভিযোগ নয়। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে জানা যায়, তিনি ও তার অতিথিরা জোসন যুগের ঐতিহ্যবাহী জংমিও মন্দিরের একটি নিষিদ্ধ অংশে চা পান করেছিলেন—যা ঐতিহ্যবিধি লঙ্ঘনের শামিল।
এসব অভিযোগ ওঠার পর দক্ষিণ কোরিয়ায় সাবেক প্রেসিডেন্ট ও তাঁর স্ত্রীর আচরণ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে—রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও ঐতিহ্যের প্রতি তাদের অবহেলা দেশজুড়ে তীব্র আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
উল্লেখ্য, সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইয়োলকে গত আগস্টে আবারও কারাগারে পাঠানো হয়েছে সামরিক আইন জারিসহ বিদ্রোহের অভিযোগে। আর তাঁর স্ত্রী কিম গিউন হির বিরুদ্ধে শেয়ারবাজারে কারচুপি ও দুর্নীতির অভিযোগে বিচার শুরু হয়েছে।

ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং আঞ্চলিক প্রভাবকে কেন্দ্র করে তেহরানের সঙ্গে দীর্ঘদিনের বিরোধের জের ধরে দেশটিতে বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। বছরের পর বছর ধরে চলা এই উত্তেজনা এখন এক ভয়াবহ সংঘাতের রূপ নিয়েছে।
৩ মিনিট আগে
ইরানজুড়ে চলমান সামরিক অভিযানের ভয়াবহতা এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী এক জরুরি বিবৃতিতে দাবি করেছে যে, তারা পশ্চিম ইরানজুড়ে কয়েক শ সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে বিধ্বংসী হামলা চালিয়েছে। বিশেষ করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র এবং কৌশলগত সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে এই ব্যাপক বি
৩৬ মিনিট আগে
ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ রাজধানী তেহরানের বাসিন্দাদের শহর ছেড়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। দেশের চলমান পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে দেওয়া এক বিবৃতিতে সংস্থাটি এ আহ্বান জানায়।
৩৮ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলা শুরুর পরপরই জবাব দিতে শুরু করেছে ইরান। এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি দেশে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে ইরানের সামরিক বাহিনী। এই অবস্থায় মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পড়েছে বড় পরীক্ষার মুখে। একই সঙ্গে এই প্রতিক্রিয়া ইরানের সামরিক...
৩৯ মিনিট আগে