আজকের পত্রিকা ডেস্ক

প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াতে এবং ‘অকাস চুক্তি’র বাস্তবায়নে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ায় নতুন সাবমেরিন জাহাজঘাঁটি গড়ে তুলতে দেশটি এবার প্রায় ৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে দেশটির সরকার।
২০২১ সালে অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে হওয়া এই অকাস (AUKUS) চুক্তির লক্ষ্য হলো ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চীনের প্রভাব মোকাবিলায় আগামী দশক থেকে অস্ট্রেলিয়াকে পারমাণবিক শক্তিচালিত আক্রমণাত্মক সাবমেরিন সরবরাহ করা। বর্তমানে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন এ চুক্তির পর্যালোচনা করছে।
অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রিচার্ড মার্লেস বলেছেন, প্রস্তাবিত জাহাজঘাঁটি অস্ট্রেলিয়ার জাহাজ নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ শিল্পের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ায় টানা নৌ-জাহাজ নির্মাণ কার্যক্রম ও পারমাণবিক সাবমেরিন প্রকল্প বাস্তবায়নে এটি মাইলফলক হবে।
তিনি আরও জানান, ক্ষমতাসীন লেবার সরকার প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় বাড়িয়ে রেকর্ড পর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছে, যাতে অস্ট্রেলিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সামরিক সক্ষমতা তৈরি করা যায়।
এর আগে, গত বছর পার্থের কাছে হেন্ডারসন জাহাজঘাঁটি আধুনিকায়নে প্রাথমিকভাবে ১২৭ মিলিয়ন অস্ট্রেলীয় ডলার (৮৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) বিনিয়োগ করা হয়েছিল। আগামী ২০ বছরে ধাপে ধাপে এই ঘাঁটিকে অকাস সাবমেরিন বহরের প্রধান রক্ষণাবেক্ষণকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছে সরকার।
এখানেই অস্ট্রেলিয়ান সেনাবাহিনীর নতুন ল্যান্ডিং ক্রাফট ও নৌবাহিনীর জন্য নতুন ফ্রিগেট জাহাজ তৈরি করা হবে। প্রকল্পটি সরাসরি প্রায় ১০ হাজার স্থানীয় কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে বলে জানানো হয়েছে।
অকাস চুক্তির আওতায় প্রথম ধাপে যুক্তরাষ্ট্র অস্ট্রেলিয়ার কাছে একাধিক ভার্জিনিয়া-শ্রেণির পারমাণবিক সাবমেরিন বিক্রি করবে। পরবর্তী ধাপে যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়া মিলে নতুন প্রজন্মের অকাস-শ্রেণির সাবমেরিন তৈরি করবে।
গত জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসের চীনবিষয়ক কৌশলগত প্রতিযোগিতা কমিটির রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট নেতৃত্ব যৌথভাবে অকাসের প্রতি দৃঢ় সমর্থন জানিয়েছিল। যদিও একই সময়ে চুক্তির কার্যকারিতা নিয়ে পেন্টাগনের একজন প্রভাবশালী কর্মকর্তা এলব্রিজ কোলবি পর্যালোচনা শুরু করেন।
অস্ট্রেলিয়া এরই মধ্যে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে ৫০ বছরের জন্য নতুন একটি চুক্তি করেছে, যাতে অকাস সহযোগিতা আরও জোরদার করা যায়। দেশটি আশাবাদী যে চুক্তি বাস্তবায়নে কোনো বিঘ্ন ঘটবে না।

প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াতে এবং ‘অকাস চুক্তি’র বাস্তবায়নে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ায় নতুন সাবমেরিন জাহাজঘাঁটি গড়ে তুলতে দেশটি এবার প্রায় ৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে দেশটির সরকার।
২০২১ সালে অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে হওয়া এই অকাস (AUKUS) চুক্তির লক্ষ্য হলো ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চীনের প্রভাব মোকাবিলায় আগামী দশক থেকে অস্ট্রেলিয়াকে পারমাণবিক শক্তিচালিত আক্রমণাত্মক সাবমেরিন সরবরাহ করা। বর্তমানে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন এ চুক্তির পর্যালোচনা করছে।
অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রিচার্ড মার্লেস বলেছেন, প্রস্তাবিত জাহাজঘাঁটি অস্ট্রেলিয়ার জাহাজ নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ শিল্পের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ায় টানা নৌ-জাহাজ নির্মাণ কার্যক্রম ও পারমাণবিক সাবমেরিন প্রকল্প বাস্তবায়নে এটি মাইলফলক হবে।
তিনি আরও জানান, ক্ষমতাসীন লেবার সরকার প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় বাড়িয়ে রেকর্ড পর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছে, যাতে অস্ট্রেলিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সামরিক সক্ষমতা তৈরি করা যায়।
এর আগে, গত বছর পার্থের কাছে হেন্ডারসন জাহাজঘাঁটি আধুনিকায়নে প্রাথমিকভাবে ১২৭ মিলিয়ন অস্ট্রেলীয় ডলার (৮৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) বিনিয়োগ করা হয়েছিল। আগামী ২০ বছরে ধাপে ধাপে এই ঘাঁটিকে অকাস সাবমেরিন বহরের প্রধান রক্ষণাবেক্ষণকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছে সরকার।
এখানেই অস্ট্রেলিয়ান সেনাবাহিনীর নতুন ল্যান্ডিং ক্রাফট ও নৌবাহিনীর জন্য নতুন ফ্রিগেট জাহাজ তৈরি করা হবে। প্রকল্পটি সরাসরি প্রায় ১০ হাজার স্থানীয় কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে বলে জানানো হয়েছে।
অকাস চুক্তির আওতায় প্রথম ধাপে যুক্তরাষ্ট্র অস্ট্রেলিয়ার কাছে একাধিক ভার্জিনিয়া-শ্রেণির পারমাণবিক সাবমেরিন বিক্রি করবে। পরবর্তী ধাপে যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়া মিলে নতুন প্রজন্মের অকাস-শ্রেণির সাবমেরিন তৈরি করবে।
গত জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসের চীনবিষয়ক কৌশলগত প্রতিযোগিতা কমিটির রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট নেতৃত্ব যৌথভাবে অকাসের প্রতি দৃঢ় সমর্থন জানিয়েছিল। যদিও একই সময়ে চুক্তির কার্যকারিতা নিয়ে পেন্টাগনের একজন প্রভাবশালী কর্মকর্তা এলব্রিজ কোলবি পর্যালোচনা শুরু করেন।
অস্ট্রেলিয়া এরই মধ্যে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে ৫০ বছরের জন্য নতুন একটি চুক্তি করেছে, যাতে অকাস সহযোগিতা আরও জোরদার করা যায়। দেশটি আশাবাদী যে চুক্তি বাস্তবায়নে কোনো বিঘ্ন ঘটবে না।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের কয়েক মাস আগেই দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেলোর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। অভিযানের পরও এই যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক ব্যক্তি।
২ ঘণ্টা আগে
আল-জাজিরার তেহরান প্রতিনিধি রেসুল সেরদার জানান, খামেনির বক্তব্যে আগের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত হলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন তথ্য উঠে এসেছে। সেটা হলো, প্রাণহানির সংখ্যা। তিনি বলেন, ‘এই প্রথম খামেনি নিহতের সংখ্যা নিয়ে ইঙ্গিত দিলেন। তিনি বলেছেন, সহিংস বিক্ষোভকারীরা হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
২ ঘণ্টা আগে
এই ভাষণে প্রথমবারের মতো খামেনি বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুর সংখ্যা ‘হাজার হাজার’ বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পৃক্তরা এখানে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে এবং কয়েক হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
৩ ঘণ্টা আগে
ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ সুলাওয়েসি প্রদেশের মারোস জেলায় ১১ জন আরোহী নিয়ে ইন্দোনেশিয়া এয়ার ট্রান্সপোর্টের (আইএটি) একটি ফ্লাইট নিখোঁজ হয়েছে। আজ শনিবার স্থানীয় সময় বেলা ১টা ১৭ মিনিটে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে বিমানটির শেষ যোগাযোগ হয়েছিল।
৪ ঘণ্টা আগে