
যুক্তরাষ্ট্র যদি কোনো দেশের সরকারকে ‘অপছন্দ’ করে, তবে শুরুতেই তাদের সঙ্গে ‘সংলাপে বসা’ উচিত বলে মন্তব্য করেছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ। ওয়াশিংটনের একপক্ষীয় নীতির সমালোচনা করে তিনি এই পরামর্শ দেন।
সের্গেই লাভরভ বলেন, ‘বিশ্বের কোনো দেশই কখনো যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংলাপে বসতে অস্বীকার করেনি; বরং যুক্তরাষ্ট্রই প্রথম বিভিন্ন চুক্তিতে আবদ্ধ হয় এবং পরে নিজেরা সেই চুক্তি থেকে সরে দাঁড়ায়।’
লাভরভের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এল; যখন ইরান, লেবানন ও মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য সংকটে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান নিয়ে বিশ্বজুড়ে বিতর্ক চলছে। রাশিয়ার পক্ষ থেকে বারবার অভিযোগ করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক আলোচনার চেয়ে নিষেধাজ্ঞা ও একতরফা সিদ্ধান্তকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।
লাভরভের এই বক্তব্য মূলত তেহরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান অস্থির কূটনৈতিক সম্পর্কের প্রতি ইঙ্গিত করে দেওয়া হয়েছে। যেখানে দুই পক্ষ আলোচনার টেবিলে থাকলেও বিভিন্ন সময়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিভিন্ন ঘোষণা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট ও নিষেধাজ্ঞার কারণে পরিস্থিতি প্রতিনিয়ত জটিল হচ্ছে।
সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইরানের নৌবন্দরগুলোতে অবরোধের ঘোষণা দেন। তাঁর নির্দেশনা অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালি হয়ে কোনো জাহাজ ইরানি বন্দরে যেতে পারবে না এবং বাইরেও বেরোতে পারবে না। একই সময়ে তিনি বলছেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে এবং দু-তিন দিনের মধ্যে ভালো কোনো খবর পাওয়া যাবে। তাঁর এই দ্বিমুখী আচরণের কারণে বর্তমান আলোচনার পরিস্থিতি অনেকটা নড়বড়ে অবস্থার মধ্যে রয়েছে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে জানান, এই চুক্তিটি নিশ্চিত করার আগে তিনি লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ‘চমৎকার’ আলোচনা করেছেন। তিনি আরও জানান, দুই দেশের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এই ১০ দিনের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছেন দুই
৪ ঘণ্টা আগে
উদ্বেগের বিষয় হলো, যেহেতু দুই দেশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধাবস্থায় রয়েছে, তাই ইরান তাদের মাইনের বিস্তারিত মানচিত্র যুক্তরাষ্ট্রের হাতে দেবে কি না, তা নিয়ে গভীর সংশয় রয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি থেকে মাইন অপসারণের জন্য একটি জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানে নেমেছে যুক্তরাষ্ট্র। এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের উল্লেখযোগ্য অংশের তেল পরিবহন করা হয়। ফলে এখানে বিঘ্ন ঘটলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
৫ ঘণ্টা আগে
গত সপ্তাহে প্রথম দফার আলোচনা শেষ হলেও মধ্যস্থতাকারী ও সহায়তাকারী হিসেবে পাকিস্তানের ভূমিকা শেষ হয়ে যায়নি। বরং এই প্রক্রিয়া এখনো চলমান রয়েছে। তিনি জানান, শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির বর্তমানে একটি প্রতিনিধিদল নিয়ে ইরান সফর করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে