আজকের পত্রিকা ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় হোয়াইট হাউসের পারসোনেল ডিরেক্টর বা মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক সার্জিও গোরকে ভারতের পরবর্তী মার্কিন রাষ্ট্রদূত এবং দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত হিসেবে মনোনীত করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় আজ শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে শেয়ার করা এক পোস্টে সার্জিও গোর এই মনোনয়নের বিষয়টি তুলে ধরেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, সার্জিও গোর এই মনোনয়নকে তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মান হিসেবে উল্লেখ করেন এবং ট্রাম্পের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। এক্সে গোর লিখেন, ‘আমাকে ভারতের মার্কিন রাষ্ট্রদূত এবং দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার বিশেষ দূত হিসেবে মনোনীত করার জন্য ডোনাল্ড ট্রাম্পের আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতি আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ।’
গোর আরও উল্লেখ করেন, ‘আমেরিকান জনগণের সেবা করার চেয়ে আর কোনো কিছুই আমাকে আর কখনোই গর্বিত করেনি। এই প্রশাসনের মহান কাজকর্মের মাধ্যমেই আমরা ঐতিহাসিক ফল অর্জন করছি। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করাই হবে আমার জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মান।’
উজবেকিস্তানে জন্ম নেওয়া সার্জিও গোর ছোটবেলায় চলে যান ইউরোপের দেশ মাল্টায়। পরে সেখান থেকে পড়াশোনার জন্য পাড়ি দেন যুক্তরাষ্ট্রে। পড়াশোনা শেষে রিপাবলিকান পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয় হন। তিনি প্রথমে সিনেটর র্যান্ড পলের সঙ্গে কাজ শুরু করেন। এরপর ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য তহবিল সংগ্রহকারী ও বই প্রকাশক হিসেবে কাজ করেন। গোরের ব্যক্তিগত জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে ভিন্নধর্মী এক অভিজ্ঞতাও। তিনি শখের বসে বিয়েতে ডিজে হিসেবেও কাজ করেছেন।
ট্রাম্প নিজেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট দিয়ে গোরের মনোনয়ন ঘোষণা করেছেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘আমার প্রিয় বন্ধু সার্জিও গোর বহু বছর ধরে আমার পাশে থেকেছে। প্রেসিডেনশিয়াল পারসোনেল ডিরেক্টর হিসেবে সার্জিও ও তাঁর টিম রেকর্ড সময়ে আমাদের ফেডারেল সরকারের প্রতিটি বিভাগে প্রায় চার হাজার দেশপ্রেমিককে নিয়োগ দিয়েছে। আমাদের দপ্তর ও সংস্থাগুলো এখন ৯৫ শতাংশেরও বেশি পূর্ণ। সিনেটের অনুমোদন না পাওয়া পর্যন্ত সার্জিও হোয়াইট হাউসে তাঁর বর্তমান দায়িত্বেই থাকবেন।’
ট্রাম্প আরও উল্লেখ করেন, গোর তাঁর ঐতিহাসিক নির্বাচনী প্রচারণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন এবং তাঁর বেস্টসেলার বই প্রকাশ করেছেন। ট্রাম্প বলেন, ‘প্রেসিডেনশিয়াল পারসোনেল ডিরেক্টর হিসেবে সার্জিওর ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমেরিকান জনগণের কাছ থেকে আমরা যে নজিরবিহীন ম্যান্ডেট পেয়েছিলাম, তা বাস্তবায়নে তিনি প্রধান ভূমিকা রেখেছেন।’
ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে গোরের মনোনয়ন প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, ‘বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল অঞ্চলে আমার এমন একজন মানুষ দরকার, যাঁকে আমি পুরোপুরি বিশ্বাস করতে পারি। সার্জিও একজন অসাধারণ রাষ্ট্রদূত হবেন।’
এই মনোনয়ন এমন সময়ে এল, যখন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ভারত থেকে আমদানির ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন। এর মধ্যে ২৫ শতাংশ বাড়তি শুল্ক আরোপ করা হয়েছে রাশিয়া থেকে তেল কেনার কারণে ভারতের ওপর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় হোয়াইট হাউসের পারসোনেল ডিরেক্টর বা মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক সার্জিও গোরকে ভারতের পরবর্তী মার্কিন রাষ্ট্রদূত এবং দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত হিসেবে মনোনীত করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় আজ শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে শেয়ার করা এক পোস্টে সার্জিও গোর এই মনোনয়নের বিষয়টি তুলে ধরেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, সার্জিও গোর এই মনোনয়নকে তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মান হিসেবে উল্লেখ করেন এবং ট্রাম্পের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। এক্সে গোর লিখেন, ‘আমাকে ভারতের মার্কিন রাষ্ট্রদূত এবং দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার বিশেষ দূত হিসেবে মনোনীত করার জন্য ডোনাল্ড ট্রাম্পের আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতি আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ।’
গোর আরও উল্লেখ করেন, ‘আমেরিকান জনগণের সেবা করার চেয়ে আর কোনো কিছুই আমাকে আর কখনোই গর্বিত করেনি। এই প্রশাসনের মহান কাজকর্মের মাধ্যমেই আমরা ঐতিহাসিক ফল অর্জন করছি। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করাই হবে আমার জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মান।’
উজবেকিস্তানে জন্ম নেওয়া সার্জিও গোর ছোটবেলায় চলে যান ইউরোপের দেশ মাল্টায়। পরে সেখান থেকে পড়াশোনার জন্য পাড়ি দেন যুক্তরাষ্ট্রে। পড়াশোনা শেষে রিপাবলিকান পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয় হন। তিনি প্রথমে সিনেটর র্যান্ড পলের সঙ্গে কাজ শুরু করেন। এরপর ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য তহবিল সংগ্রহকারী ও বই প্রকাশক হিসেবে কাজ করেন। গোরের ব্যক্তিগত জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে ভিন্নধর্মী এক অভিজ্ঞতাও। তিনি শখের বসে বিয়েতে ডিজে হিসেবেও কাজ করেছেন।
ট্রাম্প নিজেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট দিয়ে গোরের মনোনয়ন ঘোষণা করেছেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘আমার প্রিয় বন্ধু সার্জিও গোর বহু বছর ধরে আমার পাশে থেকেছে। প্রেসিডেনশিয়াল পারসোনেল ডিরেক্টর হিসেবে সার্জিও ও তাঁর টিম রেকর্ড সময়ে আমাদের ফেডারেল সরকারের প্রতিটি বিভাগে প্রায় চার হাজার দেশপ্রেমিককে নিয়োগ দিয়েছে। আমাদের দপ্তর ও সংস্থাগুলো এখন ৯৫ শতাংশেরও বেশি পূর্ণ। সিনেটের অনুমোদন না পাওয়া পর্যন্ত সার্জিও হোয়াইট হাউসে তাঁর বর্তমান দায়িত্বেই থাকবেন।’
ট্রাম্প আরও উল্লেখ করেন, গোর তাঁর ঐতিহাসিক নির্বাচনী প্রচারণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন এবং তাঁর বেস্টসেলার বই প্রকাশ করেছেন। ট্রাম্প বলেন, ‘প্রেসিডেনশিয়াল পারসোনেল ডিরেক্টর হিসেবে সার্জিওর ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমেরিকান জনগণের কাছ থেকে আমরা যে নজিরবিহীন ম্যান্ডেট পেয়েছিলাম, তা বাস্তবায়নে তিনি প্রধান ভূমিকা রেখেছেন।’
ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে গোরের মনোনয়ন প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, ‘বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল অঞ্চলে আমার এমন একজন মানুষ দরকার, যাঁকে আমি পুরোপুরি বিশ্বাস করতে পারি। সার্জিও একজন অসাধারণ রাষ্ট্রদূত হবেন।’
এই মনোনয়ন এমন সময়ে এল, যখন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ভারত থেকে আমদানির ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন। এর মধ্যে ২৫ শতাংশ বাড়তি শুল্ক আরোপ করা হয়েছে রাশিয়া থেকে তেল কেনার কারণে ভারতের ওপর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে।

ভারতের কেন্দ্র সরকার পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও ত্রিপুরায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার কয়েকটি পরিত্যক্ত এয়ারস্ট্রিপ পুনরুজ্জীবিত করার পরিকল্পনা নিয়েছে। সূত্র জানিয়েছে, বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলোতে আঞ্চলিক যোগাযোগ বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
১৯ মিনিট আগে
হাসান আলী প্রশ্ন করেন—কেন তাঁর বাবাকে দুই দেশের মধ্যে এভাবে ছোড়াছুড়ি করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমার দেশ আমার বাবাকে বাংলাদেশি বলে ঘোষণা করেছে। কিন্তু বাংলাদেশ তাঁকে দুইবার ফেরত পাঠিয়েছে। তাহলে আমাদের দেশ কোনটা? আমাদের দেশ আছে কি?’
২ ঘণ্টা আগে
লোহিত সাগর অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে সব চুক্তি বাতিল করেছে সোমালিয়া সরকার। গতকাল সোমবার মোগাদিসু সরকার এই ঘোষণা দিয়ে পারস্য উপসাগরীয় দেশটিকে তাদের সামরিক ঘাঁটি ও প্রধান বন্দর অবকাঠামো থেকে বহিষ্কার করেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইরানে সামরিক হামলার হুমকি দেওয়া অব্যাহত রেখেছে। দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া বিক্ষোভের মুখে ইরানি সরকার যখন ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে, তখন প্রশাসন জানিয়েছে যে সম্ভাব্য বিভিন্ন বিকল্পের মধ্যে ‘বিমান হামলা’ অন্যতম।
৩ ঘণ্টা আগে