আজকের পত্রিকা ডেস্ক

১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের সময় ব্রিটিশ পণ্য বর্জন করে স্বদেশি পণ্য ব্যবহারের ডাক দিয়েছিল ভারতীয়রা। এই ঘটনার প্রায় ১২০ বছর পর, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যেন আবার এক স্বদেশি আন্দোলনের ডাক দিলেন! তবে এবার বিদেশি পণ্য বর্জন নয়, স্বদেশি পণ্যের ব্যবহার বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতীয় রপ্তানির ওপর ২৫ শতাংশ আরোপ করেছেন। এ ছাড়া, রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানির জন্য অতিরিক্ত জরিমানা আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন। ট্রাম্পের এই ঘোষণার, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিশ্ব অর্থনীতির অনিশ্চিত পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে ‘স্বদেশি’ (ভারতে তৈরি) পণ্যের ওপর জোর দিয়েছেন।
আজ শনিবার তাঁর নির্বাচনী এলাকা বারাণসীতে এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেছেন, ভারতকে তার অর্থনৈতিক অগ্রাধিকারের দিকে মনোযোগ দিতে হবে। আমাদের প্রত্যেক নাগরিকের ‘স্বদেশি’ পণ্য কেনার সংকল্প করা উচিত।
মোদি বলেন, ‘আজ বিশ্ব অর্থনীতি অনেক উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। অনিশ্চয়তার একটি পরিবেশ রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রতিটি দেশ তার নিজস্ব স্বার্থের দিকে মনোনিবেশ করছে। ভারতও বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হতে চলেছে, এবং তাই, তার অর্থনৈতিক স্বার্থের প্রতি সতর্ক থাকতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের কৃষক, আমাদের শিল্প, আমাদের তরুণদের কর্মসংস্থান, তাদের স্বার্থ— এই সবই আমাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সরকার এই দিকে সর্বাত্মক চেষ্টা করছে।’
তিনি নাগরিকদের দায়িত্বের কথা উল্লেখ করে বলেন, এটি শুধু আমি মোদি নয়, প্রত্যেকেরই বলা উচিত। যে ব্যক্তি, যে রাজনৈতিক দল, যে নেতা, ভারতকে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হিসেবে দেখতে চায়, তাদের দেশের স্বার্থে কথা বলা উচিত এবং মানুষের মধ্যে ‘স্বদেশি’ পণ্য কেনার সংকল্প জাগানো উচিত।
প্রধানমন্ত্রী ব্যাখ্যা করেন, যখন আমরা কিছু কেনার সিদ্ধান্ত নিই, তখন শুধুমাত্র একটি মানদণ্ড থাকা উচিত— আমরা সেই জিনিস গুলিই কিনব যা একজন ভারতীয় নাগরিক তাঁর ঘাম ঝরিয়ে তৈরি করেছেন। ভারতের মানুষ তাদের দক্ষতা দিয়ে, ঘাম ঝরিয়ে যা তৈরি করেছে, সেটাই আমাদের জন্য ‘স্বদেশি’। আমাদের ‘ভোকাল ফর লোকাল’ মন্ত্র গ্রহণ করতে হবে।
তিনি ‘মেইক ইন ইন্ডিয়া’ (ভারতে তৈরি পণ্য) পণ্যকে উৎসাহিত করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, মানুষ যেন নতুন কিছু কেনার সময় ‘স্বদেশি’ পণ্য কেনার সংকল্প করে। মোদি বিশেষ করে ব্যবসায়ী ও দোকানদারদের প্রতি আহ্বান জানান, এই অনিশ্চিত সময়ে তারা যেন শুধু স্থানীয় পণ্য বিক্রি করার শপথ নেন। তিনি বলেন, এই সংকল্প দেশের প্রতি সত্যিকারের সেবা হবে... প্রতিটি কাজে ‘স্বদেশি’র অনুভূতি আমাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে। এটি মহাত্মা গান্ধীর প্রতিও সত্যিকারের শ্রদ্ধা হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই আমরা একটি উন্নত ভারতের স্বপ্ন পূরণ করতে পারি।
প্রসঙ্গত, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গত বুধবার ভারতের রপ্তানি পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে ভারতকে ‘মৃত অর্থনীতি’র দেশ বলে কটাক্ষ করেন। এর প্রতিক্রিয়ায়, বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল বৃহস্পতিবার সংসদে বলেছেন, সরকার এই পদক্ষেপের প্রভাব খতিয়ে দেখছে এবং ভারতের জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় সব প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। তিনি আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও আলোচনা চলছে।

১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের সময় ব্রিটিশ পণ্য বর্জন করে স্বদেশি পণ্য ব্যবহারের ডাক দিয়েছিল ভারতীয়রা। এই ঘটনার প্রায় ১২০ বছর পর, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যেন আবার এক স্বদেশি আন্দোলনের ডাক দিলেন! তবে এবার বিদেশি পণ্য বর্জন নয়, স্বদেশি পণ্যের ব্যবহার বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতীয় রপ্তানির ওপর ২৫ শতাংশ আরোপ করেছেন। এ ছাড়া, রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানির জন্য অতিরিক্ত জরিমানা আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন। ট্রাম্পের এই ঘোষণার, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিশ্ব অর্থনীতির অনিশ্চিত পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে ‘স্বদেশি’ (ভারতে তৈরি) পণ্যের ওপর জোর দিয়েছেন।
আজ শনিবার তাঁর নির্বাচনী এলাকা বারাণসীতে এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেছেন, ভারতকে তার অর্থনৈতিক অগ্রাধিকারের দিকে মনোযোগ দিতে হবে। আমাদের প্রত্যেক নাগরিকের ‘স্বদেশি’ পণ্য কেনার সংকল্প করা উচিত।
মোদি বলেন, ‘আজ বিশ্ব অর্থনীতি অনেক উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। অনিশ্চয়তার একটি পরিবেশ রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রতিটি দেশ তার নিজস্ব স্বার্থের দিকে মনোনিবেশ করছে। ভারতও বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হতে চলেছে, এবং তাই, তার অর্থনৈতিক স্বার্থের প্রতি সতর্ক থাকতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের কৃষক, আমাদের শিল্প, আমাদের তরুণদের কর্মসংস্থান, তাদের স্বার্থ— এই সবই আমাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সরকার এই দিকে সর্বাত্মক চেষ্টা করছে।’
তিনি নাগরিকদের দায়িত্বের কথা উল্লেখ করে বলেন, এটি শুধু আমি মোদি নয়, প্রত্যেকেরই বলা উচিত। যে ব্যক্তি, যে রাজনৈতিক দল, যে নেতা, ভারতকে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হিসেবে দেখতে চায়, তাদের দেশের স্বার্থে কথা বলা উচিত এবং মানুষের মধ্যে ‘স্বদেশি’ পণ্য কেনার সংকল্প জাগানো উচিত।
প্রধানমন্ত্রী ব্যাখ্যা করেন, যখন আমরা কিছু কেনার সিদ্ধান্ত নিই, তখন শুধুমাত্র একটি মানদণ্ড থাকা উচিত— আমরা সেই জিনিস গুলিই কিনব যা একজন ভারতীয় নাগরিক তাঁর ঘাম ঝরিয়ে তৈরি করেছেন। ভারতের মানুষ তাদের দক্ষতা দিয়ে, ঘাম ঝরিয়ে যা তৈরি করেছে, সেটাই আমাদের জন্য ‘স্বদেশি’। আমাদের ‘ভোকাল ফর লোকাল’ মন্ত্র গ্রহণ করতে হবে।
তিনি ‘মেইক ইন ইন্ডিয়া’ (ভারতে তৈরি পণ্য) পণ্যকে উৎসাহিত করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, মানুষ যেন নতুন কিছু কেনার সময় ‘স্বদেশি’ পণ্য কেনার সংকল্প করে। মোদি বিশেষ করে ব্যবসায়ী ও দোকানদারদের প্রতি আহ্বান জানান, এই অনিশ্চিত সময়ে তারা যেন শুধু স্থানীয় পণ্য বিক্রি করার শপথ নেন। তিনি বলেন, এই সংকল্প দেশের প্রতি সত্যিকারের সেবা হবে... প্রতিটি কাজে ‘স্বদেশি’র অনুভূতি আমাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে। এটি মহাত্মা গান্ধীর প্রতিও সত্যিকারের শ্রদ্ধা হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই আমরা একটি উন্নত ভারতের স্বপ্ন পূরণ করতে পারি।
প্রসঙ্গত, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গত বুধবার ভারতের রপ্তানি পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে ভারতকে ‘মৃত অর্থনীতি’র দেশ বলে কটাক্ষ করেন। এর প্রতিক্রিয়ায়, বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল বৃহস্পতিবার সংসদে বলেছেন, সরকার এই পদক্ষেপের প্রভাব খতিয়ে দেখছে এবং ভারতের জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় সব প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। তিনি আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও আলোচনা চলছে।

উগান্ডার প্রেসিডেন্ট ইয়োয়েরি মুসেভেনির সমর্থকদের কাছে সদ্যসমাপ্ত নির্বাচনে তাঁর বিপুল বিজয় ৪০ বছরের শাসনেরই এক ধরনের স্বীকৃতি। নির্বাচনে তিনি পেয়েছেন ৭২ শতাংশ ভোট। এটি তাঁর সর্বোচ্চ প্রাপ্ত ভোটের কাছাকাছি। ১৯৯৬ সালে উগান্ডার প্রথম সরাসরি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি পেয়েছিলেন ৭৪ শতাংশ ভোট।
২ ঘণ্টা আগে
ইন্দোনেশিয়ার উদ্ধারকারীরা নিখোঁজ বিমানের ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, মেঘাচ্ছন্ন আবহাওয়ায় সুলাওয়েসি দ্বীপের পাহাড়ি অঞ্চলে পৌঁছানোর সময় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। ওই বিমানে ১১ জন আরোহী ছিলেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা শাসনের জন্য প্রস্তাবিত বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদে যোগ দিতে ইচ্ছুক দেশগুলোর কাছে ১ বিলিয়ন ডলার অর্থ জোগানোর শর্ত দিচ্ছেন। এই অর্থের নিয়ন্ত্রণ থাকবে ট্রাম্পের হাতেই। এমনটি জানা গেছে মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে।
৫ ঘণ্টা আগে
গাজায় ইসরায়েলের চালানো গণহত্যামূলক যুদ্ধ বন্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ হিসেবে ট্রাম্প প্রথম এই বোর্ডের কথা প্রকাশ করেন। সে সময় তিনি বলেছিলেন, এই সংস্থাটি গাজায় ‘শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলা, আঞ্চলিক সম্পর্ক উন্নয়ন, পুনর্গঠন, বিনিয়োগ আকর্ষণ, বৃহৎ তহবিল সংগ্রহ এবং মূলধন ব্যবস্থাপনা’ তদারকি করবে।
৫ ঘণ্টা আগে