আজকের পত্রিকা ডেস্ক

প্রচণ্ড গরমে দীর্ঘ ছয় ঘণ্টা অপেক্ষা, তামিল অভিনেতা-রাজনীতিক থালাপতি বিজয়ের আগমন দেরি এবং বিপুল ভিড়— সবকিছু মিলিয়ে তামিলনাড়ুর কারুর জেলায় ঘটে গেল এক মর্মান্তিক পদদলনের ঘটনা! নারী, শিশুসহ অন্তত ৩৪ জনের প্রাণহানি এবং বহু হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।
আজ শনিবার বিকেলে কারুর জেলায় বিজয়ের সমাবেশস্থলে উপস্থিত ছিল অন্তত ৩০ হাজার সমর্থক। দুপুর নাগাদ বিজয়ের সেখানে পৌঁছানোর কথা থাকলেও তিনি প্রায় ছয় ঘণ্টা দেরিতে আসেন। ততক্ষণে সমাবেশস্থল গরমে অতিষ্ঠ ও জনসমাগমে গাদাগাদি হয়ে পড়ে। অনেকে অজ্ঞান হয়ে পড়তে শুরু করে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, বিজয় মঞ্চে বক্তব্য শুরু করতেই হুড়োহুড়ি বাড়তে থাকে। পরিস্থিতি বুঝে তিনি বক্তব্য থামিয়ে দেন এবং তাঁর বিশেষভাবে তৈরি প্রচার বাস থেকে ভিড়ের দিকে পানি ছুড়ে দেন। কিন্তু ততক্ষণে একাংশ সমর্থক ভিড় ঠেলে বাসের কাছাকাছি আসতে গিয়ে পড়ে যান, সেখান থেকে শুরু হয় প্রাণঘাতী পদদলন।
তামিলনাড়ুর স্বাস্থ্যমন্ত্রী মা সুব্রামানিয়ান ঘটনাস্থলে গিয়ে জানান, এ ঘটনায় অন্তত ৩৪ জন নিহত হয়েছে, যাদের মধ্যে নারী ও শিশু রয়েছে। আরও ৪০ জনের বেশি মানুষ আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি আছে। ভিড় এতই ঘন ছিল যে অ্যাম্বুলেন্সগুলোকে ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে চরম বেগ পেতে হয়।
বিজয়ের রাজনৈতিক দল তামিলাগা ভেট্ট্রি কাজগমের (টিভিকে) এই সমাবেশে প্রাণহানি রাজ্যজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে। ক্ষমতাসীন ডিএমকে বিজয়ের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ তুলে তাঁকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং জেলা প্রশাসনকে পরিস্থিতি সামাল দিতে বলেছেন।
কারুরের এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় তামিল রাজনীতির পুরোনো প্রশ্ন নতুন করেছে উঠেছে— জনপ্রিয় তারকা রাজনীতিকদের বিশাল সমাবেশে কীভাবে জননিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। নিহতদের পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া, আর রাজ্যজুড়ে চলছে শোক আর ক্ষোভের মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
আরও খবর পড়ুন:

প্রচণ্ড গরমে দীর্ঘ ছয় ঘণ্টা অপেক্ষা, তামিল অভিনেতা-রাজনীতিক থালাপতি বিজয়ের আগমন দেরি এবং বিপুল ভিড়— সবকিছু মিলিয়ে তামিলনাড়ুর কারুর জেলায় ঘটে গেল এক মর্মান্তিক পদদলনের ঘটনা! নারী, শিশুসহ অন্তত ৩৪ জনের প্রাণহানি এবং বহু হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।
আজ শনিবার বিকেলে কারুর জেলায় বিজয়ের সমাবেশস্থলে উপস্থিত ছিল অন্তত ৩০ হাজার সমর্থক। দুপুর নাগাদ বিজয়ের সেখানে পৌঁছানোর কথা থাকলেও তিনি প্রায় ছয় ঘণ্টা দেরিতে আসেন। ততক্ষণে সমাবেশস্থল গরমে অতিষ্ঠ ও জনসমাগমে গাদাগাদি হয়ে পড়ে। অনেকে অজ্ঞান হয়ে পড়তে শুরু করে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, বিজয় মঞ্চে বক্তব্য শুরু করতেই হুড়োহুড়ি বাড়তে থাকে। পরিস্থিতি বুঝে তিনি বক্তব্য থামিয়ে দেন এবং তাঁর বিশেষভাবে তৈরি প্রচার বাস থেকে ভিড়ের দিকে পানি ছুড়ে দেন। কিন্তু ততক্ষণে একাংশ সমর্থক ভিড় ঠেলে বাসের কাছাকাছি আসতে গিয়ে পড়ে যান, সেখান থেকে শুরু হয় প্রাণঘাতী পদদলন।
তামিলনাড়ুর স্বাস্থ্যমন্ত্রী মা সুব্রামানিয়ান ঘটনাস্থলে গিয়ে জানান, এ ঘটনায় অন্তত ৩৪ জন নিহত হয়েছে, যাদের মধ্যে নারী ও শিশু রয়েছে। আরও ৪০ জনের বেশি মানুষ আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি আছে। ভিড় এতই ঘন ছিল যে অ্যাম্বুলেন্সগুলোকে ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে চরম বেগ পেতে হয়।
বিজয়ের রাজনৈতিক দল তামিলাগা ভেট্ট্রি কাজগমের (টিভিকে) এই সমাবেশে প্রাণহানি রাজ্যজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে। ক্ষমতাসীন ডিএমকে বিজয়ের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ তুলে তাঁকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং জেলা প্রশাসনকে পরিস্থিতি সামাল দিতে বলেছেন।
কারুরের এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় তামিল রাজনীতির পুরোনো প্রশ্ন নতুন করেছে উঠেছে— জনপ্রিয় তারকা রাজনীতিকদের বিশাল সমাবেশে কীভাবে জননিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। নিহতদের পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া, আর রাজ্যজুড়ে চলছে শোক আর ক্ষোভের মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
আরও খবর পড়ুন:

এনডিটিভি জানিয়েছে, সীতামাড়ির ঝাঝিহাট গ্রামে সপ্তম শ্রেণির ছাত্র রিতেশ কুমার (ডাকনাম গোলু) সকালে যখন কোচিং ক্লাসে যাচ্ছিল, সে সময় এক দ্রুতগতির পিকআপ ভ্যান তাকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায় ওই ছাত্র। খবর পেয়ে রিতেশের পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাস্থলে ছুটে যায়।
৪০ মিনিট আগে
কানাডা ও চীন বৈদ্যুতিক যান (ইভি) এবং ক্যানোলা (সরিষার মতো তেলবীজ) পণ্যের ওপর শুল্ক কমাতে একটি প্রাথমিক বাণিজ্য চুক্তিতে পৌঁছেছে। আজ শুক্রবার চীন সফররত কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এ কথা জানিয়েছেন। দুই দেশই বাণিজ্য বাধা দূর করা এবং নতুন কৌশলগত সম্পর্ক গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলার নেতা নিকোলাস মাদুরোর কড়া সমালোচক মাচাদো গত বছর ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের’ আন্দোলনের জন্য এই পুরস্কার জিতেছিলেন। এখন তিনি সেই পদক হোয়াইট হাউসে রেখে গেলেন এই আশায়, এই সৌজন্যের বিনিময়ে হয়তো আরও মূল্যবান কিছু মিলবে।
২ ঘণ্টা আগে
দক্ষিণ কোরিয়ার আদালত দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে ক্ষমতার অপব্যবহার করে সামরিক আইন (মার্শাল ল) ঘোষণা করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে