Ajker Patrika

ইরানের মাত্র ২১-২২ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র অবশিষ্ট আছে: ট্রাম্প

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­
আপডেট : ০৬ জুন ২০২৬, ১৬: ২৮
ইরানের মাত্র ২১-২২ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র অবশিষ্ট আছে: ট্রাম্প
ইরানের বিশ্বকাপ ফুটবল থেকে নাম প্রত্যাহার করতে বলছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সামরিক শক্তি ‘পুরোপুরি ধ্বংস’ হয়ে গেছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলার পর দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা এখন প্রায় ২১ শতাংশে নেমে এসেছে। স্থানীয় সময় গতকাল শুক্রবার এনবিসি নিউজের সাংবাদিক ক্রিস্টেন ওয়েলকারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন।

ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা জানি তাদের ড্রোনগুলো কোথায় আছে এবং আমরা জানি তাদের ড্রোন কারখানাগুলো কোথায়। বেশির ভাগ ড্রোন কারখানা ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে...এবং বেশির ভাগ ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্রও গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।’

ইরানের কাছে ঠিক কতটি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন রয়েছে, এই প্রশ্নে ট্রাম্প সরাসরি সংখ্যা জানাতে অস্বীকৃতি জানান। তবে তিনি বলেন, তিনি ‘প্রায় নির্দিষ্ট সংখ্যার কাছাকাছি পর্যন্ত’ জানেন, তেহরানের হাতে এখন কত অস্ত্র রয়েছে, কিন্তু সেই তথ্য প্রকাশ করতে চান না। তিনি আরও বলেন, ‘তাদের কিছু ক্ষেপণাস্ত্র আছে। কিছু ড্রোন আছে’ এবং শতাংশের হিসাবে ইরানের হাতে এখন ‘সম্ভবত ২১-২২ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র’ অবশিষ্ট রয়েছে।

ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, এই শতাংশ কমে গেলেও এটি এখনো ‘অনেক ক্ষেপণাস্ত্র’, তবে ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলার আগে ইরানের যে সামরিক সক্ষমতা ছিল, তার তুলনায় এটি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। তিনি বলেন, হামলার কারণে ইরানের সামরিক কাঠামো এমনভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা আগে কল্পনাও করা যায়নি।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার অগ্রগতি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প বলেন, আলোচনায় অগ্রগতি না হওয়ার মূল কারণ ইরানি নেতৃত্বের ‘অহং’। তাঁর ভাষায়, ‘আমি মনে করি, তারা বিশ্বাসই করতে পারছে না যে তারা এমন অবস্থায় এসে পড়েছে, যেখানে তাদের প্রায় পুরো নেতৃত্বই কার্যত ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘তারা গর্বিত। এমন অনেক কিছু আছে, যা তারা কখনো ভাবেনি তাদের করতে হবে, কিন্তু এখন করতে হবে। তাদের আর কোনো বিকল্প নেই।’

গত বুধবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান আলোচনা ‘ভালোই চলছে’। তবে সম্ভাব্য চূড়ান্ত চুক্তি প্রসঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘হয়তো এটা হবে না’ আবার ‘এটা সপ্তাহান্তের মধ্যেই হয়ে যেতে পারে’। একই সঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর জন্য ইরানে আবারও হামলা শুরু করা ‘খুব সহজ’ হবে, কিন্তু তিনি বরং চান ‘লিখিতভাবে কিছু একটা করা হোক, যা একই কাজ করবে, কিন্তু কাউকে হত্যা না করেই।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত