গত কয়েক সপ্তাহ ধরে করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় আংশিক লকডাউন আরও বাড়াচ্ছে ইউরোপের দেশ ফ্রান্স ও পোল্যান্ড।
রাজধানী প্যারিসসহ দেশটির ১৬টি অঞ্চলের প্রায় ২১ মিলিয়ন মানুষ করোনার তৃতীয় ধাক্কা নিয়ে শঙ্কিত।
পোল্যান্ডে জরুরি প্রয়োজন নয় এমন দোকান, হোটেল, সাংস্কৃতিক এবং খেলাধুলার যাবতীয় কার্যক্রম তিন সপ্তাহের জন্য বন্ধ রয়েছে। নভেম্বরের পর থেকে দেশটিতে এখন প্রতিদিন সর্বোচ্চ সংখ্যক করোনায় আক্রান্ত হওয়া রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।
ইউরোপের আরেক দেশ জার্মানিতেও করোনা শনাক্তের সংখ্যা বাড়ছে। জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, পুনরায় লকডাউনে যাওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।
কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার আশঙ্কায় ব্যবহারের বেশ কয়েকটি দেশে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা ভ্যাকসিন ব্যবহার স্থগিত রয়েছে।
ফ্রান্সের আংশিক এলাকায় শুক্রবার মধ্য রাত থেকে লকডাউন কার্যকর হয়েছে। তবে করোনার প্রথমদিকে যেমন কঠোর লকডাউন দেওয়া হয়েছিল এবারের লকডাউন তেমনটি নয়। লকডাউন অনেকটাই শিথিল। নিয়ম মেনে লোকেরা বাইরে যেতে পারছেন।
জরুরি প্রয়োজন নয় এমন সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। তবে খোলা রয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। মানুষজন নিয়ম মেনে রাস্তায় বের হতে পারলেও এক শহর থেকে অন্য শহরে যাওয়ার অনুমতি নেই।
পোল্যান্ডে শনিবার থেকে কার্যকর হচ্ছে লকডাউন। ইউকে ভ্যারিয়েন্টের করোনা নিয়ে শঙ্কা বাড়ছে। জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটির তথ্য অনুযায়ী, পোল্যান্ডে করোনা আক্রান্ত হয়েছে প্রায় ২০ লাখ মানুষ এবং মারা গেছেন ৪৯ হাজার। ফ্রান্সে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছে প্রায় ৪২ লাখ মানুষ এবং মারা গেছেন ৯২ হাজার।










