
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলা শুরুর পর থেকে পাল্টা জবাব দিয়ে যাচ্ছে ইরান। এ পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন মিত্র হিসেবে পরিচিত ১৫টি দেশে ইরানের হামলা চালানোর তথ্য পাওয়া গেছে। মুহুর্মুহু ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র আর ড্রোনে অনেকটাই বেকায়দায় পড়েছে দেশগুলো। এসব মারণাস্ত্র ঠেকাতে ওই দেশগুলোর ইন্টারসেপ্টর (প্রতিরোধ ক্ষেপণাস্ত্র) দ্রুত ফুরিয়ে আসছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের লক্ষ্যবস্তুতে থাকা পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোতে বৃষ্টির মতো ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে ইরান। এসব ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা মোতায়েন করে ক্ষয়ক্ষতি সীমিত রাখছে দেশগুলো।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ব্যয়বহুল ইন্টারসেপ্টর ও রাডারের সাহায্যে তেলসমৃদ্ধ উপসাগরীয় আরব দেশগুলো ইরানি হামলা ঠেকিয়ে চলেছে। তবে খবর পাওয়া যাচ্ছে, ওই দেশগুলোর ইন্টারসেপ্টর দ্রুত ফুরিয়ে আসছে।
এদিকে ইরানি হামলা থামার কোনো লক্ষণ নেই। আজ মঙ্গলবারও তারা সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশে হামলা চালিয়েছে। সামরিক সূত্রের বরাতে এর আগে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল জানিয়েছিল, একটি ইরানি ড্রোন তৈরি করতে খরচ হয় ৩৫ হাজার ডলারের মতো, কিন্তু সেই ড্রোন ঠেকাতে ইন্টারসেপ্টর হিসেবে ব্যবহার হয় যেসব ক্ষেপণাস্ত্র, সেগুলোর একেকটি তৈরিতে খরচ হয় ৫ থেকে ৪০ লাখ ডলার। এই অবস্থায় একদিকে ইন্টারসেপ্টরের মজুত যেমন দ্রুত ফুরিয়ে আসছে মার্কিন মিত্রদের, অপর দিকে তাদের যুদ্ধের ব্যয়ও অনেকাংশে বেড়ে যাচ্ছে। এই মুহূর্তে তাদের ইরানের পাশাপাশি সময়ের বিরুদ্ধেও লড়তে হচ্ছে। কারণ, মজুত ফুরিয়ে আসার আগেই পর্যাপ্ত ইন্টারসেপ্টর জোগাড়ের চাপে পড়েছে দেশগুলো।
এর আগে আরেক ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দি ইনডিপেনডেন্ট জানিয়েছিল, ইরান তার ভূগর্ভস্থ ড্রোনের মজুতের ভিডিও প্রকাশ করেছে। সেই ভিডিওতে দেখা যায়, ভূগর্ভের কোনো এক বাংকারে শত শত ড্রোন সারি করে সাজানো।

সংযুক্ত আরব আমিরাত বলেছে, ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় দেশটির মাটি ব্যবহার করতে দেবে না সরকার। দেশটির আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী রিম আল হাশিমি এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
সৌদি আরব ও কুয়েতের পর এবার লেবাননের বৈরুতে মার্কিন দূতাবাস বন্ধ করে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ। হামলার আশঙ্কায় এই পদক্ষেপ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হলেও যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও তাদের উপসাগরীয় মিত্রদের বিরুদ্ধে ইরানের হামলা থেমে নেই। বরং সামনে হামলা আরও জোরদার হতে পারে বলে হুমকি দিয়েছে ইরানের প্রভাবশালী রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি নতুন এক বৃহৎ শরণার্থী সংকট তৈরি করতে পারে বলে সতর্ক করেছে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এজেন্সি ফর অ্যাসাইলাম (ইইউএএ)। সংস্থাটি বলছে, ইরানের মোট জনসংখ্যার মাত্র ১০ শতাংশ বাস্তুচ্যুত হলেও সাম্প্রতিক দশকগুলোর মধ্যে এটি সবচেয়ে বড় শরণার্থী প্রবাহে পরিণত হতে পারে।
২ ঘণ্টা আগে