ঢাকা: জরুরি ব্যবহারের জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন পেয়েছে চীনের সিনোভ্যাক করোনা টিকা। গতকাল মঙ্গলবার সংস্থাটি এই অনুমোদন দেয়।
এ নিয়ে এখন পর্যন্ত দুটি চীনা ভ্যাকসিন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন পেল। এর আগে চীনের সিনোফার্ম ভ্যাকসিনকেও অনুমোদন দেয় জাতিসংঘের স্বাস্থ্য বিষয়ক সংস্থা। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে এমনটি বলা হয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে বলা হয়, চীনের সিনোভ্যাক টিকা ৫১ শতাংশ উপসর্গজনিত অসুস্থতা কমায়। এ ছাড়া এই ভ্যাকসিন গ্রহণকারীদের মধ্যে কারওই কোভিড-১৯ এ গুরুতর অসুস্থতা দেখা যায়নি কিংবা কাউকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়নি।
যদিও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে, চীনের ভ্যাকসিন নিয়ে এখনো কিছু তথ্য প্রমাণের অভাব রয়েছে।
এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, আজ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সিনোভ্যাক-করোনাভ্যাক কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে।
সম্প্রতি ব্রাজিলে সেরেনা শহরে চালানো শহরে গবেষণায় দেখা গেছে চীনের সিনোভ্যাক ভ্যাকসিন ৯৫ শতাংশ প্রাপ্ত বয়স্ক করোনা রোগীদের মৃত্যু কমাতে সক্ষম হয়েছে। করোনায় মৃত্যুর দিক দিয়ে বিশ্ব তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে এই ব্রাজিল।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বৈশ্বিক উদ্যোগ কোভ্যাক্স কর্মসূচিতে এখন থেকে ব্যবহার করা যাবে সিনোভ্যাক করোনা টিকা। কোভ্যাক্স কর্মসূচির মাধ্যমে বিশ্বে করোনার টিকার ন্যায্যভাবে বণ্টনের চেষ্টা চলানো হচ্ছে।
জাতিসংঘের স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন পাওয়ার আগেই সিনোভ্যাক ভ্যাকসিন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রয়োগ শুরু হয়েছে। এ ছাড়া চীনও নিজেদের জনগণের ওপর এই ভ্যাকসিন প্রয়োগ করেছে।

প্রাচীন কোরিয়ায় রাজপরিবারকে সন্তুষ্ট করতে একটি নির্দিষ্ট শ্রেণির মানুষকে বলি দেওয়া হতো। চাঞ্চল্যকর এই তথ্য উঠে এসেছে সাম্প্রতিক এক গবেষণায়। দক্ষিণ-পূর্ব কোরিয়ার গিয়ংসান অঞ্চলে আবিষ্কৃত অসংখ্য কঙ্কাল বিশ্লেষণ করে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
৭ মিনিট আগে
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে ধর্মীয় মেরুকরণ ও দুর্নীতির অভিযোগ ঘিরে তোলপাড় শুরু হয়েছে। তৃণমূল থেকে সম্প্রতি বহিষ্কার করা বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের একটি বিতর্কিত ‘স্টিং অপারেশন’ ভিডিওর পরিপ্রেক্ষিতে আজ শুক্রবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বিজেপির অবস্থান...
১ ঘণ্টা আগে
গত মঙ্গলবার যুদ্ধবিরতির আগপর্যন্ত ইরান যুদ্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের প্রতিদিন গড়ে খরচ হয়েছে প্রায় ৮৯০ মিলিয়ন ডলার। এই বিপুল অর্থের একটি বড় অংশ ব্যয় হয়েছে গোলাবারুদ, বিমান হামলা, নৌ সেনা মোতায়েন এবং গোয়েন্দা কার্যক্রমে।
৩ ঘণ্টা আগে
ড্রোনটি পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালিতে টানা তিন ঘণ্টা নজরদারি শেষ করে ইতালির সিগোনেলা নৌঘাঁটিতে ফিরছিল। অনলাইন ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ফ্লাইটরাডার২৪-এর তথ্যমতে, নিখোঁজ হওয়ার আগে ড্রোনটি ইরানের দিকে কিছুটা মোড় নেয় এবং জরুরি সংকেত ‘কোড ৭৭০০’ পাঠাতে শুরু করে।
৩ ঘণ্টা আগে