আজকের পত্রিকা ডেস্ক

জাপানের উচ্চকক্ষের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যেখানে প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবার ক্ষমতাসীন জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে। নির্বাচনের আগে একাধিক জরিপে এমন আভাস পাওয়া গেছে। গত অক্টোবর মাসে নিম্নকক্ষের আকস্মিক নির্বাচনে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ইতিমধ্যেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে। এখন মূল্যস্ফীতি, রাজনৈতিক কেলেঙ্কারি ও অভিবাসন বিরোধী মনোভাবের উত্থানের কারণে তাদের ওপর জন অসন্তোষ আরও বাড়ছে।
বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্ষমতাসীন জোট এলডিপির উচ্চকক্ষে নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে ১২৫টি আসনের মধ্যে ৫০টি আসনে জয়লাভ করা প্রয়োজন। কিন্তু কিয়োডো, ইয়োমিউরি এবং নিক্কেই পরিচালিত জরিপ অনুযায়ী, এলডিপি ও তাদের জোটের ছোট অংশীদার কোমেইতো এই আসন অর্জনে ব্যর্থ হতে পারে। যদি এমনটা হয়, তাহলে জাপানের আর্থিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি মারাত্মকভাবে প্রভাবিত হবে। এই মুহূর্তে টোকিওর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতির কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি বাণিজ্য চুক্তি করার চেষ্টা করছেন। তিনি নির্বাচনে হেরে গেলে এই চুক্তি ভেস্তে যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এই নির্বাচন প্রধানমন্ত্রী ইশিবার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎও নির্ধারণ করে দেবে। গত বছরের মতো বড় ধরনের পরাজয় তাঁকে পদত্যাগে বাধ্য করতে পারে এবং এলডিপির মধ্যে ক্ষমতার লড়াই শুরু হতে পারে। ছোট ছোট বিরোধী দলগুলো, যারা প্রচলিত ব্যবস্থার বিরোধী বার্তা দিচ্ছে, তারা ক্ষমতাসীনদের সমর্থন কমিয়ে দিতে পারে। যদি জোট উভয় কক্ষেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারায়, তাহলে জাপান এক নতুন রাজনৈতিক অচলাবস্থার মধ্যে প্রবেশ করবে। কারণ এলডিপি ১৯৫৫ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে শুধু মাঝখানে মাত্র কয়েক বছর বাদে প্রায় টানা ক্ষমতায় রয়েছে।
এদিকে, উগ্র ডানপন্থী পপুলিস্ট সানসেইতো পার্টির উত্থান এই নির্বাচনকে আরও জটিল করে তুলেছে। একসময় এটি একটি প্রান্তিক আন্দোলন ছিল, যা কোভিড-১৯ মহামারির সময় ইউটিউবে টিকাদান এবং বৈশ্বিক অভিজাতদের নিয়ে ষড়যন্ত্র তত্ত্ব ছড়াতো। এখন দলটি তাদের ‘জাপানিজ ফার্স্ট’ স্লোগান এবং অভিবাসন, বিশ্বায়ন ও বিদেশি পুঁজির সমালোচনার মাধ্যমে জনপ্রিয়তা লাভ করছে।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, সানসেইতো ১০টিরও বেশি আসনে জয়লাভ করতে পারে। বিশেষ করে তরুণ পুরুষ ভোটারদের কাছে তারা ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। দলটির নেতা সোসেই কামিয়াকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং জার্মানির উগ্র ডানপন্থী দল ‘অলটারনেটিভ ফর জার্মানি’র (এএফডি) সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে।

জাপানের উচ্চকক্ষের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যেখানে প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবার ক্ষমতাসীন জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে। নির্বাচনের আগে একাধিক জরিপে এমন আভাস পাওয়া গেছে। গত অক্টোবর মাসে নিম্নকক্ষের আকস্মিক নির্বাচনে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ইতিমধ্যেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে। এখন মূল্যস্ফীতি, রাজনৈতিক কেলেঙ্কারি ও অভিবাসন বিরোধী মনোভাবের উত্থানের কারণে তাদের ওপর জন অসন্তোষ আরও বাড়ছে।
বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্ষমতাসীন জোট এলডিপির উচ্চকক্ষে নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে ১২৫টি আসনের মধ্যে ৫০টি আসনে জয়লাভ করা প্রয়োজন। কিন্তু কিয়োডো, ইয়োমিউরি এবং নিক্কেই পরিচালিত জরিপ অনুযায়ী, এলডিপি ও তাদের জোটের ছোট অংশীদার কোমেইতো এই আসন অর্জনে ব্যর্থ হতে পারে। যদি এমনটা হয়, তাহলে জাপানের আর্থিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি মারাত্মকভাবে প্রভাবিত হবে। এই মুহূর্তে টোকিওর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতির কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি বাণিজ্য চুক্তি করার চেষ্টা করছেন। তিনি নির্বাচনে হেরে গেলে এই চুক্তি ভেস্তে যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এই নির্বাচন প্রধানমন্ত্রী ইশিবার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎও নির্ধারণ করে দেবে। গত বছরের মতো বড় ধরনের পরাজয় তাঁকে পদত্যাগে বাধ্য করতে পারে এবং এলডিপির মধ্যে ক্ষমতার লড়াই শুরু হতে পারে। ছোট ছোট বিরোধী দলগুলো, যারা প্রচলিত ব্যবস্থার বিরোধী বার্তা দিচ্ছে, তারা ক্ষমতাসীনদের সমর্থন কমিয়ে দিতে পারে। যদি জোট উভয় কক্ষেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারায়, তাহলে জাপান এক নতুন রাজনৈতিক অচলাবস্থার মধ্যে প্রবেশ করবে। কারণ এলডিপি ১৯৫৫ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে শুধু মাঝখানে মাত্র কয়েক বছর বাদে প্রায় টানা ক্ষমতায় রয়েছে।
এদিকে, উগ্র ডানপন্থী পপুলিস্ট সানসেইতো পার্টির উত্থান এই নির্বাচনকে আরও জটিল করে তুলেছে। একসময় এটি একটি প্রান্তিক আন্দোলন ছিল, যা কোভিড-১৯ মহামারির সময় ইউটিউবে টিকাদান এবং বৈশ্বিক অভিজাতদের নিয়ে ষড়যন্ত্র তত্ত্ব ছড়াতো। এখন দলটি তাদের ‘জাপানিজ ফার্স্ট’ স্লোগান এবং অভিবাসন, বিশ্বায়ন ও বিদেশি পুঁজির সমালোচনার মাধ্যমে জনপ্রিয়তা লাভ করছে।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, সানসেইতো ১০টিরও বেশি আসনে জয়লাভ করতে পারে। বিশেষ করে তরুণ পুরুষ ভোটারদের কাছে তারা ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। দলটির নেতা সোসেই কামিয়াকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং জার্মানির উগ্র ডানপন্থী দল ‘অলটারনেটিভ ফর জার্মানি’র (এএফডি) সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফরাসি মদ ও শ্যাম্পেনের ওপর ২০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন। বিশ্বজুড়ে সংঘাত নিরসনের লক্ষ্যে তাঁর প্রস্তাবিত বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ যোগ দিতে চাপ দিতেই এই হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে, ফরাসি
৭ মিনিট আগে
সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইয়েমেনের বন্দরনগরী মুকাল্লার কাছে এক বিমানঘাঁটিতে বিস্ফোরক মজুত করেছে এবং সেখানে একটি গোপন ভূগর্ভস্থ বন্দিশালা পরিচালনা করছে, এমন অভিযোগ করেছেন ইয়েমেন সরকারের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।
২ ঘণ্টা আগে
ব্রিটেনের চাগোস দ্বীপপুঞ্জ মরিশাসের কাছে হস্তান্তরের পরিকল্পনাকে ‘চরম বোকামি’ এবং ‘জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বিশাল হুমকি’ হিসেবে অভিহিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া পোস্টে ট্রাম্প এমন বার্তা দেন।
২ ঘণ্টা আগে
সৌদি আরবের শ্রমবাজারে স্থানীয় নাগরিকদের অংশীদারত্ব বাড়াতে এবং বেকারত্ব হ্রাসে বড় ধরনের এক সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে দেশটির সরকার। দেশটির মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয় বিপণন ও বিক্রয় সংক্রান্ত ১৮টি বিশেষ পেশায় এখন থেকে অন্তত ৬০ শতাংশ সৌদি নাগরিক নিয়োগ দেওয়া বাধ্যতামূলক করেছে।
৩ ঘণ্টা আগে