
ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ার ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) প্রসিকিউটর করিম খান। ইসরায়েলে হামাসের হামলা এবং এর ধারাবাহিকতায় গাজায় চলমান যুদ্ধে সংঘটিত যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে এই আবেদন করেছেন তিনি।
গতকাল সোমবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে করিম খান এসব কথা জানান। ওই সাক্ষাৎকারে করিম খান জানান, নেতানিয়াহু ও সিনওয়ার ছাড়াও ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ত ও হামাসের আরও দুই নেতা—সামরিক শাখা আল-ক্বাসাম ব্রিগেডের প্রধান মোহাম্মদ দায়েফ ইব্রাহিম আল-মাসরি ও হামাসপ্রধান ইসমাইল হানিয়ারও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা চেয়েছেন।
এখন গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির এই আবেদনের বিষয়ে নেদারল্যান্ডসের হেগে অবস্থিত আইসিসির বিচারকদের একটি প্যানেল সিদ্ধান্ত দেবে। করিম খান জানান, গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলার ঘটনায় সিনওয়ার, হানিয়া ও দায়েফের বিরুদ্ধে ‘ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ, হত্যা, লোকজন জিম্মি হিসেবে নেওয়া, ধর্ষণ এবং বন্দীদের যৌন নিপীড়নের’ অভিযোগ আনা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের এই কৌঁসুলি আরও জানান, নেতানিয়াহু ও গ্যালান্টের বিরুদ্ধে অভিযোগের মধ্যে রয়েছে ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত করা, মানবিক ত্রাণ সরবরাহ করতে না দেওয়াসহ ক্ষুধাকে যুদ্ধের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার, যুদ্ধে বেসামরিক লোকজনকে ইচ্ছাকৃতভাবে লক্ষ্যবস্তু করা।
এদিকে, করিম খানের এই আবেদনের পর ফ্রান্স জানিয়েছে যে দেশটি সিনওয়ার ও নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা চেয়ে আবেদনের পক্ষে আছে। গতকাল সোমবার এক বিবৃতিতে ফরাসি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই অবস্থান ব্যক্ত করে। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ফ্রান্স আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত ও এর স্বাধীনতা এবং সব পরিস্থিতিতে দায়মুক্তির বিরুদ্ধে লড়াইকে সমর্থন করে।’

ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ার ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) প্রসিকিউটর করিম খান। ইসরায়েলে হামাসের হামলা এবং এর ধারাবাহিকতায় গাজায় চলমান যুদ্ধে সংঘটিত যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে এই আবেদন করেছেন তিনি।
গতকাল সোমবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে করিম খান এসব কথা জানান। ওই সাক্ষাৎকারে করিম খান জানান, নেতানিয়াহু ও সিনওয়ার ছাড়াও ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ত ও হামাসের আরও দুই নেতা—সামরিক শাখা আল-ক্বাসাম ব্রিগেডের প্রধান মোহাম্মদ দায়েফ ইব্রাহিম আল-মাসরি ও হামাসপ্রধান ইসমাইল হানিয়ারও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা চেয়েছেন।
এখন গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির এই আবেদনের বিষয়ে নেদারল্যান্ডসের হেগে অবস্থিত আইসিসির বিচারকদের একটি প্যানেল সিদ্ধান্ত দেবে। করিম খান জানান, গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলার ঘটনায় সিনওয়ার, হানিয়া ও দায়েফের বিরুদ্ধে ‘ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ, হত্যা, লোকজন জিম্মি হিসেবে নেওয়া, ধর্ষণ এবং বন্দীদের যৌন নিপীড়নের’ অভিযোগ আনা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের এই কৌঁসুলি আরও জানান, নেতানিয়াহু ও গ্যালান্টের বিরুদ্ধে অভিযোগের মধ্যে রয়েছে ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত করা, মানবিক ত্রাণ সরবরাহ করতে না দেওয়াসহ ক্ষুধাকে যুদ্ধের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার, যুদ্ধে বেসামরিক লোকজনকে ইচ্ছাকৃতভাবে লক্ষ্যবস্তু করা।
এদিকে, করিম খানের এই আবেদনের পর ফ্রান্স জানিয়েছে যে দেশটি সিনওয়ার ও নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা চেয়ে আবেদনের পক্ষে আছে। গতকাল সোমবার এক বিবৃতিতে ফরাসি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই অবস্থান ব্যক্ত করে। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ফ্রান্স আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত ও এর স্বাধীনতা এবং সব পরিস্থিতিতে দায়মুক্তির বিরুদ্ধে লড়াইকে সমর্থন করে।’

ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মেয়র হিসেবে প্রথম দিনেই মামদানি তাঁর আসল চেহারা দেখিয়েছেন। তিনি ইহুদি-বিদ্বেষের আন্তর্জাতিক সংজ্ঞা (আইএইচআরএ) বাতিল করেছেন এবং ইসরায়েল বয়কটের ওপর থেকে বিধিনিষেধ তুলে নিয়েছেন। এটি নেতৃত্ব নয়, বরং এটি খোলা আগুনে ইহুদি-বিদ্বেষী ঘি ঢালার সমান।
২৯ মিনিট আগে
গত মাসে এসটিসি এই অঞ্চলটি দখলের পর সৌদি জোটের পক্ষ থেকে এটিই প্রথম সরাসরি প্রাণঘাতী হামলা। এর আগে সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনী হাজরামাউতের সামরিক স্থাপনাগুলো ‘শান্তিপূর্ণভাবে’ নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ঘোষণা দেয়। কিন্তু ওই ঘোষণা দেওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই বিমান হামলা শুরু হয়।
২ ঘণ্টা আগে
রাশিয়ার টানা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামো বিপর্যস্ত। তবে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহে দীর্ঘস্থায়ী সংকটের মধ্যেও জীবন থেমে থাকেনি দেশটির মানুষের। বরং অন্ধকার, শীত আর অনিশ্চয়তার সঙ্গে লড়াই করে তারা নতুন নতুন উপায়ে টিকে থাকার পথ খুঁজে নিচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে
বিভিন্ন সময়ে ইরান সরকারের দমন-পীড়নের শিকার পানাহি আরও লিখেছেন, ‘সামষ্টিক যন্ত্রণা এখন রাজপথের প্রতিবাদের ভাষায় পরিণত হয়েছে। এই বিক্ষোভের লক্ষ্য ইতিহাসকে এগিয়ে নেওয়া। যখন হারানোর কিছু থাকে না, তখন ভয় উবে যায়। সব কণ্ঠস্বর এক হয়, নীরবতা ভেঙে যায় এবং ফিরে আসার কোনো পথ থাকে না।’
২ ঘণ্টা আগে