আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ইরানে চলমান বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে দেশটির শাসকগোষ্ঠী সম্ভাব্য অস্থিতিশীল পরিস্থিতির জন্য বিদেশে বিকল্প পরিকল্পনা (কন্টিনজেন্সি প্ল্যান) প্রস্তুত করছে কি না—এ নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে জল্পনা তীব্র হয়েছে। একাধিক পশ্চিমা গণমাধ্যম ও রাজনৈতিক সূত্রে উঠে আসা প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ইরানের নেতৃত্ব সম্পদ সরানো, নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা এবং পরিবারের সদস্যদের বিদেশে পাঠানোর সম্ভাবনা বিবেচনায় রাখছে।
লন্ডনে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে বক্তব্য দিতে গিয়ে কনজারভেটিভ দলীয় এমপি টম টুগেনডহাট দাবি করেছেন—সম্প্রতি রাশিয়ার কার্গো বিমান তেহরানে অবতরণ করছে এবং ইরান থেকে বিপুল পরিমাণ সোনা সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তাঁর মতে, এসব ঘটনা ইঙ্গিত দিচ্ছে ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব সম্ভাব্য পতনের পরবর্তী পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমরা দেখছি রাশিয়ার কার্গো বিমান তেহরানে নামছে, সম্ভবত অস্ত্র ও গোলাবারুদ বহন করে এবং একই সঙ্গে ইরান থেকে বড় অঙ্কের সোনা বেরিয়ে যাচ্ছে।’
তবে এই মন্তব্যের জবাবে মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকাবিষয়ক ব্রিটিশ মন্ত্রী হ্যামিশ ফ্যালকনার জানান, তিনি এসব প্রতিবেদনের বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলতে সক্ষম নন। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ও প্রতিবাদের অধিকার ইরানি জনগণের মৌলিক ও অখণ্ড অধিকার, যা দেশটির কর্তৃপক্ষের সম্মান করা উচিত।
এদিকে ব্রিটিশ দৈনিক দ্য টাইমসের এক প্রতিবেদনে সম্প্রতি দাবি করা হয়েছে, বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি অল্পসংখ্যক সহযোগী ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মস্কোতে চলে যাওয়ার একটি ‘প্ল্যান বি’ প্রস্তুত রেখেছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, এই তথ্য একটি গোয়েন্দা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়, খামেনির ঘনিষ্ঠ মহল, তাঁর ছেলে ও সম্ভাব্য উত্তরাধিকারী মোজতবা খামেনিসহ কয়েকজনকে নিয়ে দেশ ছাড়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে এবং সে জন্য নগদ অর্থ ও সম্পদ জড়ো করা হচ্ছে।
ফ্রান্সের দৈনিক লে ফিগারো জানিয়েছে, সম্প্রতি ইরানের কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা তাঁদের পরিবারের জন্য ফরাসি ভিসা পাওয়ার চেষ্টা করেছেন। প্যারিসভিত্তিক এক আইনজীবীর মাধ্যমে এসব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
এখন পর্যন্ত ইরানি কর্তৃপক্ষ রুশ কার্গো ফ্লাইট, সোনা স্থানান্তর, ভিসা আবেদন বা কথিত বিকল্প পরিকল্পনা—কোনো বিষয়েই আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি। তবে চলমান বিক্ষোভ ও এসব প্রতিবেদন মিলিয়ে ইরানের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে।

ইরানে চলমান বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে দেশটির শাসকগোষ্ঠী সম্ভাব্য অস্থিতিশীল পরিস্থিতির জন্য বিদেশে বিকল্প পরিকল্পনা (কন্টিনজেন্সি প্ল্যান) প্রস্তুত করছে কি না—এ নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে জল্পনা তীব্র হয়েছে। একাধিক পশ্চিমা গণমাধ্যম ও রাজনৈতিক সূত্রে উঠে আসা প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ইরানের নেতৃত্ব সম্পদ সরানো, নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা এবং পরিবারের সদস্যদের বিদেশে পাঠানোর সম্ভাবনা বিবেচনায় রাখছে।
লন্ডনে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে বক্তব্য দিতে গিয়ে কনজারভেটিভ দলীয় এমপি টম টুগেনডহাট দাবি করেছেন—সম্প্রতি রাশিয়ার কার্গো বিমান তেহরানে অবতরণ করছে এবং ইরান থেকে বিপুল পরিমাণ সোনা সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তাঁর মতে, এসব ঘটনা ইঙ্গিত দিচ্ছে ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব সম্ভাব্য পতনের পরবর্তী পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমরা দেখছি রাশিয়ার কার্গো বিমান তেহরানে নামছে, সম্ভবত অস্ত্র ও গোলাবারুদ বহন করে এবং একই সঙ্গে ইরান থেকে বড় অঙ্কের সোনা বেরিয়ে যাচ্ছে।’
তবে এই মন্তব্যের জবাবে মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকাবিষয়ক ব্রিটিশ মন্ত্রী হ্যামিশ ফ্যালকনার জানান, তিনি এসব প্রতিবেদনের বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলতে সক্ষম নন। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ও প্রতিবাদের অধিকার ইরানি জনগণের মৌলিক ও অখণ্ড অধিকার, যা দেশটির কর্তৃপক্ষের সম্মান করা উচিত।
এদিকে ব্রিটিশ দৈনিক দ্য টাইমসের এক প্রতিবেদনে সম্প্রতি দাবি করা হয়েছে, বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি অল্পসংখ্যক সহযোগী ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মস্কোতে চলে যাওয়ার একটি ‘প্ল্যান বি’ প্রস্তুত রেখেছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, এই তথ্য একটি গোয়েন্দা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়, খামেনির ঘনিষ্ঠ মহল, তাঁর ছেলে ও সম্ভাব্য উত্তরাধিকারী মোজতবা খামেনিসহ কয়েকজনকে নিয়ে দেশ ছাড়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে এবং সে জন্য নগদ অর্থ ও সম্পদ জড়ো করা হচ্ছে।
ফ্রান্সের দৈনিক লে ফিগারো জানিয়েছে, সম্প্রতি ইরানের কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা তাঁদের পরিবারের জন্য ফরাসি ভিসা পাওয়ার চেষ্টা করেছেন। প্যারিসভিত্তিক এক আইনজীবীর মাধ্যমে এসব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
এখন পর্যন্ত ইরানি কর্তৃপক্ষ রুশ কার্গো ফ্লাইট, সোনা স্থানান্তর, ভিসা আবেদন বা কথিত বিকল্প পরিকল্পনা—কোনো বিষয়েই আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি। তবে চলমান বিক্ষোভ ও এসব প্রতিবেদন মিলিয়ে ইরানের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে।

ইরানের টালমাটাল পরিস্থিতির মধ্যে দেশটির নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভির সঙ্গে বৈঠকের সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গতকাল বৃহস্পতিবার দ্য হিউ হিউইট শো নামে এক পডকাস্টে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, ‘আমি তাঁকে দেখেছি।
২ মিনিট আগে
ইরানের ধর্মীয় শাসকগোষ্ঠী এখন গত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে কঠিন সংকটের মুখোমুখি। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও মুদ্রার রেকর্ড দরপতনের প্রতিবাদে শুরু হওয়া আন্দোলন এখন সরাসরি সরকার পতনের আন্দোলনে রূপ নিয়েছে। একই সঙ্গে বিদেশি চাপ বাড়তে থাকায় দেশটির ধর্মীয় শাসকগোষ্ঠী এক গভীর বৈধতার সংকটে পড়েছে।
২৫ মিনিট আগে
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ সরকার ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) মধ্যে সংলাপ শুরুর প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির স্পিকার সারদার আয়াজ সাদিককে অনুমোদন দিয়েছেন। পার্লামেন্টের একাধিক সূত্র গতকাল বুধবার বিষয়টি দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনকে জানিয়েছে। রাজনৈতিক অচলাবস্থা....
২ ঘণ্টা আগে
মাদুরোর কড়া সমালোচক এবং প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞ রোসিও সান মিগেল হলেন প্রথম বন্দী, যাঁর মুক্তির খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। তাঁর পরিবার নিউইয়র্ক টাইমসকে জানিয়েছেন, তাঁকে কারাকাসে স্পেনীয় দূতাবাসে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে