চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমে সিচুয়ান প্রদেশের একটি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন থেকে তিন হাজার বছর পুরনো একটি শিল্পকর্ম উদ্ধার করেছেন প্রত্নতাত্ত্বিকরা। নতুন আবিষ্কৃত ছয়টি ‘বলির বেদি’ খনন করে পাঁচশর বেশি বিভিন্ন বস্তু উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম একটি স্বর্ণের মুখোশ। ২৮০ গ্রাম ওজনের মুখোশটি প্রায় ৮৪ শতাংশ স্বর্ণের তৈরি। এটি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে পরা হতো বলে ধারণা করা হচ্ছে।
চীনের ন্যাশনাল কালচারাল হেরিটেজ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এ তথ্য জানিয়েছে। সিচুয়ান প্রদেশের রাজধানী চেংদুর বাইরে সানসিংদুইয়ে ৪ দশমিক ৬ বর্গমাইল আয়তনের এলাকাজুড়ে নিদর্শনগুলো পাওয়া গেছে। কিছু বিশেষজ্ঞ বলছেন, আবিষ্কৃত জিনিসগুলো সু রাজ্যের নিদর্শন বহন করে। ৩১৬ খ্রিস্টাপূর্ব পর্যন্ত এই রাজ্য পশ্চিমা সিচুয়ান নদীর অববাহিকাজুড়ে বিস্তৃত ছিল।
ওই এলাকায় স্বর্ণের মুখোশ ছাড়াও প্রত্নতাত্ত্বিকরা ব্রোঞ্জ, স্বর্ণপত্র এবং হাতির দাঁত, রত্নপাথর ও হাড়ের তৈরি শিল্পকর্ম আবিষ্কার করেছেন। ছয়টি নির্দশন এলাকার মধ্যে বৃহত্তমটির আয়তন ১৯ বর্গমিটার। এখানে ডালাবন্ধ কাঠের বাক্স এবং পেঁচার নকশাকৃত একটি ব্রোঞ্জের পাত্রও পাওয়া গেছে।
১৯২০ সাল থেকে এ পর্যন্ত সানসিংদুইয়ে ৫০ হাজারেরও বেশি প্রাচীন নিদর্শন পাওয়া গেছে। ঘটনাক্রমে স্থানীয় এক কৃষক এ স্থানের একটি প্রাচীন নির্দশনের ধ্বংসাবশেষ আবিষ্কার করেন। এরপরই শুরু হয় খনন ও অনুসন্ধান। ১৯৮৬ সালে দুটি নিদর্শন এলাকা থেকে এক হাজার বস্তু পাওয়া যায়।

খনন কাজের দীর্ঘ বিরতির পর ২০১৯ সালে তৃতীয় নিদর্শন স্থান আবিষ্কার করা হয়। এর পর গত পাঁচ বছরের বিভিন্ন নিদর্শন আবিষ্কার করা হয়েছে।
সূত্র: সিএনএন

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত শনিবার ইরানে বিনা উসকানিতে হামলা চালায়। জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। এমনকি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকেও অ্যান্টিশিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল।
১৭ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনাই ছিল না ইরানের। তেহরান আগে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণের পরিকল্পনা করেছিল—গোয়েন্দা তথ্যে এমন কোনো লক্ষণই ছিল না। মার্কিন কংগ্রেসকে এমনটিই জানিয়েছে পেন্টাগন।
২৪ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মাত্রা ও সময় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তারা উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছেন, এমন কোনো পদক্ষেপ না নিতে যা তেহরান বা তাদের মিত্র গোষ্ঠীর পাল্টা প্রতিক্রিয়া উসকে দিতে পারে এবং অঞ্চলকে আরও বড় সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে।
১ ঘণ্টা আগে
যুদ্ধকে ইরানিরা খুব একটা ভয় পায় না, যতটা পায় আত্মসমর্পণকে। এই ধারণার প্রমাণ মেলে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত সরকার কখনোই হুমকির কাছে মাথা নত করেনি। এমনকি সর্বশেষ যুদ্ধের আগেও ইরানিরা তাদের ন্যায্য অবস্থান থেকে সরে এসে যুদ্ধ ঠেকানোর চেষ্টা করেনি।
১ ঘণ্টা আগে