
সময়টা আজ থেকে ৪২ বছর আগে। চিলিতে তখন অগস্তো পিনোশের স্বৈরশাসন চলছে। সে সময় দেশটির এক মায়ের বুক খালি করে এক শিশুকে চুরি করে নিয়ে গিয়েছিল কেউ। অবশেষে সেই চুরি যাওয়া শিশু ৪২ বছর পর তাঁর মায়ের কাছে ফিরেছেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
হারিয়ে যাওয়া সেই শিশু এখন ৪২ বছরের যুবক জিমি লিপার্ট। পেশায় আইনজীবী। বসবাস যুক্তরাষ্ট্রে। সম্প্রতি মায়ের খোঁজ পেয়ে কয়েক হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে পৌঁছেছেন চিলিতে। পথে বিমানে থাকা অবস্থায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকে একটি ভিডিও শেয়ার করেন।
ভিডিওতে জিমি বলেন, ‘তিনি (মা) আমার ব্যাপারে ভালো করে কিছু জানতেনও না। কারণ তারা (চোর) আমাকে নিয়ে গিয়েছিল। আমার মাকে বলা হয়েছিল, আমি মরে গেছি।’ জিমি আরও বলেন, ‘তিনি (মা) পরে আমার মরদেহ দেখতে চাইলে হাসপাতালের লোকজন বলেছিল, তারা আমার দেহ ফেলে দিয়েছে।’
জিমি লিপার্ট মায়ের ব্যাপারে আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, ‘আমরা কখনোই একে অপরকে জড়িয়ে ধরিনি, কখনোই আলিঙ্গন করিনি।’
জিমি লিপার্টের মায়ের নাম মারিয়া অ্যাঞ্জেলিকা গঞ্জালেজ। তিনি চিলির রাজধানী সান্তিয়াগো থেকে ৭৪০ কিলোমিটার দূরের ভালদিভিয়া নামে একটি এলাকায় বসবাস করেন। লিপার্ট মায়ের খোঁজে সেখানেই যান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও থেকে দেখা যায়, লিপার্ট এক হাতে ফুলের তোড়া নিয়ে মায়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। একপর্যায়ে মাকে আলিঙ্গন করতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন লিপার্ট।
জিমি লিপার্টের সঙ্গে তাঁর স্ত্রী ও দুই কন্যাও গিয়েছিলেন ভালদিভিয়ায়।
জিমি লিপার্টকে তাঁর মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিতে সবচেয়ে বেশি সহায়তা করেছে মানুষের ডিএনএ ট্রেসিং নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠান মাই হেরিটেজ এবং চিলির বেসরকারি প্রতিষ্ঠান নস বোসকামোস। এই প্রতিষ্ঠান পিনোশের ১৭ বছরে স্বৈরশাসনের সময় যেসব শিশু বাবা-মায়ের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল, তাদের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে সহায়তা করে। উল্লেখ্য, চিলিতে অগস্তো পিনোশের স্বৈরশাসন শেষ হয় ১৯৯০ সালে।
নস বোসকামোসের প্রতিষ্ঠাতা কনস্ত্যাঞ্জা দেল রিও নিজেও পিনোশের শাসনামলে হারিয়ে গিয়েছিলেন। নিজের প্রকৃত বাবা-মাকে ফিরে না পেয়ে তিনি প্রতিষ্ঠানটি শুরু করেন। যাত্রার পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি চার শতাধিক মানুষকে তাঁর পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে।
দেল রিও জিমি লিপার্টের মায়ের কাছে ফেরার বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, ‘এটি সেই স্বৈরশাসনের সময়ে হাজারো শিশু পাচারের ঘটনার মধ্যে একটি মাত্র। এসব শিশুকে মৃত বলে ঘোষণা করে ১০ থেকে ১৫ হাজার ডলারের বিনিময়ে বিক্রি করে দেওয়া হতো।’

সময়টা আজ থেকে ৪২ বছর আগে। চিলিতে তখন অগস্তো পিনোশের স্বৈরশাসন চলছে। সে সময় দেশটির এক মায়ের বুক খালি করে এক শিশুকে চুরি করে নিয়ে গিয়েছিল কেউ। অবশেষে সেই চুরি যাওয়া শিশু ৪২ বছর পর তাঁর মায়ের কাছে ফিরেছেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
হারিয়ে যাওয়া সেই শিশু এখন ৪২ বছরের যুবক জিমি লিপার্ট। পেশায় আইনজীবী। বসবাস যুক্তরাষ্ট্রে। সম্প্রতি মায়ের খোঁজ পেয়ে কয়েক হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে পৌঁছেছেন চিলিতে। পথে বিমানে থাকা অবস্থায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকে একটি ভিডিও শেয়ার করেন।
ভিডিওতে জিমি বলেন, ‘তিনি (মা) আমার ব্যাপারে ভালো করে কিছু জানতেনও না। কারণ তারা (চোর) আমাকে নিয়ে গিয়েছিল। আমার মাকে বলা হয়েছিল, আমি মরে গেছি।’ জিমি আরও বলেন, ‘তিনি (মা) পরে আমার মরদেহ দেখতে চাইলে হাসপাতালের লোকজন বলেছিল, তারা আমার দেহ ফেলে দিয়েছে।’
জিমি লিপার্ট মায়ের ব্যাপারে আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, ‘আমরা কখনোই একে অপরকে জড়িয়ে ধরিনি, কখনোই আলিঙ্গন করিনি।’
জিমি লিপার্টের মায়ের নাম মারিয়া অ্যাঞ্জেলিকা গঞ্জালেজ। তিনি চিলির রাজধানী সান্তিয়াগো থেকে ৭৪০ কিলোমিটার দূরের ভালদিভিয়া নামে একটি এলাকায় বসবাস করেন। লিপার্ট মায়ের খোঁজে সেখানেই যান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও থেকে দেখা যায়, লিপার্ট এক হাতে ফুলের তোড়া নিয়ে মায়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। একপর্যায়ে মাকে আলিঙ্গন করতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন লিপার্ট।
জিমি লিপার্টের সঙ্গে তাঁর স্ত্রী ও দুই কন্যাও গিয়েছিলেন ভালদিভিয়ায়।
জিমি লিপার্টকে তাঁর মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিতে সবচেয়ে বেশি সহায়তা করেছে মানুষের ডিএনএ ট্রেসিং নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠান মাই হেরিটেজ এবং চিলির বেসরকারি প্রতিষ্ঠান নস বোসকামোস। এই প্রতিষ্ঠান পিনোশের ১৭ বছরে স্বৈরশাসনের সময় যেসব শিশু বাবা-মায়ের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল, তাদের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে সহায়তা করে। উল্লেখ্য, চিলিতে অগস্তো পিনোশের স্বৈরশাসন শেষ হয় ১৯৯০ সালে।
নস বোসকামোসের প্রতিষ্ঠাতা কনস্ত্যাঞ্জা দেল রিও নিজেও পিনোশের শাসনামলে হারিয়ে গিয়েছিলেন। নিজের প্রকৃত বাবা-মাকে ফিরে না পেয়ে তিনি প্রতিষ্ঠানটি শুরু করেন। যাত্রার পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি চার শতাধিক মানুষকে তাঁর পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে।
দেল রিও জিমি লিপার্টের মায়ের কাছে ফেরার বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, ‘এটি সেই স্বৈরশাসনের সময়ে হাজারো শিশু পাচারের ঘটনার মধ্যে একটি মাত্র। এসব শিশুকে মৃত বলে ঘোষণা করে ১০ থেকে ১৫ হাজার ডলারের বিনিময়ে বিক্রি করে দেওয়া হতো।’

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৩ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৩ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৬ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৬ ঘণ্টা আগে