
মিয়ানমারে ভয়াবহ ভূমিকম্পে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ৬৪৪ জনে পৌঁছেছে। প্রতিবেশী থাইল্যান্ডে নিহত হয়েছে অন্তত ১০ জন। এদিকে আজ শনিবার থেকে বিভিন্ন বিদেশি উদ্ধারকারী দলগুলোকে দেশটিতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় সহায়তাও দেওয়া শুরু হয়ে গেছে গৃহযুদ্ধে বিধ্বস্ত দেশটিতে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জান্তাপ্রধান সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাইং শনিবার ভূমিকম্পে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মান্দালয় শহর পরিদর্শন করেছেন। এ সময় তিনি উদ্ধার কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার নির্দেশ দেন।
ভূমিকম্পে নেপিডো ও মান্দালয় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় সেগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। নেপিডোর বিমানবন্দরের কন্ট্রোল টাওয়ার ধসে পড়েছে, ফলে সেটি এখন ব্যবহারের অনুপযোগী।
গৃহযুদ্ধে বিধ্বস্ত দেশটিতে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে প্রতিবেশী বিভিন্ন দেশ। চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং জান্তাপ্রধানের সঙ্গে ফোনালাপে ১৩ দশমিক ৭৭ মিলিয়ন ডলারের জরুরি সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এ ছাড়া ভারত, রাশিয়া, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর থেকেও ত্রাণসামগ্রী ও উদ্ধারকর্মীরা মিয়ানমারে পৌঁছেছেন।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার (ইউএসজিএস) পূর্বাভাস মডেলিং অনুমান করেছে, মিয়ানমারে মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে এবং ক্ষতির পরিমাণ দেশটির বার্ষিক অর্থনৈতিক উৎপাদনের (জিডিপি) চেয়ে বেশি হতে পারে। জান্তা সরকারের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, ভূমিকম্পে মিয়ানমারের রাস্তা, সেতু ও ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
আজ শনিবার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে জান্তা সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে বর্তমানে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান চলছে।’ চীনের একটি উদ্ধারকারী দল মিয়ানমারের বাণিজ্যিক রাজধানী ইয়াঙ্গুনে পৌঁছেছে, যা ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত শহর মান্দালয়।
তবে মান্দালয়ে এখনো বহু মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা রয়েছেন। পর্যাপ্ত উদ্ধার সরঞ্জামের অভাবে অনেককে উদ্ধার করা সম্ভব হচ্ছে না। একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ‘অনেক মানুষ আটকে আছে, কিন্তু সাহায্য আসছে না। আমাদের যথেষ্ট জনবল, যন্ত্রপাতি বা যানবাহন নেই।’
এই ভূমিকম্পের প্রভাবে ব্যাংককে একটি ৩৩ তলা ভবন ধসে পড়ে। সেখানে এখনো ৪৭ জন আটকা রয়েছেন বলে জানা গেছে। থাই উপপ্রধানমন্ত্রী আনুতিন চারনভিরাকুল জানান, ২৪ ঘণ্টা উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাওয়া হবে এবং সম্ভাব্য সব উপায় ব্যবহার করা হবে।

মিয়ানমারে ভয়াবহ ভূমিকম্পে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ৬৪৪ জনে পৌঁছেছে। প্রতিবেশী থাইল্যান্ডে নিহত হয়েছে অন্তত ১০ জন। এদিকে আজ শনিবার থেকে বিভিন্ন বিদেশি উদ্ধারকারী দলগুলোকে দেশটিতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় সহায়তাও দেওয়া শুরু হয়ে গেছে গৃহযুদ্ধে বিধ্বস্ত দেশটিতে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জান্তাপ্রধান সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাইং শনিবার ভূমিকম্পে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মান্দালয় শহর পরিদর্শন করেছেন। এ সময় তিনি উদ্ধার কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার নির্দেশ দেন।
ভূমিকম্পে নেপিডো ও মান্দালয় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় সেগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। নেপিডোর বিমানবন্দরের কন্ট্রোল টাওয়ার ধসে পড়েছে, ফলে সেটি এখন ব্যবহারের অনুপযোগী।
গৃহযুদ্ধে বিধ্বস্ত দেশটিতে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে প্রতিবেশী বিভিন্ন দেশ। চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং জান্তাপ্রধানের সঙ্গে ফোনালাপে ১৩ দশমিক ৭৭ মিলিয়ন ডলারের জরুরি সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এ ছাড়া ভারত, রাশিয়া, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর থেকেও ত্রাণসামগ্রী ও উদ্ধারকর্মীরা মিয়ানমারে পৌঁছেছেন।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার (ইউএসজিএস) পূর্বাভাস মডেলিং অনুমান করেছে, মিয়ানমারে মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে এবং ক্ষতির পরিমাণ দেশটির বার্ষিক অর্থনৈতিক উৎপাদনের (জিডিপি) চেয়ে বেশি হতে পারে। জান্তা সরকারের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, ভূমিকম্পে মিয়ানমারের রাস্তা, সেতু ও ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
আজ শনিবার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে জান্তা সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে বর্তমানে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান চলছে।’ চীনের একটি উদ্ধারকারী দল মিয়ানমারের বাণিজ্যিক রাজধানী ইয়াঙ্গুনে পৌঁছেছে, যা ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত শহর মান্দালয়।
তবে মান্দালয়ে এখনো বহু মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা রয়েছেন। পর্যাপ্ত উদ্ধার সরঞ্জামের অভাবে অনেককে উদ্ধার করা সম্ভব হচ্ছে না। একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ‘অনেক মানুষ আটকে আছে, কিন্তু সাহায্য আসছে না। আমাদের যথেষ্ট জনবল, যন্ত্রপাতি বা যানবাহন নেই।’
এই ভূমিকম্পের প্রভাবে ব্যাংককে একটি ৩৩ তলা ভবন ধসে পড়ে। সেখানে এখনো ৪৭ জন আটকা রয়েছেন বলে জানা গেছে। থাই উপপ্রধানমন্ত্রী আনুতিন চারনভিরাকুল জানান, ২৪ ঘণ্টা উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাওয়া হবে এবং সম্ভাব্য সব উপায় ব্যবহার করা হবে।

ইরানে গত রাতের দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলাকালে রাষ্ট্রীয় দমনপীড়ন ও সহিংসতার মাত্রা খুবই তীব্র ছিল বলে জানিয়েছে বিবিসি পারসিয়ান। বিভিন্ন শহর থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ সংস্থাটি বলছে, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অনেক বিক্ষোভকারী নিহত ও আহত হয়েছেন।
৮ ঘণ্টা আগে
দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় পর্যায়ে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে ইরান সরকার। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে ইরানের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, দেশের ‘বর্তমান পরিস্থিতির’ কারণে নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে এই ইন্টারনেট...
৮ ঘণ্টা আগে
কঠোর নিরাপত্তা অভিযান ও দমন–পীড়নের পরও শুক্রবার রাতে (১৩ তম দিন) আবারও ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে, শহরের বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসে সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৮ বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো। একই সঙ্গে নিহত হয়েছেন ১৪ নিরাপত্তা সদস্য; এমন তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ)।
৮ ঘণ্টা আগে