
রাশিয়ার তেল বিক্রির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা বিশ্বব্যাপী তেল সরবরাহে বড় রকমের ধাক্কা দিতে পারে। বিশ্ববাজারে রাশিয়ার তেল রপ্তানি বন্ধের যে সম্ভাব্য ক্ষতি তার প্রভাবকে কোনোভাবেই ছোট করে দেখা যাবে না বলে সতর্ক করেছে ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি (আইইএ)। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সিএনএন নিউজের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
আইইএ জানিয়েছে, ইউক্রেন আক্রমণের পর থেকে রাশিয়ার ওপর আরোপিত কঠোর নিষেধাজ্ঞার কারণে বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন দেশ ক্রমবর্ধমানহারে রাশিয়ার তেল ক্রয় বন্ধ করে দিয়েছে।
আইইএ তেলের বাজারের সর্বশেষ প্রতিবেদন বিশ্লেষণের বরাত দিয়ে বলেছে, ‘আমরা অনুমান করছি—আগামী এপ্রিল থেকে রাশিয়ার দৈনিক ৩০ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদনের নিষেধাজ্ঞার কারণে আটকে যাবে এবং এর ফলে তেল আমদানিকারক দেশগুলোর ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।’
আইইএ তাদের মূল্যায়নে আরও বলেছে, ‘ওপেক প্লাস (OPEC+—পেট্রোলিয়াম রপ্তানিকারক দেশগুলির সংস্থা) প্রতি মাসে পরিমিত পরিমাণে সরবরাহ বাড়ানোর চুক্তিতে অটল। কেবল সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের যথেষ্ট অতিরিক্ত সক্ষমতা রয়েছে রাশিয়ার তেলের ঘাটতি পূরণের।’
এ দিকে জ্বালানির ঊর্ধ্বমুখী দামের পরিপ্রেক্ষিতে ওপেকভুক্ত দেশগুলো তেলের উৎপাদন বাড়ানোর আহ্বান পেয়েছে। তবে প্রতিষ্ঠানটি সর্বশেষ বৈঠকে আগামী মাসগুলোতে প্রতিদিন মাত্র ৪ লাখ ব্যারেল উৎপাদন বৃদ্ধির পরিকল্পনায় অটল থাকার বিষয়য়ে মতামত দিয়েছে।’
আইইএ আরও জানিয়েছে, রাশিয়ার তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞার কারণে বিশ্বব্যাপী দ্রুত পণ্যের দাম বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে মারাত্মকভাবে হ্রাস করবে। প্রতিষ্ঠানটি আরও সতর্ক করেছে যে—রাশিয়ার তেলের অভাব বিশ্ব বাজারে বিগত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় সরবরাহ সংকটে তৈরি করতে পারে। ফলে, বিশ্ববাজারে রাশিয়ার তেল রপ্তানি বন্ধের যে সম্ভাব্য ক্ষতি তার প্রভাবকে কোনোভাবেই ছোট করে দেখা যাবে না।
উল্লেখ্য, রাশিয়া বিশ্বের বৃহত্তম তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর একটি। সারা বিশ্বে প্রতিদিন ৮০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত ও পরিশোধিত তেল পণ্য প্রেরণ করে।

রাশিয়ার তেল বিক্রির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা বিশ্বব্যাপী তেল সরবরাহে বড় রকমের ধাক্কা দিতে পারে। বিশ্ববাজারে রাশিয়ার তেল রপ্তানি বন্ধের যে সম্ভাব্য ক্ষতি তার প্রভাবকে কোনোভাবেই ছোট করে দেখা যাবে না বলে সতর্ক করেছে ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি (আইইএ)। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সিএনএন নিউজের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
আইইএ জানিয়েছে, ইউক্রেন আক্রমণের পর থেকে রাশিয়ার ওপর আরোপিত কঠোর নিষেধাজ্ঞার কারণে বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন দেশ ক্রমবর্ধমানহারে রাশিয়ার তেল ক্রয় বন্ধ করে দিয়েছে।
আইইএ তেলের বাজারের সর্বশেষ প্রতিবেদন বিশ্লেষণের বরাত দিয়ে বলেছে, ‘আমরা অনুমান করছি—আগামী এপ্রিল থেকে রাশিয়ার দৈনিক ৩০ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদনের নিষেধাজ্ঞার কারণে আটকে যাবে এবং এর ফলে তেল আমদানিকারক দেশগুলোর ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।’
আইইএ তাদের মূল্যায়নে আরও বলেছে, ‘ওপেক প্লাস (OPEC+—পেট্রোলিয়াম রপ্তানিকারক দেশগুলির সংস্থা) প্রতি মাসে পরিমিত পরিমাণে সরবরাহ বাড়ানোর চুক্তিতে অটল। কেবল সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের যথেষ্ট অতিরিক্ত সক্ষমতা রয়েছে রাশিয়ার তেলের ঘাটতি পূরণের।’
এ দিকে জ্বালানির ঊর্ধ্বমুখী দামের পরিপ্রেক্ষিতে ওপেকভুক্ত দেশগুলো তেলের উৎপাদন বাড়ানোর আহ্বান পেয়েছে। তবে প্রতিষ্ঠানটি সর্বশেষ বৈঠকে আগামী মাসগুলোতে প্রতিদিন মাত্র ৪ লাখ ব্যারেল উৎপাদন বৃদ্ধির পরিকল্পনায় অটল থাকার বিষয়য়ে মতামত দিয়েছে।’
আইইএ আরও জানিয়েছে, রাশিয়ার তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞার কারণে বিশ্বব্যাপী দ্রুত পণ্যের দাম বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে মারাত্মকভাবে হ্রাস করবে। প্রতিষ্ঠানটি আরও সতর্ক করেছে যে—রাশিয়ার তেলের অভাব বিশ্ব বাজারে বিগত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় সরবরাহ সংকটে তৈরি করতে পারে। ফলে, বিশ্ববাজারে রাশিয়ার তেল রপ্তানি বন্ধের যে সম্ভাব্য ক্ষতি তার প্রভাবকে কোনোভাবেই ছোট করে দেখা যাবে না।
উল্লেখ্য, রাশিয়া বিশ্বের বৃহত্তম তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর একটি। সারা বিশ্বে প্রতিদিন ৮০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত ও পরিশোধিত তেল পণ্য প্রেরণ করে।

ইন্টারনেট সেন্সরশিপ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ফিল্টারওয়াচের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখন থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার আর সাধারণ নাগরিক অধিকার নয়, বরং সরকারের দেওয়া ‘বিশেষ সুযোগ’ হিসেবে গণ্য হবে। ফিল্টারওয়াচের প্রধান আমির রাশিদি জানান, নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, যাঁদের নিরাপত্তা ছাড়পত্র আছে বা যাঁরা সরকারি যাচাই
৮ ঘণ্টা আগে
গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনায় বাধা দেওয়ায় ইউরোপের আটটি দেশের ওপর শুল্কের খড়্গ চালিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ডেনমার্কসহ উত্তর ইউরোপ ও পশ্চিম ইউরোপের আটটি দেশের ওপর ১০ শতাংশ আমদানি শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
৮ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের কয়েক মাস আগেই দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেলোর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। অভিযানের পরও এই যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক ব্যক্তি।
১১ ঘণ্টা আগে
আল-জাজিরার তেহরান প্রতিনিধি রেসুল সেরদার জানান, খামেনির বক্তব্যে আগের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত হলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন তথ্য উঠে এসেছে। সেটা হলো, প্রাণহানির সংখ্যা। তিনি বলেন, ‘এই প্রথম খামেনি নিহতের সংখ্যা নিয়ে ইঙ্গিত দিলেন। তিনি বলেছেন, সহিংস বিক্ষোভকারীরা হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
১২ ঘণ্টা আগে