আজকের পত্রিকা ডেস্ক

মার্কিন শুল্ক নিয়ে চাপে আছে ভারত। তবে এর মধ্যেও ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতায় একটি বড় অগ্রগতি হতে যাচ্ছে। দেশ দুটি প্রায় ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি চুক্তি চূড়ান্ত করার পথে রয়েছে।
মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, এই চুক্তির আওতায় ৯৭টি তেজস যুদ্ধবিমানের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ১১৩টি ‘জিই-৪০৪’ ইঞ্জিন পাবে ভারত। এর আগে ৮৩টি তেজসের জন্য ৯৯টি ইঞ্জিন সরবরাহের চুক্তি ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছিল। নতুন চুক্তিটি ভারতের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদন ও সরবরাহকে নিরবচ্ছিন্ন রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ভারতীয় প্রতিরক্ষা সূত্র জানিয়েছে, আলোচনাগুলো প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের মধ্যেই চুক্তি স্বাক্ষর হতে পারে। এর ফলে হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেডের (এইচএএল) পর্যাপ্ত ইঞ্জিন প্রাপ্তি নিশ্চিত হবে এবং দেশীয়ভাবে নির্মিত তেজস বিমানের উৎপাদনে কোনো ধরনের দেরি হবে না।
পরিকল্পনা অনুযায়ী—প্রথম ধাপে ৮৩টি বিমান ২০২৯-৩০ সালের মধ্যে তৈরি হবে এবং পরবর্তী ৯৭টি বিমান ২০৩৩-৩৪ সালের মধ্যে ভারতীয় বিমানবাহিনীর হাতে যাবে। মার্কিন কোম্পানি ‘জি-ই’ মাসে গড়ে দুটি করে ইঞ্জিন সরবরাহ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এমন এক সময়ে এই অগ্রগতি ঘটছে যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনাকে কেন্দ্র করে ভারতের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন। আবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিদ্বন্দ্বী চীনের সঙ্গে ভারতের কৌশলগত সুসম্পর্কও গড়ে উঠছে। নতুন এই ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেও যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার হচ্ছে।
এর পাশাপাশি, হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (এইচএএল) আরও একটি বড় চুক্তির বিষয়ে জিই-এর সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে। প্রায় ১.৫ বিলিয়ন ডলারের ওই প্রকল্পে ২০০টি জিই-৪১৪ ইঞ্জিন কেনা হবে, যা ভবিষ্যতে আরও আধুনিক যুদ্ধবিমান তৈরিতে ব্যবহার করা হবে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এই চুক্তিতে ৮০ শতাংশ প্রযুক্তি হস্তান্তর অন্তর্ভুক্ত থাকবে, যা ভারতের প্রতিরক্ষা শিল্পে আত্মনির্ভরতার পথে বড় পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ভারতীয় বিমানবাহিনী তাদের পুরোনো মিগ-২১ বহর পর্যায়ক্রমে অবসরে পাঠাবে। একই সঙ্গে ফরাসি সংস্থা সাফরানের সঙ্গে ভারত একটি দেশীয় যুদ্ধবিমান ইঞ্জিন উন্নয়ন প্রকল্পেও কাজ করছে, যা দেশটির ভবিষ্যৎ প্রতিরক্ষা শক্তিকে আরও শক্তিশালী করবে।

মার্কিন শুল্ক নিয়ে চাপে আছে ভারত। তবে এর মধ্যেও ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতায় একটি বড় অগ্রগতি হতে যাচ্ছে। দেশ দুটি প্রায় ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি চুক্তি চূড়ান্ত করার পথে রয়েছে।
মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, এই চুক্তির আওতায় ৯৭টি তেজস যুদ্ধবিমানের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ১১৩টি ‘জিই-৪০৪’ ইঞ্জিন পাবে ভারত। এর আগে ৮৩টি তেজসের জন্য ৯৯টি ইঞ্জিন সরবরাহের চুক্তি ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছিল। নতুন চুক্তিটি ভারতের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদন ও সরবরাহকে নিরবচ্ছিন্ন রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ভারতীয় প্রতিরক্ষা সূত্র জানিয়েছে, আলোচনাগুলো প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের মধ্যেই চুক্তি স্বাক্ষর হতে পারে। এর ফলে হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেডের (এইচএএল) পর্যাপ্ত ইঞ্জিন প্রাপ্তি নিশ্চিত হবে এবং দেশীয়ভাবে নির্মিত তেজস বিমানের উৎপাদনে কোনো ধরনের দেরি হবে না।
পরিকল্পনা অনুযায়ী—প্রথম ধাপে ৮৩টি বিমান ২০২৯-৩০ সালের মধ্যে তৈরি হবে এবং পরবর্তী ৯৭টি বিমান ২০৩৩-৩৪ সালের মধ্যে ভারতীয় বিমানবাহিনীর হাতে যাবে। মার্কিন কোম্পানি ‘জি-ই’ মাসে গড়ে দুটি করে ইঞ্জিন সরবরাহ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এমন এক সময়ে এই অগ্রগতি ঘটছে যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনাকে কেন্দ্র করে ভারতের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন। আবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিদ্বন্দ্বী চীনের সঙ্গে ভারতের কৌশলগত সুসম্পর্কও গড়ে উঠছে। নতুন এই ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেও যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার হচ্ছে।
এর পাশাপাশি, হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (এইচএএল) আরও একটি বড় চুক্তির বিষয়ে জিই-এর সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে। প্রায় ১.৫ বিলিয়ন ডলারের ওই প্রকল্পে ২০০টি জিই-৪১৪ ইঞ্জিন কেনা হবে, যা ভবিষ্যতে আরও আধুনিক যুদ্ধবিমান তৈরিতে ব্যবহার করা হবে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এই চুক্তিতে ৮০ শতাংশ প্রযুক্তি হস্তান্তর অন্তর্ভুক্ত থাকবে, যা ভারতের প্রতিরক্ষা শিল্পে আত্মনির্ভরতার পথে বড় পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ভারতীয় বিমানবাহিনী তাদের পুরোনো মিগ-২১ বহর পর্যায়ক্রমে অবসরে পাঠাবে। একই সঙ্গে ফরাসি সংস্থা সাফরানের সঙ্গে ভারত একটি দেশীয় যুদ্ধবিমান ইঞ্জিন উন্নয়ন প্রকল্পেও কাজ করছে, যা দেশটির ভবিষ্যৎ প্রতিরক্ষা শক্তিকে আরও শক্তিশালী করবে।

গাজায় ইসরায়েলের চালানো গণহত্যামূলক যুদ্ধ বন্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ হিসেবে ট্রাম্প প্রথম এই বোর্ডের কথা প্রকাশ করেন। সে সময় তিনি বলেছিলেন, এই সংস্থাটি গাজায় ‘শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলা, আঞ্চলিক সম্পর্ক উন্নয়ন, পুনর্গঠন, বিনিয়োগ আকর্ষণ, বৃহৎ তহবিল সংগ্রহ এবং মূলধন ব্যবস্থাপনা’ তদারকি করবে।
১১ মিনিট আগে
গাজায় প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের জন্য গঠিত নতুন ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট কমিটি শান্তি, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার অর্জনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এমনটি বলা হয়েছে কমিটির শীর্ষ কর্মকর্তা ড. আলী শাথ প্রকাশিত এক মিশন স্টেটমেন্টে।
২ ঘণ্টা আগে
হোয়াইট হাউস গাজা শাসনে প্রস্তাবিত ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পরিষদের সদস্যদের নাম প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে গাজার শাসনের জন্য জাতীয় কমিটি ন্যাশনাল কমিটি ফর দ্য অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব গাজার (এনসিএজি) সদস্যদের নামও ঘোষণা করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
গাজা শান্তি পরিকল্পনার অর্থাৎ,শান্তি পরিকল্পনার অর্থাৎ, যুদ্ধবিরতির পাশাপাশি অঞ্চলটির পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার ‘দ্বিতীয় ধাপ’ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে ইসরায়েল। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা এই প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর আপত্তিতে কান দিচ্ছেন না।
২ ঘণ্টা আগে