
যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ইউক্রেনের রাশিয়ার অভ্যন্তরে চালানো হামলার বিষয়টিকে পাগলামি বলে অভিহিত করেছেন নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। টাইম ম্যাগাজিনে প্রকাশিত ‘পারসন অব দ্য ইয়ার’ সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন। ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি ‘দৃঢ়ভাবে’ এই বিষয়ে দ্বিমত পোষণ করেন। এ ছাড়া, তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে—রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধ সংক্রান্ত মার্কিন নীতিতে নাটকীয় পরিবর্তন আসতে পারে।
মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে রাশিয়ার অভ্যন্তরে ইউক্রেনের হামলার বিষয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘যা ঘটছে তা পাগলামি, অবশ্যই পাগলামি। আমি শত শত মাইল দূরে রাশিয়ায় ক্ষেপণাস্ত্র পাঠানোর বিষয়ে দৃঢ়ভাবে দ্বিমত পোষণ করি। আমরা (যুক্তরাষ্ট্র) এটা কেন করছি? আমরা এই যুদ্ধকে শুধু বাড়িয়ে তুলছি এবং পরিস্থিতি আরও খারাপ করছি। এটি কখনোই অনুমোদিত হওয়া উচিত ছিল না।’
এর আগে, যুক্তরাষ্ট্রের বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইউক্রেনের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়ে রাশিয়ার অভ্যন্তরে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলার অনুমতি দেন। মূলত তাঁর সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেই এই মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প। তবে বাইডেন প্রশাসনের দাবি, রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেনের রণক্ষেত্রে উত্তর কোরিয়ার সেনার উপস্থিতির প্রতিক্রিয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ট্রাম্প বাইডেনের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করলেও বলেছেন, তিনি মাঝ পথে ইউক্রেনকে ‘ছেড়ে’ যাবেন না। তিনি বলেন, ‘আমি একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে চাই এবং সমঝোতায় পৌঁছানোর একমাত্র উপায় হলো (ইউক্রেনকে) পরিত্যাগ না করা। সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান, তিনি রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যে চলমান যুদ্ধের দ্রুত সমাধান চান এবং জানান, তাঁর কাছে খুব ভালো একটি পরিকল্পনা আছে। তবে সেটি তিনি এখনই প্রকাশ করতে চান না
নবনির্বাচিত বলেন, ‘আমার মনে হয়, এই সমস্যার সমাধানে আমার একটি খুব ভালো পরিকল্পনা আছে, কিন্তু আমি যদি এই পরিকল্পনা প্রকাশ করতে শুরু করি, তাহলে এটি প্রায় মূল্যহীন হয়ে যাবে।’ তবে ইউক্রেনের আশঙ্কা, যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার পরিকল্পনা মূলত মস্কোর শর্তেই হতে পারে।
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেছেন, এই সংঘর্ষে প্রাণহানির সংখ্যাকে ‘হৃদয়বিদারক’ উল্লেখ করে বলেন, ‘আমি উভয় পক্ষের কথা বলছি। এই সংঘাত যত দ্রুত শেষ করা যায় এটি উভয় পক্ষের জন্যই সুবিধা।’
এদিকে, ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর ব্যাপক হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। বৃহস্পতিবার রাতে চালানো এসব হামলায় দেশটির অধিকাংশ জ্বালানি অবকাঠামো প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে। যার ফলে দেশজুড়ে অসংখ্য মানুষ বিদ্যুৎহীন অবস্থায় রয়েছে।
ইউক্রেনের জ্বালানিমন্ত্রী হেরমান হালুশচেনকো এক ফেসবুক পোস্টে বলেন, ‘শত্রুরা তাদের আক্রমণ অব্যাহত রেখেছে। আবারও পুরো ইউক্রেনের জ্বালানি খাত ব্যাপক হামলার শিকার।’ তবে ক্ষয়ক্ষতির সম্পূর্ণ পরিমাণ এখনো নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। হালুশচেনকো সাধারণ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ইউক্রেনের রাশিয়ার অভ্যন্তরে চালানো হামলার বিষয়টিকে পাগলামি বলে অভিহিত করেছেন নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। টাইম ম্যাগাজিনে প্রকাশিত ‘পারসন অব দ্য ইয়ার’ সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন। ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি ‘দৃঢ়ভাবে’ এই বিষয়ে দ্বিমত পোষণ করেন। এ ছাড়া, তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে—রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধ সংক্রান্ত মার্কিন নীতিতে নাটকীয় পরিবর্তন আসতে পারে।
মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে রাশিয়ার অভ্যন্তরে ইউক্রেনের হামলার বিষয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘যা ঘটছে তা পাগলামি, অবশ্যই পাগলামি। আমি শত শত মাইল দূরে রাশিয়ায় ক্ষেপণাস্ত্র পাঠানোর বিষয়ে দৃঢ়ভাবে দ্বিমত পোষণ করি। আমরা (যুক্তরাষ্ট্র) এটা কেন করছি? আমরা এই যুদ্ধকে শুধু বাড়িয়ে তুলছি এবং পরিস্থিতি আরও খারাপ করছি। এটি কখনোই অনুমোদিত হওয়া উচিত ছিল না।’
এর আগে, যুক্তরাষ্ট্রের বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইউক্রেনের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়ে রাশিয়ার অভ্যন্তরে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলার অনুমতি দেন। মূলত তাঁর সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেই এই মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প। তবে বাইডেন প্রশাসনের দাবি, রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেনের রণক্ষেত্রে উত্তর কোরিয়ার সেনার উপস্থিতির প্রতিক্রিয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ট্রাম্প বাইডেনের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করলেও বলেছেন, তিনি মাঝ পথে ইউক্রেনকে ‘ছেড়ে’ যাবেন না। তিনি বলেন, ‘আমি একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে চাই এবং সমঝোতায় পৌঁছানোর একমাত্র উপায় হলো (ইউক্রেনকে) পরিত্যাগ না করা। সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান, তিনি রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যে চলমান যুদ্ধের দ্রুত সমাধান চান এবং জানান, তাঁর কাছে খুব ভালো একটি পরিকল্পনা আছে। তবে সেটি তিনি এখনই প্রকাশ করতে চান না
নবনির্বাচিত বলেন, ‘আমার মনে হয়, এই সমস্যার সমাধানে আমার একটি খুব ভালো পরিকল্পনা আছে, কিন্তু আমি যদি এই পরিকল্পনা প্রকাশ করতে শুরু করি, তাহলে এটি প্রায় মূল্যহীন হয়ে যাবে।’ তবে ইউক্রেনের আশঙ্কা, যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার পরিকল্পনা মূলত মস্কোর শর্তেই হতে পারে।
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেছেন, এই সংঘর্ষে প্রাণহানির সংখ্যাকে ‘হৃদয়বিদারক’ উল্লেখ করে বলেন, ‘আমি উভয় পক্ষের কথা বলছি। এই সংঘাত যত দ্রুত শেষ করা যায় এটি উভয় পক্ষের জন্যই সুবিধা।’
এদিকে, ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর ব্যাপক হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। বৃহস্পতিবার রাতে চালানো এসব হামলায় দেশটির অধিকাংশ জ্বালানি অবকাঠামো প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে। যার ফলে দেশজুড়ে অসংখ্য মানুষ বিদ্যুৎহীন অবস্থায় রয়েছে।
ইউক্রেনের জ্বালানিমন্ত্রী হেরমান হালুশচেনকো এক ফেসবুক পোস্টে বলেন, ‘শত্রুরা তাদের আক্রমণ অব্যাহত রেখেছে। আবারও পুরো ইউক্রেনের জ্বালানি খাত ব্যাপক হামলার শিকার।’ তবে ক্ষয়ক্ষতির সম্পূর্ণ পরিমাণ এখনো নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। হালুশচেনকো সাধারণ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

১৯৭০-এর দশকে বিশ্বজুড়ে বাড়তে থাকা সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলার জন্য একটি বিশেষায়িত ইউনিটের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে পেন্টাগন। ভিয়েতনাম যুদ্ধের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কর্নেল চার্লস বেকউইথ ব্রিটিশ বিশেষ বাহিনী ‘এসএএস’-এর আদলে ১৯৭৭ সালে এই ডেল্টা ফোর্স গঠন করেন। উত্তর ক্যারোলিনার ফোর্ট ব্র্যাগে এর প্রধান কার্যালয়।
৩৮ মিনিট আগে
ভেনেজুয়েলায় বড় ধরনের সামরিক আগ্রাসন চালিয়ে প্রেসিডেন্ট মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এটি সত্য হলে সবার দৃষ্টি নিবদ্ধ হবে একটি প্রশ্নে— ভেনেজুয়েলার শাসনভার এখন কার হাতে।
১ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘সরাসরি সশস্ত্র আগ্রাসনের’ তীব্র নিন্দা জানিয়েছে রাশিয়া। আজ শনিবার (৩ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশে মাদুরোকে অপহরণ করে দেশ থেকে সরিয়ে নেওয়ার ঘটনাটি একটি স্বাধীন দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর...
৩ ঘণ্টা আগে
নজিরবিহীন সামরিক আগ্রাসন চালিয়ে স্ত্রীসহ প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ভেনেজুয়েলা থেকে তুলে নেওয়ার পর তাকে মাদক ও অস্ত্রের মামলায় অভিযুক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের আদালত। আজ শনিবার নিউইয়র্কের সাদার্ন ডিস্ট্রিক্ট আদালতে তাকে অভিযুক্ত করা হয় বলে জানান মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল প্যাম বন্ডি।
৩ ঘণ্টা আগে