
ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি-মার্কিন যুদ্ধ এবং সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার পর, কুয়েতে মার্কিন দূতাবাস পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কার্যক্রম স্থগিত করেছে।
এক বিবৃতিতে দূতাবাস বলেছে, ‘চলমান আঞ্চলিক উত্তেজনার কারণে, কুয়েতে মার্কিন দূতাবাস পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। আমরা সব নিয়মিত এবং জরুরি কনস্যুলার অ্যাপয়েন্টমেন্ট বাতিল করেছি। দূতাবাস স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরে এলে আমরা যোগাযোগ করব।’
ইরানের সঙ্গে মার্কিন সংঘর্ষের সঙ্গে সম্পর্কিত ক্রমবর্ধমান হতাহতের ঘটনা এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিপ্রেক্ষিতে দূতাবাস বন্ধের এই ঘোষণা এল। আমেরিকান কর্মকর্তাদের মতে, ইরানের হামলায় কমপক্ষে ছয়জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন।
এদিকে গতকাল সোমবার কুয়েতে তিনটি মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। মার্কিন সেনাবাহিনী এটিকে ‘আপাতদৃষ্টিতে ফ্রেন্ডলি ফায়ারের ঘটনা’ বলে বর্ণনা করেছে। কাতারের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভুলবশত মার্কিন বিমান ভূপাতিত করেছে বলে তারা দাবি করেছে। এই ঘটনা পরিস্থিতির অস্থিরতাকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।
অপরদিকে কানাডার সৌদি আরব মিশনের বরাত দিয়ে আল জাজিরা জানিয়েছে, বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে আজ দূতাবাস বন্ধ করা হয়েছে। তারা আরও বলেছে, ৬ মার্চ, শুক্রবার পর্যন্ত সমস্ত ব্যক্তিগত অ্যাপয়েন্টমেন্ট বাতিল করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার ভোরে রিয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসে দুটি ড্রোন হামলার পর এমন সিদ্ধান্ত নিল কানাডা। এই হামলায় দূতাবাস প্রাঙ্গণে আগুন ধরে গেলে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের হামলার জবাবে ইসরায়েলসহ মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ইরানি হামরা তীব্র হতে থাকায় সৌদি আরব ও কাতারসহ এক ডজনের বেশি দেশ থেকে সব মার্কিন নাগরিককে অবিলম্বে সরে যেতে আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর।
১ ঘণ্টা আগে
ইরান বৈশ্বিক তেল রপ্তানির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে। তবে তার আগে থেকেই এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বজুড়ে তেল পরিবহন প্রায় স্থবির হয়ে পড়ে। এই জলপথ হয়ে স্বাভাবিক পূর্ব–পশ্চিমমুখী অপরিশোধিত তেল পরিবহনের প্রায় ৮৬ শতাংশই থমকে গেছে।
২ ঘণ্টা আগে
সৌদি আরবের আরামকো তেল স্থাপনাগুলোতে যে হামলা হয়েছে, তা ইসরায়েলিরাই চালিয়েছে এবং এটি একটি ‘ফলস ফ্ল্যাগ’ অভিযান। অর্থাৎ এই অপারেশন এমনভাবে সাজানো হয়েছে, যাতে হামলাকারীরা আড়ালে থাকবে এবং দায় হবে অন্য পক্ষের। এমনটি দাবি করেছেন এই বিষয়ে অবহিত এক ইরানি সামরিক সূত্র।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানের বিরুদ্ধে দেশটির সংখ্যালঘু কুর্দি জাতিগোষ্ঠী এবং ইরাকি কুর্দিদের ব্যবহার করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এমনকি কুর্দি শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে আলাপও করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর এই আলাপের পেছনে রয়েছে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর চাপ।
২ ঘণ্টা আগে