আজকের পত্রিকা ডেস্ক

পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নাকভি দাবি করেছেন, কিছুদিন আগে হয়ে যাওয়া ভারত-পাকিস্তানের ৪ দিনের যুদ্ধে ভারতের ৬টি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করা হয়েছে। তাঁর ভাষ্যমতে, এ ঘটনার ভিডিও প্রমাণ পাকিস্তানের হাতে রয়েছে। তবে এখনো পর্যন্ত কোনো প্রমাণ প্রকাশ করেনি ইসলামাবাদ।
গতকাল রোববার লাহোরে এক সেমিনারে বক্তব্য দেন নাকভি। সেখানে তিনি দুই দেশের সামরিক সংঘাত নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বলেন, পাকিস্তানি সেনারা ভারতের পরিকল্পনা আগে থেকেই জেনে ফেলেছিল এবং সেই অনুযায়ী প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল। তাঁর দাবি, ‘আমাদের কাছে ছয়টি ভারতীয় যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার ভিডিও আছে। রাডার ডেটাও তা নিশ্চিত করেছে।’
এ সময় তিনি পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থার ভূমিকার প্রশংসা করে নাকভি বলেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছে আমাদের গোয়েন্দারা। তাদের স্বীকৃতি দেওয়া প্রয়োজন।’ তবে যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার প্রমাণ হিসেবে কোনো ছবি বা ভিডিও তিনি উপস্থাপন করেননি।
তবে, এ ধরনের দাবি নতুন নয়। এর আগে পাকিস্তান একাধিকবার যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার কথা বলেছে। তবে ভারত তা সরাসরি নাকচ করেছে। গত ৩১ মে সিঙ্গাপুরে এক অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিরক্ষা প্রধান জেনারেল অনিল চৌহান বলেন, পাকিস্তানের দাবি ‘সম্পূর্ণ ভুল।’ তাঁর ভাষ্য, ‘রাফালসহ কোনো ভারতীয় যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়নি।’
পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও দাবি করেন, সংঘর্ষের সময় পাকিস্তান ভারতের একটি তেল ডিপো ধ্বংস করেছে। তবে ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র পাকিস্তানের কোনো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় আঘাত হানতে পারেনি। নাকভির ভাষ্যমতে, ‘ভারত কী পরিকল্পনা করছে, কোন যুদ্ধবিমান ব্যবহার করবে—সব আমরা আগে থেকেই জানতাম।’
প্রসঙ্গত, প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই সম্পর্ক তিক্ত। তবে ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে জম্মু-কাশ্মীরের পেহেলগামে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার পর পরিস্থিতি নতুন মোড় নেয়। হামলার সঙ্গে পাকিস্তানের যোগসূত্র আছে দাবি করে ভারত ‘অপারেশন সিঁদুর’ শুরু করে। এর জেরেই সীমান্তে সামরিক সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুই দেশ।
তথ্যসূত্র: এক্সপ্রেস ট্রিবিউন

পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নাকভি দাবি করেছেন, কিছুদিন আগে হয়ে যাওয়া ভারত-পাকিস্তানের ৪ দিনের যুদ্ধে ভারতের ৬টি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করা হয়েছে। তাঁর ভাষ্যমতে, এ ঘটনার ভিডিও প্রমাণ পাকিস্তানের হাতে রয়েছে। তবে এখনো পর্যন্ত কোনো প্রমাণ প্রকাশ করেনি ইসলামাবাদ।
গতকাল রোববার লাহোরে এক সেমিনারে বক্তব্য দেন নাকভি। সেখানে তিনি দুই দেশের সামরিক সংঘাত নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বলেন, পাকিস্তানি সেনারা ভারতের পরিকল্পনা আগে থেকেই জেনে ফেলেছিল এবং সেই অনুযায়ী প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল। তাঁর দাবি, ‘আমাদের কাছে ছয়টি ভারতীয় যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার ভিডিও আছে। রাডার ডেটাও তা নিশ্চিত করেছে।’
এ সময় তিনি পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থার ভূমিকার প্রশংসা করে নাকভি বলেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছে আমাদের গোয়েন্দারা। তাদের স্বীকৃতি দেওয়া প্রয়োজন।’ তবে যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার প্রমাণ হিসেবে কোনো ছবি বা ভিডিও তিনি উপস্থাপন করেননি।
তবে, এ ধরনের দাবি নতুন নয়। এর আগে পাকিস্তান একাধিকবার যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার কথা বলেছে। তবে ভারত তা সরাসরি নাকচ করেছে। গত ৩১ মে সিঙ্গাপুরে এক অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিরক্ষা প্রধান জেনারেল অনিল চৌহান বলেন, পাকিস্তানের দাবি ‘সম্পূর্ণ ভুল।’ তাঁর ভাষ্য, ‘রাফালসহ কোনো ভারতীয় যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়নি।’
পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও দাবি করেন, সংঘর্ষের সময় পাকিস্তান ভারতের একটি তেল ডিপো ধ্বংস করেছে। তবে ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র পাকিস্তানের কোনো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় আঘাত হানতে পারেনি। নাকভির ভাষ্যমতে, ‘ভারত কী পরিকল্পনা করছে, কোন যুদ্ধবিমান ব্যবহার করবে—সব আমরা আগে থেকেই জানতাম।’
প্রসঙ্গত, প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই সম্পর্ক তিক্ত। তবে ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে জম্মু-কাশ্মীরের পেহেলগামে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার পর পরিস্থিতি নতুন মোড় নেয়। হামলার সঙ্গে পাকিস্তানের যোগসূত্র আছে দাবি করে ভারত ‘অপারেশন সিঁদুর’ শুরু করে। এর জেরেই সীমান্তে সামরিক সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুই দেশ।
তথ্যসূত্র: এক্সপ্রেস ট্রিবিউন

চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
২১ মিনিট আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৩৯ মিনিট আগে
চলতি মাসের শুরুতে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের পক্ষ থেকে মসজিদসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে চার পাতার একটি ফরম বিতরণ করা হয়। এর শিরোনাম ছিল—‘মসজিদের প্রোফাইলিং’। কিন্তু ভারত সরকারের এই উদ্যোগ কাশ্মীরের মুসলিম-অধ্যুষিত অঞ্চলগুলোর মানুষের মধ্যে তৈরি করেছে একধরনের উদ্বেগ।
১ ঘণ্টা আগে
ভারতে ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় এবার নজিরবিহীন বিতর্কের সৃষ্টি হলো। খোদ নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর প্রপৌত্র (নাতির ছেলে) চন্দ্র বসুকে নাগরিকত্বের প্রমাণ যাচাইয়ের জন্য ‘এসআইআর’ শুনানিতে তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। এই নোটিস পাওয়া মাত্রই তীব্র বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাবেক এই বিজেপি নেতা।
৪ ঘণ্টা আগে