
ভারতের তামিলনাড়ুতে এক বাংলাদেশি যুবক গ্রেপ্তার হয়েছেন। তাঁর নাম সঞ্জয় চন্দ্র বর্মণ। অবৈধভাবে তিরুপ্পুরে বসবাসের অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাঁকে গত শুক্রবার পুজহাল কারাগারে পাঠানো হয়। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুর প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
তামিলনাড়ুর তিরুপ্পুর জেলার ভেলামপালায়ম-১৫ থানার পুলিশ সঞ্জয় চন্দ্র বর্মণের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছে। পুলিশ তাঁকে আথুপালায়মের একটি বাড়িতে খুঁজে বের করে। যেখানে তিনি ৪ দিন আগে স্থানান্তরিত হয়েছিলেন এবং ভেলামপালায়মের একটি পোশাক কারখানায় কাজের জন্য যোগ দিয়েছিলেন।
পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে সঞ্জয় চন্দ্র স্বীকার করেন, তিনি বিগত ১৩ বছর ধরে তিনি ভারতের বিভিন্ন স্থানে বসবাস করেছেন। গুজরাট পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, আসাম পুলিশ দীর্ঘদিন ধরে তাঁকে অনুসরণ করছিল। পুলিশের অভিযোগ, তাঁর সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের একটি নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্যদের যোগাযোগ ছিল।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে পুলিশের সূত্রের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, সঞ্জয় চন্দ্র বর্মণের বয়স ২৮ বছর। তিনি বাংলাদেশে ময়মনসিংহ জেলার বাসিন্দা। তিনি তিরুপ্পুরে একটি রপ্তানিমুখী পোশাক কারখানায় কাজ করছিলেন। সেখানে একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
তামিলনাড়ু সরকারের একটি সূত্রের বরাত দিয়ে টাইমস অব ইন্ডিয়া বলেছে, ভেলামপালায়ম পুলিশের ইন্সপেক্টর কে প্রেমা এবং তাঁর দল তামিলনাড়ুতে সঞ্জয়ের অবৈধভাবে অবস্থানের বিষয়ে জানতে পারার পর অভিযান পরিচালনা করে তাঁকে আটক করে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্র বলেছেন, ‘প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, বর্মণ পশ্চিমবঙ্গ হয়ে ভারতে অনুপ্রবেশ করেছিল এবং জাল নথি জমা দিয়ে একটি আধার কার্ডও হাসিল করেছিল। তিনি পশ্চিমবঙ্গের ঠিকানাসহ একটি প্যান কার্ডও পেয়েছিলেন। কয়েক মাস আগে সে তিরুপ্পুরে চলে আসে এবং কাছের আথুপালায়মে একটি ভাড়া রুম নিয়ে থাকতে শুরু করে।’

ভারতের তামিলনাড়ুতে এক বাংলাদেশি যুবক গ্রেপ্তার হয়েছেন। তাঁর নাম সঞ্জয় চন্দ্র বর্মণ। অবৈধভাবে তিরুপ্পুরে বসবাসের অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাঁকে গত শুক্রবার পুজহাল কারাগারে পাঠানো হয়। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুর প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
তামিলনাড়ুর তিরুপ্পুর জেলার ভেলামপালায়ম-১৫ থানার পুলিশ সঞ্জয় চন্দ্র বর্মণের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছে। পুলিশ তাঁকে আথুপালায়মের একটি বাড়িতে খুঁজে বের করে। যেখানে তিনি ৪ দিন আগে স্থানান্তরিত হয়েছিলেন এবং ভেলামপালায়মের একটি পোশাক কারখানায় কাজের জন্য যোগ দিয়েছিলেন।
পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে সঞ্জয় চন্দ্র স্বীকার করেন, তিনি বিগত ১৩ বছর ধরে তিনি ভারতের বিভিন্ন স্থানে বসবাস করেছেন। গুজরাট পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, আসাম পুলিশ দীর্ঘদিন ধরে তাঁকে অনুসরণ করছিল। পুলিশের অভিযোগ, তাঁর সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের একটি নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্যদের যোগাযোগ ছিল।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে পুলিশের সূত্রের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, সঞ্জয় চন্দ্র বর্মণের বয়স ২৮ বছর। তিনি বাংলাদেশে ময়মনসিংহ জেলার বাসিন্দা। তিনি তিরুপ্পুরে একটি রপ্তানিমুখী পোশাক কারখানায় কাজ করছিলেন। সেখানে একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
তামিলনাড়ু সরকারের একটি সূত্রের বরাত দিয়ে টাইমস অব ইন্ডিয়া বলেছে, ভেলামপালায়ম পুলিশের ইন্সপেক্টর কে প্রেমা এবং তাঁর দল তামিলনাড়ুতে সঞ্জয়ের অবৈধভাবে অবস্থানের বিষয়ে জানতে পারার পর অভিযান পরিচালনা করে তাঁকে আটক করে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্র বলেছেন, ‘প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, বর্মণ পশ্চিমবঙ্গ হয়ে ভারতে অনুপ্রবেশ করেছিল এবং জাল নথি জমা দিয়ে একটি আধার কার্ডও হাসিল করেছিল। তিনি পশ্চিমবঙ্গের ঠিকানাসহ একটি প্যান কার্ডও পেয়েছিলেন। কয়েক মাস আগে সে তিরুপ্পুরে চলে আসে এবং কাছের আথুপালায়মে একটি ভাড়া রুম নিয়ে থাকতে শুরু করে।’

গাজায় ইসরায়েলের চালানো গণহত্যামূলক যুদ্ধ বন্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ হিসেবে ট্রাম্প প্রথম এই বোর্ডের কথা প্রকাশ করেন। সে সময় তিনি বলেছিলেন, এই সংস্থাটি গাজায় ‘শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলা, আঞ্চলিক সম্পর্ক উন্নয়ন, পুনর্গঠন, বিনিয়োগ আকর্ষণ, বৃহৎ তহবিল সংগ্রহ এবং মূলধন ব্যবস্থাপনা’ তদারকি করবে।
১১ মিনিট আগে
গাজায় প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের জন্য গঠিত নতুন ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট কমিটি শান্তি, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার অর্জনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এমনটি বলা হয়েছে কমিটির শীর্ষ কর্মকর্তা ড. আলী শাথ প্রকাশিত এক মিশন স্টেটমেন্টে।
২ ঘণ্টা আগে
হোয়াইট হাউস গাজা শাসনে প্রস্তাবিত ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পরিষদের সদস্যদের নাম প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে গাজার শাসনের জন্য জাতীয় কমিটি ন্যাশনাল কমিটি ফর দ্য অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব গাজার (এনসিএজি) সদস্যদের নামও ঘোষণা করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
গাজা শান্তি পরিকল্পনার অর্থাৎ,শান্তি পরিকল্পনার অর্থাৎ, যুদ্ধবিরতির পাশাপাশি অঞ্চলটির পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার ‘দ্বিতীয় ধাপ’ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে ইসরায়েল। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা এই প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর আপত্তিতে কান দিচ্ছেন না।
২ ঘণ্টা আগে