
শান্তিতে নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ছয় মাসের কারাদণ্ড এবং ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন বাংলাদেশের একটি আদালত। শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় আজ সোমবার তাঁর বিরুদ্ধে এই দণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে। তবে নোবেল জয়ের আগে বা পরে কারাদণ্ড পাওয়া একমাত্র ব্যক্তি ড. মুহাম্মদ ইউনূস নন।
ড. ইউনূস ছাড়াও নোবেলজয়ীকে কারাদণ্ড দিয়েছে ভারত, বেলারুশ, মিয়ানমার, জার্মানি, চীন ও ইরান। তাঁরা হলেন—ভারতের অভিজিৎ ব্যানার্জি, ইরানের নার্গিস মোহাম্মদি, জার্মানির কার্ল ভন ওজিয়েতস্কি, মিয়ানমারের অং সান সু চি, চীনের লিও শাওবো এবং বেলারুশের আলেস বেইলিয়াৎস্কি।
মজার ব্যাপার হলো, অভিজিৎ ব্যানার্জি ছাড়া বাকি সবাই শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। অভিজিৎ নোবেল জিতেছেন অর্থনীতিতে।
অভিজিৎ ব্যানার্জি
অভিজিৎ ব্যানার্জি ২০১৯ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পান। শিক্ষাজীবনে তাঁকে একবার জেলে যেতে হয়েছিল। সময়টা ১৯৮৩ সাল। তখন অভিজিৎ দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের এমএ ক্লাসের শিক্ষার্থী। এক ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেওয়ার অভিযোগে তাঁকে ১০ দিন কারাগারে কাটাতে হয়েছিল। তা-ও আবার ভারতের আলোচিত তিহার জেলে রাখা হয়েছিল তাঁকে।
নার্গিস মোহাম্মদি
ইরানের অধিকারকর্মী নার্গিস মোহাম্মদি ২০২৩ সালে শান্তিতে নোবেল পান। কিন্তু নোবেল পুরস্কার গ্রহণের জন্য তিনি অসলো যেতে পারেননি। কারণ, সে সময়টায় তাঁকে কারান্তরে কাটাতে হয়েছে। ইরান সরকার ২০২১ সাল থেকে তাঁকে কারাগারে বন্দী করে রেখেছে। এমনকি নোবেল জয়ের পরও তাঁর ওপর থেকে শাস্তির খড়্গ নামেনি।
কার্ল ভন ওজিয়েতস্কি
জার্মান নাগরিক সাংবাদিক কার্ল ভন ওজিয়েতস্কি ১৯৩৫ সালে শান্তিতে নোবেল জেতেন। কিন্তু তিনিও নোবেল পুরস্কার নিজ হাতে গ্রহণ করতে পারেননি। কারণ, সেই সময়টাতে তিনি নাৎসি বাহিনীর কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পে বন্দী ছিলেন। অবশ্য পরেও আর কোনো দিন তিনি সেই পুরস্কার হাতে পাননি। ১৯৩৯ সালে কার্ল বন্দী অবস্থায়ই মারা যান।
অং সান সু চি
মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী অং সান সু চি ১৯৯১ সালে যখন নোবেল পুরস্কার পান তখন তিনি গৃহবন্দী। পরে কয়েক দফায় তিনি মিয়ানমারে সরকারও গঠন করেন। কিন্তু সর্বশেষ ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে দেশটির সামরিক বাহিনী ক্ষমতা দখল করে। ২০২২ সালে দেশটির আদালত সু চিকে ৩৩ বছরের কারাদণ্ড দেন।
লিও শাওবো
চীনের রাজনৈতিক ভিন্নমতাবলম্বী লিও শাওবো ২০১০ সালে নোবেল জেতেন। এর আগেই তাঁকে অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ডের দায়ে ১১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিল চীন সরকার। ২০১৭ সালে কারাবন্দী অবস্থায় ক্যানসারের চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান চীনেরই একটি হাসপাতালে।
আলেস বেইলিয়াৎস্কি
২০২২ সালে নোবেল জেতেন বেলারুশের অধিকারকর্মী আলেস বেইলিয়াৎস্কি। এর আগের বছর অর্থাৎ ২০২১ সালের জুলাই মাসে তাঁকে ১০ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।
তথ্যসূত্র: এনডিটিভি, এএফপি ও এনপিআর

শান্তিতে নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ছয় মাসের কারাদণ্ড এবং ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন বাংলাদেশের একটি আদালত। শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় আজ সোমবার তাঁর বিরুদ্ধে এই দণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে। তবে নোবেল জয়ের আগে বা পরে কারাদণ্ড পাওয়া একমাত্র ব্যক্তি ড. মুহাম্মদ ইউনূস নন।
ড. ইউনূস ছাড়াও নোবেলজয়ীকে কারাদণ্ড দিয়েছে ভারত, বেলারুশ, মিয়ানমার, জার্মানি, চীন ও ইরান। তাঁরা হলেন—ভারতের অভিজিৎ ব্যানার্জি, ইরানের নার্গিস মোহাম্মদি, জার্মানির কার্ল ভন ওজিয়েতস্কি, মিয়ানমারের অং সান সু চি, চীনের লিও শাওবো এবং বেলারুশের আলেস বেইলিয়াৎস্কি।
মজার ব্যাপার হলো, অভিজিৎ ব্যানার্জি ছাড়া বাকি সবাই শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। অভিজিৎ নোবেল জিতেছেন অর্থনীতিতে।
অভিজিৎ ব্যানার্জি
অভিজিৎ ব্যানার্জি ২০১৯ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পান। শিক্ষাজীবনে তাঁকে একবার জেলে যেতে হয়েছিল। সময়টা ১৯৮৩ সাল। তখন অভিজিৎ দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের এমএ ক্লাসের শিক্ষার্থী। এক ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেওয়ার অভিযোগে তাঁকে ১০ দিন কারাগারে কাটাতে হয়েছিল। তা-ও আবার ভারতের আলোচিত তিহার জেলে রাখা হয়েছিল তাঁকে।
নার্গিস মোহাম্মদি
ইরানের অধিকারকর্মী নার্গিস মোহাম্মদি ২০২৩ সালে শান্তিতে নোবেল পান। কিন্তু নোবেল পুরস্কার গ্রহণের জন্য তিনি অসলো যেতে পারেননি। কারণ, সে সময়টায় তাঁকে কারান্তরে কাটাতে হয়েছে। ইরান সরকার ২০২১ সাল থেকে তাঁকে কারাগারে বন্দী করে রেখেছে। এমনকি নোবেল জয়ের পরও তাঁর ওপর থেকে শাস্তির খড়্গ নামেনি।
কার্ল ভন ওজিয়েতস্কি
জার্মান নাগরিক সাংবাদিক কার্ল ভন ওজিয়েতস্কি ১৯৩৫ সালে শান্তিতে নোবেল জেতেন। কিন্তু তিনিও নোবেল পুরস্কার নিজ হাতে গ্রহণ করতে পারেননি। কারণ, সেই সময়টাতে তিনি নাৎসি বাহিনীর কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পে বন্দী ছিলেন। অবশ্য পরেও আর কোনো দিন তিনি সেই পুরস্কার হাতে পাননি। ১৯৩৯ সালে কার্ল বন্দী অবস্থায়ই মারা যান।
অং সান সু চি
মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী অং সান সু চি ১৯৯১ সালে যখন নোবেল পুরস্কার পান তখন তিনি গৃহবন্দী। পরে কয়েক দফায় তিনি মিয়ানমারে সরকারও গঠন করেন। কিন্তু সর্বশেষ ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে দেশটির সামরিক বাহিনী ক্ষমতা দখল করে। ২০২২ সালে দেশটির আদালত সু চিকে ৩৩ বছরের কারাদণ্ড দেন।
লিও শাওবো
চীনের রাজনৈতিক ভিন্নমতাবলম্বী লিও শাওবো ২০১০ সালে নোবেল জেতেন। এর আগেই তাঁকে অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ডের দায়ে ১১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিল চীন সরকার। ২০১৭ সালে কারাবন্দী অবস্থায় ক্যানসারের চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান চীনেরই একটি হাসপাতালে।
আলেস বেইলিয়াৎস্কি
২০২২ সালে নোবেল জেতেন বেলারুশের অধিকারকর্মী আলেস বেইলিয়াৎস্কি। এর আগের বছর অর্থাৎ ২০২১ সালের জুলাই মাসে তাঁকে ১০ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।
তথ্যসূত্র: এনডিটিভি, এএফপি ও এনপিআর

প্রায় সিকি শতাব্দী ধরে রাশিয়ার ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থান করছেন ভ্লাদিমির পুতিন। বিশ্ব রাজনীতির অন্যতম প্রভাবশালী এই নেতার মুখ ও বক্তব্য অহরহ দেখা গেলেও তাঁর ব্যক্তিগত জীবন আজও রয়ে গেছে কঠোর গোপনীয়তার আড়ালে। রাষ্ট্রীয় প্রচারণা যন্ত্রের ছাঁকনি পেরিয়ে পুতিনের পারিবারিক জীবনের খুব কম তথ্যই জনসমক্ষ
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে যুক্তরাষ্ট্রকে ‘শয়তান’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, ইরানি জাতি বরাবরের মতোই শত্রুদের হতাশ করবে।
১ ঘণ্টা আগে
ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মেয়র হিসেবে প্রথম দিনেই মামদানি তাঁর আসল চেহারা দেখিয়েছেন। তিনি ইহুদি-বিদ্বেষের আন্তর্জাতিক সংজ্ঞা (আইএইচআরএ) বাতিল করেছেন এবং ইসরায়েল বয়কটের ওপর থেকে বিধিনিষেধ তুলে নিয়েছেন। এটি নেতৃত্ব নয়, বরং এটি খোলা আগুনে ইহুদি-বিদ্বেষী ঘি ঢালার সমান।
২ ঘণ্টা আগে
গত মাসে এসটিসি এই অঞ্চলটি দখলের পর সৌদি জোটের পক্ষ থেকে এটিই প্রথম সরাসরি প্রাণঘাতী হামলা। এর আগে সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনী হাজরামাউতের সামরিক স্থাপনাগুলো ‘শান্তিপূর্ণভাবে’ নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ঘোষণা দেয়। কিন্তু ওই ঘোষণা দেওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই বিমান হামলা শুরু হয়।
৪ ঘণ্টা আগে