আজকের পত্রিকা ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত মঙ্গলবার কাতারে হামাস নেতাদের টার্গেট করে ইসরায়েলি হামলা নিয়ে খানিকটা স্ববিরোধী বক্তব্য দিয়েছেন। ট্রাম্প বলেছেন, এই হামলা ‘ইসরায়েল বা যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্যকে এগিয়ে নিয়ে যায় না।’ আবার তিনি বলেছেন, ‘হামাসকে নির্মূল’ করার প্রচেষ্টা একটি ‘মহৎ লক্ষ্য।’
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একদিকে ট্রাম্প তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, ইসরায়েলের এই হামলা ‘ইসরায়েল বা আমেরিকার লক্ষ্যকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যায় না।’ একইসঙ্গে তিনি লিখেছেন, ‘তবে হামাসকে নির্মূল করা—যারা গাজায় বসবাসকারীদের দুঃখ-কষ্ট থেকে লাভবান হয়েছে—একটি মহৎ লক্ষ্য।’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেন, ‘আমি মনে করি, এই দুর্ভাগ্যজনক ঘটনাটি শান্তির জন্য একটি সুযোগ হিসেবে কাজ করতে পারে।’ ট্রাম্প বলেন, কাতারের দোহায় ইসরায়েলের ওই হামলার ব্যাপারে তাঁকে আগেভাগেই মার্কিন সেনা কর্মকর্তারা সতর্ক করেছিল।
ট্রাম্প আরও দাবি করেন, এরপর তিনি অবিলম্বে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফকে নির্দেশ দেন কাতারকে বিষয়টি জানাতে। ট্রাম্পের ভাষায়, উইটকফ ‘এই করেছিলেনও, তবে দুর্ভাগ্যজনকভাবে, হামলা ঠেকানোর জন্য তখন অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল।’ তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘এই হামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। এটি আমার নেওয়া সিদ্ধান্ত ছিল না।’
ট্রাম্প বিশেষভাবে কাতারের প্রশংসা করে বলেন, উপসাগরীয় দেশটি মধ্যস্থতার ভূমিকা পালনে ‘খুব পরিশ্রম করছে এবং আমাদের সঙ্গে ঝুঁকি নিচ্ছে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য।’ তিনি বলেন, ‘আমি কাতারকে যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী মিত্র ও বন্ধু হিসেবে দেখি এবং হামলাটি যে ওখানেই ঘটেছে, তা নিয়ে আমি খুবই দুঃখিত।’
ট্রাম্প আবারও সব জিম্মিকে মুক্তি দেওয়ার এবং যুদ্ধের অবসান ঘটানোর ইচ্ছা প্রকাশ করে বলেন, ‘এখনই!’ তিনি উল্লেখ করেন, কাতারে ওই হামলার পর তিনি নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথা বলেছেন এবং নেতানিয়াহু তাঁকে জানিয়েছেন যে তিনি ‘শান্তি স্থাপন করতে চান।’
ডোনাল্ড ট্রাম্প আরও জানান, তিনি কাতারের আমির এবং প্রধানমন্ত্রী দুজনের সঙ্গেই কথা বলেছেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি তাঁদের ‘সমর্থন ও বন্ধুত্বের’ জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমি তাঁদের আশ্বস্ত করেছি, তাঁদের ভূমিতে আর কখনো এমন কিছু ঘটবে না।’ তিনি যোগ করেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে কাতারের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি চূড়ান্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত মঙ্গলবার কাতারে হামাস নেতাদের টার্গেট করে ইসরায়েলি হামলা নিয়ে খানিকটা স্ববিরোধী বক্তব্য দিয়েছেন। ট্রাম্প বলেছেন, এই হামলা ‘ইসরায়েল বা যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্যকে এগিয়ে নিয়ে যায় না।’ আবার তিনি বলেছেন, ‘হামাসকে নির্মূল’ করার প্রচেষ্টা একটি ‘মহৎ লক্ষ্য।’
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একদিকে ট্রাম্প তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, ইসরায়েলের এই হামলা ‘ইসরায়েল বা আমেরিকার লক্ষ্যকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যায় না।’ একইসঙ্গে তিনি লিখেছেন, ‘তবে হামাসকে নির্মূল করা—যারা গাজায় বসবাসকারীদের দুঃখ-কষ্ট থেকে লাভবান হয়েছে—একটি মহৎ লক্ষ্য।’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেন, ‘আমি মনে করি, এই দুর্ভাগ্যজনক ঘটনাটি শান্তির জন্য একটি সুযোগ হিসেবে কাজ করতে পারে।’ ট্রাম্প বলেন, কাতারের দোহায় ইসরায়েলের ওই হামলার ব্যাপারে তাঁকে আগেভাগেই মার্কিন সেনা কর্মকর্তারা সতর্ক করেছিল।
ট্রাম্প আরও দাবি করেন, এরপর তিনি অবিলম্বে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফকে নির্দেশ দেন কাতারকে বিষয়টি জানাতে। ট্রাম্পের ভাষায়, উইটকফ ‘এই করেছিলেনও, তবে দুর্ভাগ্যজনকভাবে, হামলা ঠেকানোর জন্য তখন অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল।’ তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘এই হামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। এটি আমার নেওয়া সিদ্ধান্ত ছিল না।’
ট্রাম্প বিশেষভাবে কাতারের প্রশংসা করে বলেন, উপসাগরীয় দেশটি মধ্যস্থতার ভূমিকা পালনে ‘খুব পরিশ্রম করছে এবং আমাদের সঙ্গে ঝুঁকি নিচ্ছে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য।’ তিনি বলেন, ‘আমি কাতারকে যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী মিত্র ও বন্ধু হিসেবে দেখি এবং হামলাটি যে ওখানেই ঘটেছে, তা নিয়ে আমি খুবই দুঃখিত।’
ট্রাম্প আবারও সব জিম্মিকে মুক্তি দেওয়ার এবং যুদ্ধের অবসান ঘটানোর ইচ্ছা প্রকাশ করে বলেন, ‘এখনই!’ তিনি উল্লেখ করেন, কাতারে ওই হামলার পর তিনি নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথা বলেছেন এবং নেতানিয়াহু তাঁকে জানিয়েছেন যে তিনি ‘শান্তি স্থাপন করতে চান।’
ডোনাল্ড ট্রাম্প আরও জানান, তিনি কাতারের আমির এবং প্রধানমন্ত্রী দুজনের সঙ্গেই কথা বলেছেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি তাঁদের ‘সমর্থন ও বন্ধুত্বের’ জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমি তাঁদের আশ্বস্ত করেছি, তাঁদের ভূমিতে আর কখনো এমন কিছু ঘটবে না।’ তিনি যোগ করেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে কাতারের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি চূড়ান্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ চাবাহার বন্দর নিয়ে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কড়া নিষেধাজ্ঞা এবং ইরানের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যে জড়িত দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকির মুখে চাবাহার প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ উপত্যকা গাজায় ‘শান্তি’ আনতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘বোর্ড অব পিস’ গঠন করেছেন। গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ ছিল এই ‘বোর্ড অব পিস’। গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতির মাধ্যমে এই পর্ষদের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছে হোয়াইট হাউস।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘যদি কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমাদের সঙ্গে একমত না হয়, তবে আমি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি। কারণ, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন।’ তবে কোন কোন দেশের ওপর এই শুল্ক আরোপ হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।
১৪ ঘণ্টা আগে
ইরানের নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভি দাবি করেছেন, দেশটিতে চলমান গণজাগরণ এখন একটি পূর্ণাঙ্গ বিপ্লবে রূপ নিয়েছে। আজ শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতন হবেই—প্রশ্নটি এখন ‘হবে কি না’ তা নয়, বরং ‘কখন হবে’ তা নিয়ে।
১৪ ঘণ্টা আগে