
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, পারমাণবিক যুদ্ধ শুরু হলে কেউই তা জিতবে না। এমন যুদ্ধ কখনোই শুরু করাও উচিত হবে না। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র নতুন পরমাণু অস্ত্র চুক্তির বিষয়ে আলোচনার বসতে প্রস্তুত। তিনি রাশিয়া ও চীনের প্রতি আলোচনায় শামিল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় সোমবার জাতিসংঘে আয়োজিত পরমাণু অস্ত্রের বিস্তাররোধী সম্মেলনে উপস্থিত নেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্যে পাঠানো এক চিঠিতে পুতিন এই কথা বলেন। পুতিন তাঁর চিঠিতে লিখেন, ‘আমাদের এই সত্য মেনে নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে যে—পারমাণবিক যুদ্ধে কেউই জিতবে না এবং এই ধরনের যুদ্ধে জড়িয়ে পড়া কখনোই উচিত হবে না। আমাদের সবাইকে বিশ্ব সম্প্রদায়ের অবিভাজিত নিরাপত্তার লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।’
পুতিন রাশিয়ার সঙ্গে শত্রুতার পরিণাম ভালো হবে না উল্লেখ করে বলেন, ‘যারা আমাদের এগিয়ে যাওয়া বাধাগ্রস্ত করবে তাদের জানা থাকা উচিত—রাশিয়ার জবাব হবে তাৎক্ষণিক। এবং এর পরিণতি হবে এতটাই ভয়াবহ যে, যার মুখোমুখি তার আরা কখনোই হয়নি।’
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া কর্তৃক ইউক্রেন আক্রমণের পর থেকেই বিশ্বজুড়ে একটি পারমাণবিক অস্ত্রের যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই অবস্থায় পুতিনের এই বক্তব্য কিছুটা হলেও স্বস্তি দিতে পারে।
জাতিসংঘে আয়োজিত পরমাণু অস্ত্রের বিস্তাররোধী সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন রাশিয়া এবং চীনের প্রতি পরমাণু অস্ত্রের বিস্তার রোধে আলোচনায় বসার আহ্বান জানান। চীনের উদ্দেশ্যে বাইডেন বলেন, ‘এই ধরনের আলোচনা ভুল সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং সামরিক গতিশীলতা অস্থিতিশীল করার যেসব ঝুঁকি রয়েছে তা কমিয়ে আনতে সাহায্য করবে।’
উল্লেখ্য, কোভিড–১৯ মহামারির কারণে প্রায় ২ বছরেরও বেশি সময় বন্ধ থাকার পর এই প্রথম বিশ্ব নেতৃবৃন্দ পরমাণু অস্ত্রের বিস্তাররোধী এই সম্মেলনের ১০ম পর্যালোচনা সম্মেলনে উপস্থিত হয়েছেন।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, পারমাণবিক যুদ্ধ শুরু হলে কেউই তা জিতবে না। এমন যুদ্ধ কখনোই শুরু করাও উচিত হবে না। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র নতুন পরমাণু অস্ত্র চুক্তির বিষয়ে আলোচনার বসতে প্রস্তুত। তিনি রাশিয়া ও চীনের প্রতি আলোচনায় শামিল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় সোমবার জাতিসংঘে আয়োজিত পরমাণু অস্ত্রের বিস্তাররোধী সম্মেলনে উপস্থিত নেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্যে পাঠানো এক চিঠিতে পুতিন এই কথা বলেন। পুতিন তাঁর চিঠিতে লিখেন, ‘আমাদের এই সত্য মেনে নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে যে—পারমাণবিক যুদ্ধে কেউই জিতবে না এবং এই ধরনের যুদ্ধে জড়িয়ে পড়া কখনোই উচিত হবে না। আমাদের সবাইকে বিশ্ব সম্প্রদায়ের অবিভাজিত নিরাপত্তার লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।’
পুতিন রাশিয়ার সঙ্গে শত্রুতার পরিণাম ভালো হবে না উল্লেখ করে বলেন, ‘যারা আমাদের এগিয়ে যাওয়া বাধাগ্রস্ত করবে তাদের জানা থাকা উচিত—রাশিয়ার জবাব হবে তাৎক্ষণিক। এবং এর পরিণতি হবে এতটাই ভয়াবহ যে, যার মুখোমুখি তার আরা কখনোই হয়নি।’
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া কর্তৃক ইউক্রেন আক্রমণের পর থেকেই বিশ্বজুড়ে একটি পারমাণবিক অস্ত্রের যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই অবস্থায় পুতিনের এই বক্তব্য কিছুটা হলেও স্বস্তি দিতে পারে।
জাতিসংঘে আয়োজিত পরমাণু অস্ত্রের বিস্তাররোধী সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন রাশিয়া এবং চীনের প্রতি পরমাণু অস্ত্রের বিস্তার রোধে আলোচনায় বসার আহ্বান জানান। চীনের উদ্দেশ্যে বাইডেন বলেন, ‘এই ধরনের আলোচনা ভুল সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং সামরিক গতিশীলতা অস্থিতিশীল করার যেসব ঝুঁকি রয়েছে তা কমিয়ে আনতে সাহায্য করবে।’
উল্লেখ্য, কোভিড–১৯ মহামারির কারণে প্রায় ২ বছরেরও বেশি সময় বন্ধ থাকার পর এই প্রথম বিশ্ব নেতৃবৃন্দ পরমাণু অস্ত্রের বিস্তাররোধী এই সম্মেলনের ১০ম পর্যালোচনা সম্মেলনে উপস্থিত হয়েছেন।

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৩ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৩ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৬ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৬ ঘণ্টা আগে