আজকের পত্রিকা ডেস্ক

শিগগিরই শুল্ক বাবদ ৬০০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি অর্থ পেতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এখন যুক্তরাষ্ট্র আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী ও সম্মানিত। এমন মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি, শুল্ক নীতি দেশের আর্থিক অবস্থান শক্তিশালী করেছে এবং জাতীয় নিরাপত্তা জোরদার করেছে।
গতকাল সোমবার এসব কথা বলেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর সমালোচনা করেন। তাঁর অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের আগে গণমাধ্যম ইচ্ছাকৃতভাবে বিষয়টি গুরুত্ব দিচ্ছে না।
ট্রাম্প নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যাল-এ এক পোস্টে বলেন, ‘আমরা শুল্ক থেকে ৬০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ ইতিমধ্যে পেয়েছি এবং আরও পেতে যাচ্ছি। কিন্তু “ভুয়া সংবাদমাধ্যম” এটি নিয়ে কথা বলছে না। কারণ তারা আমাদের দেশকে ঘৃণা করে ও অসম্মান করে। তারা যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের আসন্ন শুল্ক-সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করতে চায়, যা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলোর একটি।’
তিনি আরও বলেন, ‘শুল্কের কারণে আমাদের দেশ আর্থিকভাবে এবং জাতীয় নিরাপত্তার দৃষ্টিকোণ থেকে আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী ও সম্মানিত।’
ওই পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, নির্ধারিত বাণিজ্য নীতিগুলো সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক অবস্থানের সঙ্গে যুক্ত।
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ক্ষমতায় আসার পরপরই ট্রাম্প ও তাঁর দল শুল্ককে জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতির একটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে শুরু করেন। এর অংশ হিসেবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পণ্যের ওপর বড় অঙ্কের শুল্ক আরোপ করা হয়।
এর মধ্যে ভারতের পণ্যের আমদানির ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন তিনি।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতি ঘিরে সৃষ্ট অস্থিরতার মধ্যে ভারত রপ্তানি বহুমুখীকরণের দিকে এগোচ্ছে বলে এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। হংকংভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে অন্য বাজারে রপ্তানি সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করছে নয়াদিল্লি। সামনে দিনগুলোতে এই উদ্যোগ আরও জোরদার হবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতের ওপর ৫০ শতাংশ দণ্ডমূলক আমদানি শুল্ক আরোপ করার পর থেকেই নয়াদিল্লি এ বিষয়ে কঠোর অবস্থান ধরে রেখেছে। তবে একই সঙ্গে আলোচনার পথও খোলা রাখা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ভারতের সবচেয়ে বড় রপ্তানি বাজার। দেশটিতে ভারতের মোট পণ্য রপ্তানির প্রায় ১৮ শতাংশ যায়। এর মধ্যে তৈরি পোশাক ও চামড়াজাত পণ্য উল্লেখযোগ্য। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বিশাল ভারতীয় প্রবাসী জনগোষ্ঠীও নিজ দেশের পাঠানো পণ্য আগ্রহ নিয়ে কিনে থাকে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, কৃষি ও দুগ্ধজাত পণ্যের মতো সংবেদনশীল খাত যুক্তরাষ্ট্রের জন্য উন্মুক্ত করতে ভারতের অনড় অবস্থানের কারণে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি সম্ভব হবে কি না, তা এখনো অনিশ্চিত। এ অবস্থায় বিশেষজ্ঞদের একটি অংশ মনে করছে, ওয়াশিংটন বড় পরিসরে শুল্ক কমাবে—এমন সম্ভাবনা খুব কম।

শিগগিরই শুল্ক বাবদ ৬০০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি অর্থ পেতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এখন যুক্তরাষ্ট্র আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী ও সম্মানিত। এমন মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি, শুল্ক নীতি দেশের আর্থিক অবস্থান শক্তিশালী করেছে এবং জাতীয় নিরাপত্তা জোরদার করেছে।
গতকাল সোমবার এসব কথা বলেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর সমালোচনা করেন। তাঁর অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের আগে গণমাধ্যম ইচ্ছাকৃতভাবে বিষয়টি গুরুত্ব দিচ্ছে না।
ট্রাম্প নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যাল-এ এক পোস্টে বলেন, ‘আমরা শুল্ক থেকে ৬০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ ইতিমধ্যে পেয়েছি এবং আরও পেতে যাচ্ছি। কিন্তু “ভুয়া সংবাদমাধ্যম” এটি নিয়ে কথা বলছে না। কারণ তারা আমাদের দেশকে ঘৃণা করে ও অসম্মান করে। তারা যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের আসন্ন শুল্ক-সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করতে চায়, যা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলোর একটি।’
তিনি আরও বলেন, ‘শুল্কের কারণে আমাদের দেশ আর্থিকভাবে এবং জাতীয় নিরাপত্তার দৃষ্টিকোণ থেকে আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী ও সম্মানিত।’
ওই পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, নির্ধারিত বাণিজ্য নীতিগুলো সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক অবস্থানের সঙ্গে যুক্ত।
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ক্ষমতায় আসার পরপরই ট্রাম্প ও তাঁর দল শুল্ককে জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতির একটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে শুরু করেন। এর অংশ হিসেবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পণ্যের ওপর বড় অঙ্কের শুল্ক আরোপ করা হয়।
এর মধ্যে ভারতের পণ্যের আমদানির ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন তিনি।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতি ঘিরে সৃষ্ট অস্থিরতার মধ্যে ভারত রপ্তানি বহুমুখীকরণের দিকে এগোচ্ছে বলে এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। হংকংভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে অন্য বাজারে রপ্তানি সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করছে নয়াদিল্লি। সামনে দিনগুলোতে এই উদ্যোগ আরও জোরদার হবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতের ওপর ৫০ শতাংশ দণ্ডমূলক আমদানি শুল্ক আরোপ করার পর থেকেই নয়াদিল্লি এ বিষয়ে কঠোর অবস্থান ধরে রেখেছে। তবে একই সঙ্গে আলোচনার পথও খোলা রাখা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ভারতের সবচেয়ে বড় রপ্তানি বাজার। দেশটিতে ভারতের মোট পণ্য রপ্তানির প্রায় ১৮ শতাংশ যায়। এর মধ্যে তৈরি পোশাক ও চামড়াজাত পণ্য উল্লেখযোগ্য। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বিশাল ভারতীয় প্রবাসী জনগোষ্ঠীও নিজ দেশের পাঠানো পণ্য আগ্রহ নিয়ে কিনে থাকে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, কৃষি ও দুগ্ধজাত পণ্যের মতো সংবেদনশীল খাত যুক্তরাষ্ট্রের জন্য উন্মুক্ত করতে ভারতের অনড় অবস্থানের কারণে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি সম্ভব হবে কি না, তা এখনো অনিশ্চিত। এ অবস্থায় বিশেষজ্ঞদের একটি অংশ মনে করছে, ওয়াশিংটন বড় পরিসরে শুল্ক কমাবে—এমন সম্ভাবনা খুব কম।

আটলান্টিক মহাসাগরে টানা ১৪ দিন ধাওয়ার পর ভেনেজুয়েলা সংশ্লিষ্ট একটি তেলবাহী ট্যাংকার জব্দ করেছে মার্কিন বিশেষ বাহিনী। রুশ পতাকা লাগিয়ে এবং নাম পরিবর্তন করে পার পাওয়ার চেষ্টা করেও শেষ রক্ষা হয়নি ‘মেরিনেরা’ (আগের নাম বেলা-১) নামক এই বিশাল জাহাজটির। আজ বুধবার (৭ জানুয়ারি) মার্কিন ইউরোপীয় কমান্ড এই
১ ঘণ্টা আগে
প্রায় দুই হাজার বছর আগের আয়রন এজ বা লৌহযুগের এক বিরল যুদ্ধসম্পদের সন্ধান মিলেছে যুক্তরাজ্যের নরফোক অঞ্চলে। প্রত্নতাত্ত্বিকেরা এটিকে ব্রিটেনের ইতিহাসে ‘আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ’ আবিষ্কার হিসেবে উল্লেখ করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলার ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে প্রায় ২০০ কোটি ডলারের অপরিশোধিত তেল আটকা পড়ে ছিল। এই তেল রপ্তানি করতে ওয়াশিংটনের সঙ্গে কারাকাস একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে বলে জানা গেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, এই চুক্তির ফলে ভেনেজুয়েলার তেল সরবরাহ এখন চীনের বদলে যুক্তরাষ্ট্রে যাবে।
২ ঘণ্টা আগে
সোমবার (৫ জানুয়ারি) মার্কিন আইনপ্রণেতাদের দেওয়া এক রুদ্ধদ্বার ব্রিফিং হয়। ওই ব্রিফিংয়েই জানানো হয়, মার্কিন বিশেষ বাহিনী যখন তাঁদের কম্পাউন্ডে হানা দেয়, তখন মাদুরো ও ফ্লোরেস দৌড়ে একটি ভারী ইস্পাতের দরজার পেছনে লুকানোর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু দরজার ফ্রেম বা চৌকাঠটি নিচু হওয়ায় দ্রুত প্রবেশের সময় তাঁরা
২ ঘণ্টা আগে