
কানাডার টরোন্টো বিমানবন্দরে অবৈধ কর্মকাণ্ডের অভিযোগে পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনসের (পিআইএ) এক বিমানবালা বা এয়ার হোস্টেসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হিনা সানি নামে ওই এয়ার হোস্টেসের কাছে এমন একজনের পাসপোর্ট ছিল, যা তাঁর কাছে থাকার কথা নয়। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে অন্যের পাসপোর্ট বহন করা অবৈধ।
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম সামা নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের লাহোর থেকে পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনসের ফ্লাইট পিকে-৭৮৯-এ করে হিনা সানি টরোন্টো গিয়েছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে এবারই অভিযোগ প্রথম নয়, এর আগেও তাঁকে এমন কর্মকাণ্ডের জন্য সতর্ক করা হয়েছিল।
হিনা সানি পাকিস্তানের একজন জনপ্রিয় গায়কের আত্মীয় এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি নিজেকে মডেল বলেও দাবি করেন। তাঁর আটক কানাডায় পাকিস্তান এয়ারলাইনসের ক্রুদের এ ধরনের কর্মকাণ্ড নিয়ে আরও বেশি শোরগোল তুলেছে। এ ছাড়া আরও কয়েকজন এয়ার হোস্টেসের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ তুলে তাঁদের টরোন্টো ফ্লাইট নিষিদ্ধ করেছে পিআইএ।
পিআইএর একটি সূত্র আরও জানিয়েছে, হিনা সানি প্রতিষ্ঠানটির ফ্লাইট সার্ভিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজারের কাছ থেকে নিজের আইডি দেখিয়ে টরোন্টো ফ্লাইটের অনুমতি নিয়েছিলেন। এ বিষয়টি আরও বেশি প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। কারণ, ধারণা করা হচ্ছে, এ ধরনের বিষয়ের সঙ্গে সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারও জড়িত
হিনা সানির গ্রেপ্তারের বিষয়টির আলোকে কানাডা কর্তৃপক্ষ আরও দুই এয়ার হোস্টেসকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। পরে অবশ্য তাদের নিজ হোটেলে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।
এ ঘটনার বিষয়ে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে পাকিস্তান এয়ারলাইনসের মুখপাত্র আবদুল্লাহ খান জানিয়েছেন, তাঁরা এ বিষয়ে অবগত। তাঁরা কানাডার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সহযোগিতা করছেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, কানাডা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সহযোগিতার মাধ্যমে এ বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কানাডার টরোন্টো বিমানবন্দরে অবৈধ কর্মকাণ্ডের অভিযোগে পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনসের (পিআইএ) এক বিমানবালা বা এয়ার হোস্টেসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হিনা সানি নামে ওই এয়ার হোস্টেসের কাছে এমন একজনের পাসপোর্ট ছিল, যা তাঁর কাছে থাকার কথা নয়। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে অন্যের পাসপোর্ট বহন করা অবৈধ।
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম সামা নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের লাহোর থেকে পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনসের ফ্লাইট পিকে-৭৮৯-এ করে হিনা সানি টরোন্টো গিয়েছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে এবারই অভিযোগ প্রথম নয়, এর আগেও তাঁকে এমন কর্মকাণ্ডের জন্য সতর্ক করা হয়েছিল।
হিনা সানি পাকিস্তানের একজন জনপ্রিয় গায়কের আত্মীয় এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি নিজেকে মডেল বলেও দাবি করেন। তাঁর আটক কানাডায় পাকিস্তান এয়ারলাইনসের ক্রুদের এ ধরনের কর্মকাণ্ড নিয়ে আরও বেশি শোরগোল তুলেছে। এ ছাড়া আরও কয়েকজন এয়ার হোস্টেসের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ তুলে তাঁদের টরোন্টো ফ্লাইট নিষিদ্ধ করেছে পিআইএ।
পিআইএর একটি সূত্র আরও জানিয়েছে, হিনা সানি প্রতিষ্ঠানটির ফ্লাইট সার্ভিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজারের কাছ থেকে নিজের আইডি দেখিয়ে টরোন্টো ফ্লাইটের অনুমতি নিয়েছিলেন। এ বিষয়টি আরও বেশি প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। কারণ, ধারণা করা হচ্ছে, এ ধরনের বিষয়ের সঙ্গে সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারও জড়িত
হিনা সানির গ্রেপ্তারের বিষয়টির আলোকে কানাডা কর্তৃপক্ষ আরও দুই এয়ার হোস্টেসকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। পরে অবশ্য তাদের নিজ হোটেলে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।
এ ঘটনার বিষয়ে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে পাকিস্তান এয়ারলাইনসের মুখপাত্র আবদুল্লাহ খান জানিয়েছেন, তাঁরা এ বিষয়ে অবগত। তাঁরা কানাডার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সহযোগিতা করছেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, কানাডা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সহযোগিতার মাধ্যমে এ বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গাজায় ইসরায়েলের চালানো গণহত্যামূলক যুদ্ধ বন্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ হিসেবে ট্রাম্প প্রথম এই বোর্ডের কথা প্রকাশ করেন। সে সময় তিনি বলেছিলেন, এই সংস্থাটি গাজায় ‘শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলা, আঞ্চলিক সম্পর্ক উন্নয়ন, পুনর্গঠন, বিনিয়োগ আকর্ষণ, বৃহৎ তহবিল সংগ্রহ এবং মূলধন ব্যবস্থাপনা’ তদারকি করবে।
১১ মিনিট আগে
গাজায় প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের জন্য গঠিত নতুন ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট কমিটি শান্তি, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার অর্জনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এমনটি বলা হয়েছে কমিটির শীর্ষ কর্মকর্তা ড. আলী শাথ প্রকাশিত এক মিশন স্টেটমেন্টে।
২ ঘণ্টা আগে
হোয়াইট হাউস গাজা শাসনে প্রস্তাবিত ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পরিষদের সদস্যদের নাম প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে গাজার শাসনের জন্য জাতীয় কমিটি ন্যাশনাল কমিটি ফর দ্য অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব গাজার (এনসিএজি) সদস্যদের নামও ঘোষণা করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
গাজা শান্তি পরিকল্পনার অর্থাৎ,শান্তি পরিকল্পনার অর্থাৎ, যুদ্ধবিরতির পাশাপাশি অঞ্চলটির পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার ‘দ্বিতীয় ধাপ’ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে ইসরায়েল। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা এই প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর আপত্তিতে কান দিচ্ছেন না।
২ ঘণ্টা আগে